advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

অনুমোদনের কপি সপ্তাহ ধরে চট্টগ্রাম দুদকে

হামিদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০ ২২:৩১
advertisement

টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশের সম্পদ ক্রোকের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) প্রধান কার্যালয় থেকে। এক সপ্তাহ আগে এ অনুমোদনের কপি চট্টগ্রাম কার্যালয়ে এলেও গতকাল মঙ্গলবার পর্যন্ত এ ব্যাপারে আদালতে আবেদন করা হয়নি। মামলাভুক্ত স্থাবর সম্পদ ক্রোকের আদেশ প্রাপ্তির জন্য আদালতে আবেদন করতে হয়।

প্রদীপ কুমার দাশ ও তার স্ত্রী চুমকি কারণের জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় চুমকি কারণ বর্তমানে পলাতক আছেন। এ অবস্থায় তার মামলাভুক্ত স্থাবর সম্পদ ক্রোক করার নির্দেশ আসে দুদক প্রধান কার্যালয় থেকে। গত ৯ সেপ্টেম্বর এ অনুমোদন আসার পরও কেন তা এখনো আদালতে উপস্থাপন করা হয়নি জানতে চাইলে সদুত্তর দিতে পারেননি দুদকের কর্মকর্তারা। প্রদীপ কুমার দাশ ও তার স্ত্রী চুমকি কারণের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম ২-এর সহকারী পরিচালক মো. রিয়াজ উদ্দিন বিষয়টি নিয়ে কিছু বলতে অপারগতা প্রকাশ করে বলেন, আমার পর্যায় থেকে কথা বলা বারণ আছে। আপনি কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন।

তবে দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম ২-এর ভারপ্রাপ্ত উপপরিচালক (সহকারী পরিচালক) হুমায়ুন কবির আমাদের সময়কে বলেন, সম্পদ ক্রোকের অনুমোদন সম্ভবত এসেছে। তবে আমার ঠিক মনে পড়ছে না। দুদকের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে আসার এক সপ্তাহের মাথায়ও

এ ব্যাপারে আদালতে আবেদন না করা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এসব আবেদন একটু দেখেশুনে করতে হয়। এর বেশি কিছু বলতে চাননি তিনি।

এদিকে গত সোমবার দুদকের মামলায় প্রদীপ কুমার দাশকে চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতে হাজির করার পরও তার জামিনের আবেদনের শুনানি করা হয়নি। একটি সংবেদনশীল মামলা হওয়া সত্ত্বেও তার রিমান্ডের আবেদনও জানানো হয়নি। আদালতে হাজির করার পর প্রদীপের আইনজীবীরা দুদকের মামলায় তার জামিনের আবেদন করেন। তখন দুদকের পিপি অ্যাডভোকেট মাহমুদুল হক জামিনের আবেদনের ওপর শুনানিতে অনীহা প্রকাশ করেন। তখন আদালত আগামী ২০ সেপ্টেম্বর মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেন। প্রদীপের বিরুদ্ধে বেশিরভাগ মামলা হয়েছে কক্সবাজারে।

দুদকের পিপি অ্যাডভোকেট মাহমুদুল হক আমাদের সময়কে বলেন, আসামিপক্ষ জামিনের আবেদন করেছেন। তারা এ আবেদনের কপি রাষ্ট্রপক্ষের কাছে আগে থেকেই জমা দেয়নি। তাৎক্ষণিকভাবে এটি জমা দেওয়ায় শুনানির সুযোগ ছিল না। এখানে অনীহা প্রকাশের কিছু নেই। তিনি বলেন, আগামী ২০ সেপ্টেম্বর মামলার শুনানির দিন ধার্য করা হলেও সেখানে প্রদীপ কুমার দাশকে হাজির করতে হবে এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। প্রদীপ কোথায় থাকবেন তা জেল কর্তৃপক্ষের ব্যাপার।

তবে একজন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী বলেছেন, আসামিকে পুনরায় গ্রেপ্তার দেখানোর পরই জামিনের আবেদন করা হয়। তার আগে আবেদনের সুযোগ নেই।

চট্টগ্রাম কারাগার সূত্র জানায়, গতকাল প্রদীপ কুমার দাশকে পুনরায় কক্সবাজার পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

advertisement
Evaly
advertisement