advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

সম্ভাবনার শ্রমবাজারে বহুমুখী চ্যালেঞ্জ
দক্ষ জনশক্তি তৈরি করতে হবে

১২ আগস্ট ২০২০ ০০:০০
আপডেট: ১১ আগস্ট ২০২০ ২০:৩৬
advertisement

করোনা থাবায় বিশ্বের শ্রমবাজার বিপর্যস্ত। কর্মহীন হয়ে পড়েছেন কোটি কোটি মানুষ। প্রবাসী বাংলাদেশিদের অনেকে বাধ্য হয়ে দেশে ফিরছেন। অনেকে ফেরার অপেক্ষায় রয়েছেন।

বৈদেশিক জনশক্তি রপ্তানিকারকদের সংগঠন বায়রার মতে, আমাদের প্রবাসী শ্রমিকদের সংখ্যা প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখ। প্রতিবছর বাংলাদেশের শ্রমবাজারে ২২ থেকে ২৩ লাখ মানুষ যুক্ত হচ্ছেন। দেশে তাদের উপযুক্ত কর্মসংস্থানের সুযোগ নেই। এ কারণে জমিজমা বিক্রি কিংবা ধারদেনা করে তারা বিদেশে যান। পদে পদে হয়রানি ও প্রতারণার শিকার হন। যে কাজের কথা বলে তাদের বিদেশে নিয়ে যাওয়া হয়, সেই কাজ দেওয়া হয় না। মজুরি দেওয়া হয় কম। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ। রাষ্ট্র ও মালিকের অমানবিক আচরণ। তার পরও দেশে থাকা স্বজনদের কথা ভেবে এই মানুষগুলো বিদেশে থেকে আমাদের অর্থনীতিকে পুষ্ট করছেন। কিন্তু করোনা মহামারী তাদের আরও বিপর্যস্ত করে তুলেছে।

তবে এর মধ্যে আশার কথা হচ্ছে- শ্রমের নতুন বাজার সৃষ্টি হচ্ছে। দেশের শ্রমবাজার দীর্ঘ বছর মধ্যপ্রাচ্যের ওপর নির্ভরশীল হলেও ইউরোপ ও আমেরিকার দেশগুলোয় নতুন সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

এ অবস্থায় সরকারের প্রথম করণীয় শ্রমবাজারের অনুসন্ধান ও দক্ষ শ্রমিক তৈরি। আমরা যদি বিদেশের শ্রমবাজার ধরে রাখতে চাই, বিদেশের চাহিদামাফিক শ্রমিক রপ্তানির দিকেই মনোযোগ বাড়াতে হবে। দেশে ৭০টি কেন্দ্রে বিদেশে যেতে আগ্রহী ব্যক্তিদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। কিন্তু এসব কেন্দ্রে স্বল্প মেয়াদে যে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়, তা আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদামাফিক জনশক্তি তৈরির ক্ষেত্রে কতটুকু ভূমিকা পালন করবে, তাও ভেবে দেখতে হবে। বিশ্বায়নের যুগে দরজা বন্ধ করে রাখা যাবে না। ফলে এমন জনশক্তি তৈরি করতে হবে, যারা দেশের ভেতরে কিংবা বাইরে বিদেশিদের সঙ্গে টক্কর দিতে পারেন। এই মুহূর্তে দক্ষ জনশক্তি তৈরি এবং নতুন বাজার সৃষ্টির কাজটি একযোগে করতে হবে।

advertisement
Evaly
advertisement