advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ওসির হাতে চড় খাওয়া সেই এএসআইকে ডিএসবিতে পদায়ন

নিজস্ব প্রতিবেদক
১১ আগস্ট ২০২০ ২১:৫১ | আপডেট: ১১ আগস্ট ২০২০ ২২:১১
চড় মারার সেই মুহূর্ত
advertisement

বামনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) হাতে চড় খাওয়া বরগুনার ওই থানার সেই সহকারী উপ-পরিদর্শককে (এএসআই) পুলিশের বিশেষ গোয়েন্দা শাখায় (ডিএসবি) পদায়ন করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার বিকেলে বরগুনা জেলা পুলিশের বিশেষ গোয়েন্দা শাখায় তাকে পদায়ন করা হয়।

বরগুনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মফিজুল ইসলাম বলেন, গত রোববার রাতে ওই এএসআইকে বরগুনার পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করার পর আজ তাকে বরগুনা জেলা পুলিশের বিশেষ গোয়েন্দা শাখায় (ডিএসবি) পদায়ন করা হয়।

এর আগে পেশাগত দায়িত্ব পালনের অনুকূল পরিবেশ না থাকায় গত রোববার রাতে বামনা থানা থেকে তাকে বরগুনার পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়।

মফিজুল ইসলাম বলেন, ‘দায়িত্বপালনরত অবস্থায় প্রকাশ্যে লাঞ্ছনার শিকার হওয়ায় এএসআইয়ের বামনা থানায় দায়িত্ব পালনের অনুকূল পরিবেশ নষ্ট হয়ে যায়। এ কারণে একটি সুন্দর পরিবেশে কাজ করার সুযোগ দেওয়ার জন্য আমরা ওই এএসআইকে বামনা থানা থেকে সরিয়ে বরগুনার পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করি।’

কক্সবাজারে পুলিশের গুলিতে মেজর (অব.) সিনহা মোহাম্মদ রাশেদের মৃত্যুর পর গ্রেপ্তার ও কারাবন্দি শাহেদুল ইসলাম সিফাতের মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন পণ্ড করার সময় গত শনিবার কর্তব্যরত ওই এএসআইকে প্রকাশ্যে চড় মারেন বরগুনার বামনা থানা পুলিশের ওসি মো. ইলিয়াস হোসেন।

চড় মামার ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ওসি মো. ইলিয়াস হোসেনের সমালোচনা করে অসংখ্য মানুষ। এতে ভাবমূর্তি নষ্ট হয় খোদ পুলিশেরও।

ঘটনার দিনই বরগুনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মফিজুল ইসলামকে প্রধান করে তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে পুলিশ। তিন দিনের মধ্যে এ ঘটনার তদন্ত শেষে বামনা থানা পুলিশের ওসি মো. ইলিয়াস আলী তালুকদারকে অভিযুক্ত করে তাকে প্রত্যাহারের পাশাপাশি বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করে তদন্ত কমিটি।

তদন্ত কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী আজ মঙ্গলবার  দুপুরে বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি অফিস বামনা থানা পুলিশের ওসি মোহাম্মদ ইলিয়াছ আলী তালুকদারকে প্রত্যাহার করে বরগুনার পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করে।

 

advertisement