advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

এসপির কাছে ৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে মামলা

আদালত প্রতিবেদক
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০ ২২:৪৫
advertisement

ঢাকা রেঞ্জের পুলিশ সুপার (ট্রেনিং অ্যান্ড মিডিয়া) জিয়াউল হকের কাছে পাঁচ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে মামলা করেছেন মো. জাকির হোসেন চৌধুরী নামে এক ব্যবসায়ী। গতকাল মঙ্গলবার ঢাকার প্রথম যুগ্ম জেলা জজ উৎপল ভট্টাচার্যের আদালতে তিনি মামলাটি করেন। আদালত সেটি গ্রহণ করে আগামী ১৫ অক্টোবর এসপিকে জবাব দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।

গোপালগঞ্জ সদর থানাধীন গোবড়া এলাকার হাবিবুর রহমানের ছেলে জাকির হোসেন চৌধুরী তার অভিযোগে বলেন, তার ভাই বাচ্চু হোসেন গোপালগঞ্জে বেকারির দোকানে কাজ করতেন। গোপালগঞ্জ সদর থানার ওসি মনিরুল ইসলাম, এসআই গোলাম কিবরিয়া, সোর্স প্রবাল বিশ্বাস প্রায়ই ওই দোকান থেকে মালামাল নিয়ে টাকা না দিয়ে চলে যেতেন। একদিন এসআই গোলাম কিবরিয়া ও সোর্স প্রবাল বিশ্বাস এসে কফি খেতে চান। পানি গরম নেই বলে তা দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন বাচ্চু হোসেন। এ জন্য তার সঙ্গে খারাপ আচরণ এবং হুমকি দেওয়া হয়। এর মধ্যে গত বছরের ৭ মে প্রবাল বিশ্বাস ভিকটিম বাচ্চুর দোকানে চা খেয়ে চলে যান। কিছুক্ষণ পর এসে বলেন, দোকানে একটি ব্যাগ ফেলে গেছি। এতে এক লাখ ৬৫ হাজার টাকা ছিল। তবে ব্যাগ পাননি বলে জানান বাচ্চু। পরে এসআই গোলাম কিবরিয়া

এসে তাকে থানায় নিয়ে যান এবং বেদম প্রহার করে সাদা কাগজে স্বাক্ষর নিয়ে ছেড়ে দেন। থানা থেকে বের হয়ে গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নেন বাচ্চু হোসেন।

এ ঘটনায় নির্যাতনের বিচার চেয়ে পুলিশ সদর দপ্তরে আবেদন করেন ভিকটিম। এর তদন্তভার দেওয়া হয় এসপি জিয়াউল হককে। তিনি গত বছরের ১৩ জুন ও ২২ জুলাই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বাচ্চুকে ডেকে পাঠান। কিন্তু অসুস্থ থাকায় তিনি যেতে পারেননি। পরে কিছুটা সুস্থ হলে এসপির কাছে যান কিন্তু সাক্ষাৎ পাননি। বাচ্চু হোসেন পরে সাক্ষাতের জন্য সময় চাইলেও তা আমলে নেওয়া হয়নি। উল্টো অভিযোগের সত্যতা পাননি বলে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন জিয়াউল হক।

বাদীর অভিযোগ সেই প্রতিবেদনে ভিকটিমের পরিবার ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। এসপি জিয়াউল হকের এ ধরনের প্রতিবেদন শুধু দোষীদের রক্ষা নয়, বরং বাদীর সুনামকে চরমভাবে ক্ষতি করেছে, যা তার অধিকার নেই। ব্যক্তিগত, ব্যবসায়িকভাবে যে ক্ষতি হয়েছে তাও অপূরণীয়। প্রতিবেদনে তার বক্তব্যও মানহানিকর। শুধু তাই নয়, পুলিশে অভিযোগ দেওয়ার পর বাচ্চু ও তার স্ত্রী সাহিদার বিরুদ্ধে গোপালগঞ্জে পুলিশের সোর্স মিথ্যা অভিযোগে একটি মামলা দিয়েও হয়রানি করা হয়।

advertisement
Evaly
advertisement