advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

আদালতে নিজেকে ‘নির্দোষ’ দাবি করলেন সাহেদ

আদালত প্রতিবেদক
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ ১৯:২৪ | আপডেট: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ ২৩:০৪
গ্রেপ্তার হওয়া রিজেন্ট হাসপাতালের মালিক মো. সাহেদ ওরফে মো. সাহেদ করিম। পুরোনো ছবি
advertisement

রিজেন্ট হাসপাতালের মালিক মো. সাহেদ ওরফে মো. সাহেদ করিম আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানিতে অবৈধ অস্ত্র রাখার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। আজ বুধবার মামলাটির আত্মপক্ষ শুনানিতে বিচারক ঢাকার সিনিয়র স্পেশাল জজ কেএম ইমরুল কায়েশ এ আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্য প্রমাণে আসা অভিযোগ তাকে পড়ে শোনানোর পর দোষী না নির্দোষ জিজ্ঞাসা করেন। উত্তরে সাহেদ নিজেকে নির্দোষ দাবি করে ন্যায় বিচার প্রার্থণা করেন। এরপর আদালত তাকে তার পক্ষে কোনো সাক্ষী দিবেন কিনা জিজ্ঞাসা করলে সে দিবে না বলে জানালে আদালত বৃহস্পতিবার যুক্তিতর্কের শুনানির দিন ঠিক করেন।

গতকাল মঙ্গলবার আদালত এ মামলার ১৪ জন সাক্ষীর মধ্যে ১১ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করে রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষ্য শেষ করে আত্মপক্ষ শুনানির দিন ঠিক করেন। এর আগে এ মামলায় একই আদালত গত ২৭ আগস্ট এ আসামির বিরুদ্ধে চার্জগঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু করেন। এর আগে গত ৩০ জুলাই এ মামলায় আসামির বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনের এ মামলায় সিএমএম আদালতে চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ।

করোনা টেস্ট না করে ভুয়া রিপোর্ট ও ভুয়া নেগেটিভ ও পজেটিভ সার্টিফিকেট প্রদানসহ বিভিন্ন অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সাহেদকে সাতক্ষীরা সীমান্ত এলাকা থেকে গত ১৫ জুলাই গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর ১৬ জুলাই তার ওই মামলায় ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে সিএমএম আদালত। রিমান্ডে নিয়ে তাকে নিয়ে অভিযান চালিয়ে উত্তরার তার একটি কার্যালয় থেকে অবৈধ অস্ত্র ও এবং জাল টাকা উদ্ধার করেন। ওই ঘটনায় অস্ত্র ও বিশেষ ক্ষমতা আইনের চার মামলায় গত ২৬ জুলাই আদালত তার ৭ দিন করে ২৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। পরবর্তীতে গত ১০ আগস্ট পদ্মা ব্যাংকের দুই কোটি ৭১ লাখ টাকা আত্মসাতের মামলায় আদালত ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

গত ৬ জুলাই র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলমের নেতৃত্বে রিজেন্ট হাসপাতালের উত্তরা ও মিরপুর কার্যালয়ে অভিযান চালানো হয়। পরীক্ষা ছাড়াই করোনার সনদ দিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা ও অর্থ হাতিয়ে নিয়ে আসছিল তারা। র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত অন্তত ছয় হাজার ভুয়া করোনা পরীক্ষার সনদ পাওয়ার  প্রমাণ পায়। একদিন পর গত ৭ জুলাই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশে র‌্যাব রিজেন্ট হাসপাতাল ও তার মূল কার্যালয় সিলগালা করে দেয়। এরপর সাহেদসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে ওই দিনই উত্তরা পশ্চিম থানায় এ মামলা দায়ের করেন।

advertisement
Evaly
advertisement