advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

বোর্ড পরীক্ষা ও অ্যাডমিশনের জন্য কৌশলী হও

হামিমুর রহমান ওয়ালিউল্লাহ শিক্ষার্থী, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
১২ আগস্ট ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ১১ আগস্ট ২০২০ ২০:৫০
advertisement

চারপাশে নিস্তব্ধ এক ভুতুড়ে-বিদ্ঘুুটে পরিবেশ। কোথাও কোথাও মন খারাপের গল্প। একের পর এক বিয়োগ, নিস্তব্ধ। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ। বন্ধুর সঙ্গে আলাপন বন্ধ। তবুও কি থেমে আছে জীবন? থেমে থাকে স্বপ্ন? স্বপ্ন থামার নয় বলেই আমাদের পড়তে হয়। লড়াইয়ের জন্য দক্ষ হতে হয়। তোমরা যারা উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থী, তোমাদের জীবন ও লক্ষ্যও থেমে থাকার নয়। তাই এ সময়টায় কৌশলী হও। কিছু কৌশল তোমাকে বোর্ড পরীক্ষাসহ অ্যাডমিশনে এগিয়ে রাখবে।

প্রথমত, ইংরেজি বা বাংলা পড়ার সময় শব্দের সাফিক্স, প্রিফিক্স বুঝে পড়ার চেষ্টা করো। শব্দের অরিজিন বোঝার চেষ্টা করো। দেখবে শব্দ মনে থাকবে বেশি। কাজে লাগবে আজীবন। পরবর্তী জীবনেও এটি কাজে দেবে। ওহঃবহঃরড়হ, ওহঃবহঃ, চৎবঃবহফ, ঊীঃবহঃ, ঙংঃবহঃধঃরড়ঁং, উরংঃধহঃÑ এসব শব্দের মূল কী খোঁজো। তার পর মেলাও। বুঝে যাবে কোন দৃষ্টিতে পড়তে হবে।

দ্বিতীয়ত, বাংলা ও ইংরেজির ক্ষেত্রে নিজের টেক্সট খুব ভালো করে পড়ে ফেলো। এখান থেকে অসংখ্য প্রশ্ন আসবে। এখানেও এই গল্পের মূল কী! এই বইয়ের সংকলন কীভাবে? লেখক ও তার অন্যান্য আদ্যোপান্ত একটি ভালোবাসা নিয়ে পড়ে ফেলো। এমন আশায় নয়, পাস করতে হবে। বরং প্রতিটি বিষয় জানার জন্যই আগ্রহ নিয়ে পড়তে হবে।

তৃতীয়ত, বিজ্ঞানের ছাত্ররা এখন থেকেই আর্টিকেল পড়তে পারো। তোমার টেক্সট বুকের কোনো একটি টপিক নিয়ে এড়ড়মষব ংপযড়ষধৎ-এ অনুসন্ধান করো। অনেক কিছু পাবে। এতে ৩ লাভ। এই বিষয়ে আরও অনেক জানবে। রিসার্চ পেপার থেকে নিজের জানা ও কাজের আগ্রহ বাড়বে। যে কোনো পরীক্ষাসহ পরবর্তী জীবনেও বেশ কাজে দেবে।

সাধারণ জ্ঞানে এ কাজটি মানবিকের ছাত্র বা ‘ডি’ ইউনিটের জন্যও করা যেতে পারে। পত্রিকার কলাম, প্রতিবেদন সবচেয়ে উপকারী। ইংরেজি পড়তে পারলে ইংরেজির ভোকাবুলারি, সিননিমস, সিন কমপ্রিহেনশন, প্রিপজিশন, এরর ফাইন্ডিংসÑ সবকিছুতেই কাজে দেবে। এর সঙ্গে সাধারণ জ্ঞানের মূলটি শক্ত করে দেবে।

ব্যবসায়ে অনুষদে সুযোগ কম। কিন্তু চাহিদা বেশি। ইংরেজি ও বাংলার ক্ষেত্রে একই পন্থা মেনে তোমরা বিশেষ বিষয়ে মনোযোগ দাও। বারবার করে টেক্সট বুক সমাধান করো। আশা করি, দুটিতেই সাফল্য ধরা দেবে।

আমি বিশ্বাস করি, ‘ধ্বংসস্তূপের দাঁড়িয়ে যে যুদ্ধের ঘোষণা করতে পারে, সেই আসল বীর।’ ছোটবেলায় শোনা এই কথা আজও প্রযোজ্য। অল্প করে কৌশলগতভাবে এ সময়টা কাজে লাগাও। জীবনের যুদ্ধে তুমিও বীর হিসেবে আবির্ভূত হবে।

advertisement
Evaly
advertisement