advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ওসিসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহার

আদালত প্রতিবেদক
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ ১৭:৩৫ | আপডেট: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ ১৭:৩৫
প্রতীকী ছবি
advertisement

রাজধানীর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) ছয়জনের বিরুদ্ধে ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে ৩ লাখ টাকা আদায়ের অভিযোগে করা মামলাটি তদন্ত প্রতিবেদন আসার আগেই প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। আজ বুধবার মামলাটিতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। কিন্তু পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) এ মামলায় এদিন কোনো প্রতিবেদন দাখিল না করলেও মামলার বাদী কাপড় ব্যবসায়ী মো. সোহেল মীর মামলাটি চালাতে চাননা জানিয়ে প্রত্যাহারের আবেদন করেন।

ঢাকা মহানগর হাকিম আবু সুফিয়ান মো. নোমান বাদীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মামলাটি প্রত্যাহারের আদেশ দেন। এ বিষয়ে রাজধানীর কোতোয়ালী থানাধীন এলাকার ওই কাপড় ব্যবসায়ী সোহেল মীরের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে মামলা প্রত্যাহারের কারণ জানতে চাওয়া হলে সে পরে কথা বলবেন বলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। পরে ফোন দিলেও তিনি আর ধরেননি।

গত ১০ আগস্ট বাদী এ মামলা করেন। ওই দিন আদালত পিবিআইকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। মামলার আসামি ছিলেন-কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান, উপ-পরিদর্শক (এসআই) পবিত্র সরকার, খালেদ শেখ ও মো. শাহিনুর, কনস্টেবল মিজান এবং পুলিশের সার্স মোতালেব।

মামলা বলা হয়, গত ২ আগস্ট বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বুড়িগঙ্গা নদী পার হয়ে কোতোয়ালি থানার ওয়াইজঘাট এলাকা দিয়ে মেয়ের বাসার দিকে যাচ্ছিলেন মো. সোহেল। পথে পুলিশ তাকে ঘেরাও করে। তল্লাশি করে তার পকেটে থাকা ২ হাজার ৯০০ টাকা নেয় পুলিশ। তল্লাশি শেষে পুলিশ সোহেলকে চলে যেতে বললে তিনি সেই টাকা ফেরত চান। তখন তাকে মারধর করা হয়। আস্তে আস্তে সেখানে লোক সমাগম বাড়তে থাকে। লোকজন এসে জানতে চান, কী হয়েছে? তখন আসামিরা বলে, তার পকেটে দুই প্যাকেট ইয়াবা পাওয়া গেছে। তাকে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি হিসেবে ফাঁসাতে চান। তখন সোহেল তাদের কাছে কাগজ দেখতে চান। পরে আসামিরা তাকে থানায় নিয়ে যায় এবং তার পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়। পরিবারের সদস্যরা সেখানে গেলে আসামিরা তাদের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। না হলে ক্রসফায়ারে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। জেএমবির সদস্য বলে ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়। বাধ্য হয়ে সোহেলের পরিবারের সদস্যরা রাতেই আসামিদের ২ লাখ টাকা দেন। পরদিন সকালে আরও ১ লাখ টাকা দেন। টাকা দেওয়ার পর সোহেলের বিরুদ্ধে মিটফোর্ড হাসপাতালের ভেতরে তিনি মাদক সেবন এবং শিক্ষার্থীদের উত্যক্ত করেছেন মর্মে অভিযোগে আদালতে পাঠান। এরপর আসামিরাই তাকে জামিন করিয়ে আনেন। এরপরই ভিকটিম সোহেল আদালতে এ মামলা করেছিলেন।

advertisement
Evaly
advertisement