advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ওসি প্রদীপের বিরুদ্ধে ‘বন্দুকযুদ্ধ’ নিয়ে মামলার আবেদন খারিজ

কক্সবাজার প্রতিনিধি
১৩ আগস্ট ২০২০ ১৬:৪৯ | আপডেট: ১৩ আগস্ট ২০২০ ১৭:৪০
ওসি (বরখাস্তকৃত) প্রদীপ কুমার দাশ। পুরোনো ছবি
advertisement

কক্সবাজারের মহেশখালীতে কথিত বন্দুকযুদ্ধে আব্দুস সত্তার নিহতের ঘটনায় মহেশখালী থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে ওই ঘটনায় চার বছর আগে পুলিশের পক্ষে অজ্ঞাতনামা আসামি দেখিয়ে দায়েরকৃত মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সিআইডিকে।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে মহেশখালীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক আব্বাস উদ্দিন এই আদেশ দেন। নিহত আব্দুস সাত্তার মহেশখালী উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নের পূর্ব মাঝেরপাড়ার মৃত নুরুচ্ছফা পুত্র।

বাদীপক্ষের আইনজীবী শহিদুল ইসলাম জানান, কথিত বন্দুকযুদ্ধে আব্দুস সত্তার হত্যার ঘটনায় মহেশখালী থানার তৎকালীন ওসি (বর্তমানে বরখাস্তকৃত) প্রদীপ ও পুলিশের ৫ সদস্যসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে মহেশখালীর জুডিশিয়াল আদালতে গতকাল বুধবার মামলা করেন নিহতের স্ত্রী হামিদা আক্তার।

আজ বৃহস্পতিবার শুনানিতে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক আব্বাসউদ্দীন ফৌজদারি আবেদনটি আমলে নিতে অপারগতা জানিয়ে বলেছেন, বিষয়টি নিয়ে উচ্চ আদালতে রিট দায়ের করা রয়েছে। চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলাটি এএসপি মর্যাদার নিচে নয় এমন একজন সিআইডি কর্মকর্তাকে তদন্তের দায়িত্বের নির্দেশ দেন বিচারক।

হামিদা আক্তারের আবেদেনকৃত ফৌজদারি দরখাস্তে ফেরদৌস বাহিনীর প্রধান ফেরদৌস, থানার তৎকালীন ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, এসআই হারুন উর রশিদ, এসআই ইমাম হোসেন, এসআই মনিরুল ইসলাম, এএসআই শাহেদুল ইসলাম ও এএসআই আজিম উদ্দিনকে অভিযুক্ত করা হয়।

নিহতের স্ত্রী হামিদা আক্তার জানান, ২০১৭ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি সকাল সাতটার দিকে ফেরদৌস বাহিনীর সহায়তায় এলাকায় তার স্বামী আব্দুস সত্তারকে হত্যা করা হয়। এ ব্যাপারে থানায় মামলা নেয়নি। অবশেষে উচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হন তারা।

advertisement
Evaly
advertisement