advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষেই দলে ফিরছেন সাকিব

ক্রীড়া প্রতিবেদক
১৫ আগস্ট ২০২০ ১৭:১৭ | আপডেট: ১৫ আগস্ট ২০২০ ২০:০৬
সাকিব আল হাসান। পুরোনো ছবি।
advertisement

অক্টোবরের ২৯ তারিখে বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক সাকিব আল হাসানের আইসিসি কর্তৃক দেওয়া নিষেধাজ্ঞা শেষ হবে। এই অক্টোবরের ২৪ তারিখ শুরু হবে বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্ট। সিরিজের প্রথম ম্যাচে খেলতে পারবেন না কিন্তু বাকিগুলোতে নিষেধাজ্ঞা থাকছে না। তাহলে সাকিব কি শ্রীলঙ্কার বিপক্ষেই ফিরছেন?

শ্রীলঙ্কা সফরেই সাকিব ফিরবেন কি না এই নিয়ে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে বেশ কদিন ধরে আলোচনা চলছেন। কদিন আগে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান আকরাম খান জানিয়েছিলেন, সাকিবের ফেরা নিয়ে আলোচনা হয়ে তবে চুড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। এবার খোদ বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন জানিয়ে দিলেন সাকিব ফিরবেন শ্রীলঙ্কা সিরিজে।

আজ শনিবার দুপুরে মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে সাকিবের ফেরা নিয়ে পাপন বলেন, ‘যখনই তার (সাকিবের) নিষেধাজ্ঞা উঠে যাবে তারপরই সে আমাদের সাথে খেলতে পারবে। আমরা সবাই অধীরে আগ্রহে বসে আছি সে কবে ফিরবে বাট (কিন্তু) এটার সঙ্গে তার ফিটনেস এবং তার প্রস্তুতির ব্যাপার আছে। সেজন্য ও (সাকিব) ওর মতো করে অনুশীলন করবে। এ মাসেই সে চলে আসবে এবং অনুশীলন করবে। আশা করছি সে ফিট থাকবে, সবই থাকবে এবং আমাদের সঙ্গে শ্রীলঙ্কায় জয়েন করতে পারবে এবং খেলতে পারবে।'

আজ শোক দিবস উপলক্ষে বিসিবি দুস্থদের মধ্যে খাবার বিতরণ করে এবং মিলাদের আয়োজন করে। এ উপলক্ষে শেরে বাংলায় বিসিবি কার্যালয়ে আসেন পাপন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন-বিসিবি প্রধান নির্বাহী নিজাম উদ্দিন চৌধুরী সুজনসহ বিসিবির পরিচালকবৃন্দ। দীর্ঘদিন পর বিসিবিতে এসেই গণমাধ্যমের মুখোমুখি হন বিসিবি সভাপতি।

সাকিবকে আলাদাভাবে এখন থেকেই দেখভাল করবে বিসিবি। পাপন বলেন, ‘আমরা এখন থেকেই তাকে দেখব। আমাদের কোনো ফিজিও ওয়ান টু ওয়ান তাকে দেখতে পারবে। আমরা তার ফিটনেস টেস্টও নেব। হঠাৎ করে গিয়েই তো খেলতে পারবে না।’

প্রসঙ্গত, তিনবার জুয়াড়িদের কাছ থেকে ম্যাচ পাতানোর প্রস্তাব পেলেও আইসিসির দুর্নীতি বিরোধী ইউনিটকে না জানানোয় গত বছরের অক্টোবরে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ হন সাকিব। এক বছরের স্থগিত নিষেধাজ্ঞাসহ দুই বছরের জন্য সব রকমের ক্রিকেটীয় কার্যক্রম থেকে নিষিদ্ধ করা হয় সাকিবকে। আইসিসির দুর্নীতি বিরোধী ইউনিটের কাছে দায় স্বীকার করে সাকিব এই সাজা মেনেও নেন।

advertisement
Evaly
advertisement