advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার চিন্তা চলছে
পর্যাপ্ত প্রস্তুতি কি রয়েছে

১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ ০০:০০
আপডেট: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০ ২৩:১৩
advertisement

অনেক দেশেই করোনা সংক্রমণের কারণে বন্ধ থাকা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলতে শুরু করেছে। সংক্রমণের মাত্রা অনুযায়ী কোথাও বেশি সময়, আবার কোথাও অল্প সময় শ্রেণি কার্যক্রম ব্যাহত হয়। আমাদের দেশ করোনার প্রাদুর্ভাবের কারণে গত ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ আছে। এতে শিক্ষার অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। বিকল্প পদ্ধতি হিসেবে টেলিভিশন, রেডিও, অনলাইন ও মোবাইলে পাঠদান চালু থাকলেও খুব বেশি কার্যকর হয়নি। এভাবে মোট শিক্ষার্থীর অর্ধেক বর্তমানে টেলিভিশনে আর ১৭ শতাংশ অনলাইন মাধ্যমে লেখাপড়ায় যুক্ত হতে পেরেছে। প্রত্যন্ত অঞ্চলের বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অবকাঠামোগত দুর্বলতার কারণে এ প্রক্রিয়ায় যুক্তই হতে পারেনি।

শিক্ষার ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার তাগিদ দিয়েছেন শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাই। অভিভাবকদের উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার বিষয়টি সংবাদমাধ্যমেও এসেছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, তারা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় চিন্তাভাবনা করছে। এখানে দেখার বিষয় হলো, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে কিনা। শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তথা শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যগত নিরাপত্তার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে ভাবতে হবে। বিশেষ করে শিশু-কিশোর শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ফেলা যাবে না।

প্রস্তুতির ক্ষেত্রে যেসব দেশ ইতোমধ্যে স্কুল খুলেছে তাদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো যেতে পারে। স্যানিটাইজ করার পাশাপাশি শ্রেণিকক্ষে বসার ব্যবস্থাপনার পুনর্বিন্যাস। ছয় ফুট দূরত্ব বজায় রেখে শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা করার মতো আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা নেই বললেই চলে। যেখানে আমাদের শ্রেণিকক্ষ সংকটে অনেক বিদ্যালয়ে দুই শিফটে শ্রেণি কার্যক্রম সম্পন্ন হয়, যেখানে গাদাগাদি করে বসেই শিক্ষার্থীদের শ্রেণিপাঠে মনোযোগী হতে হয়, সেখানে এত দূরত্ব বজায় রাখার উপায় কী?

বলা বাহুল্য করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ কমলেই নিশ্চয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলবে। তার পরও করোনার প্রতিষেধক আবিষ্কার না হওয়া পর্যন্ত এ ভাইরাসের প্রকোপ থাকবে বলেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার আগেই প্রস্তুতিগুলো সম্পন্ন করতে হবে। না হলে একজন শিক্ষার্থীর মাধ্যমে গোটা বিদ্যালয় এবং এর মাধ্যমে অভিভাবক, শিক্ষক ও অন্যদের মধ্যে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কা থেকে যাবে।

advertisement
Evaly
advertisement