advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

‘সমালোচনাকারী বেশিরভাগ ফুটবলের সঙ্গে জড়িত নন’

ক্রীড়া প্রতিবেদক
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ ২১:৫৫
advertisement

আগামী ৩ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে বহুল আলোচিত বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) নির্বাচন। এরই মধ্যে নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা, ব্যালট নম্বর প্রদান করেছে নির্বাচন কমিশন। এখন চলছে কাউন্সিলর বা ভোটারদের সঙ্গে প্রার্থীদের গণসংযোগ। এরই মধ্যে টানা তিন বারের সভাপতি কাজী মো. সালাউদ্দিনের ব্যাপক সমালোচনা হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম, জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও দেশের অনেক জেলায় সালাউদ্দিনের পদত্যাগ চেয়ে মানববন্ধন করেছেন ফুটবল সমর্থকরা। সমালোচনা প্রসঙ্গে সভাপতি প্রার্থী কাজী সালাউদ্দিন বলেছেন, সমালোচনা মানেই তিনি তুমুল জনপ্রিয়। তিনি বলেন, ‘এটার মানে হলো আমি জনপ্রিয়। আমাকে নিয়ে যখন আলাপ হয়- তার মানে আমি জনপ্রিয়। আসলে আমার নিজের ফেসবুক নেই। এগুলো আমি জানি না। প্রচার করার জন্য একটা প্লাটফর্ম তৈরি করা হচ্ছে। ফেসবুকে প্লাটফর্ম তৈরি করা কোনো ব্যাপার না। এটা প্রফেশানালি করা হচ্ছে।’

যারা সমালোচনা করছেন, তাদের বিরুদ্ধে কি কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার চিন্তা আছে? সালাউদ্দিন বলেন, ‘আমি তো এত বছর অ্যাকশন নিইনি। আমি এখানে এসেছি ফুটবল করতে। তারা বলছে আমাকে পদত্যাগ করতে। এটা করার তো কোনো সুযোগ নেই। নির্বাচন হবে ১৫ দিন পর। আপনি জিতে আসেন। যখন আমি নির্বাচন করতে দিচ্ছি বা নির্বাচনের সময় পার হয়ে গেছে। তখন পদত্যাগের কথা আসবে। কিন্তু আমি নির্বাচন দেওয়ার জন্য পাগল হয়ে গেছি। আপনি নির্বাচন করুন।’ তিনি আরও বলেন, ‘যারা সমালোচনা করছে তারা ফুটবল খেলছে না। আমাকে দেখান কারা সমালোচনা করছে যে ফুটবলের সঙ্গে জড়িত? পাঁচ থেকে ছয় জন ফুটবল খেলোয়াড় ২০ থেকে ২৫ বছর আগে অবসর নিয়েছে- তারা প্রত্যেকটি টেলিভিশনে ঘুরে ঘুরে একই বাক্য বলছে। আপনি যদি একই বাক্য বলেন এটাই আপনি দেখাতে পারেন। বর্তমান খেলোয়াড়দের কাছ থেকে কিন্তু কিছু শোনা যাচ্ছে না যারা খেলছে। তাদের সাক্ষাৎকার আপনারা নিচ্ছেন না। পাঁচজনকে নিয়ে আপনারা ঘুরছেন। তারা প্রত্যেকবার নির্বাচন করেছে। ১২ ভোট, ২০ ভোট পায়। তাদের যদি এতই যোগ্যতা থাকত তা হলে তারা এখানেই আসত। আমি তো নির্বাচন করেই আসছি।’

করোনা ভাইরাসের কারণে সেভাবে নির্বাচনী গণসংযোগ দেখা যাচ্ছে না। কীভাবে গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন? কাজী সালাউদ্দিন বলেন, ‘ফোনে কথা বলছি। অনেকে ফিজিক্যালি এখানে (বাফুফে ভবন) আসছেন। তাদের সঙ্গে কথা বলছি। এখানে বাড়তিভাবে কিছু করার নেই। আমাদের প্যানেল পরিচিত করার জন্য একটি প্রোগ্রাম, ক্লাবদের সঙ্গে বসে একটা প্রোগ্রাম হতে পারে সবাই যদি আসে। আমরা দুই-চারটি প্রোগ্রাম করব। এটা আমরা অফিশিয়ালি জানিয়ে দেব।’ নির্বাচিত হওয়ার পর ফুটবলে গিয়ে বড় কিছু করে দেখাতে চান কাজী সালাউদ্দিন। তার প্যানেল সম্মিলিত পরিষদ নির্বাচনী ইশতেহার দেবে। এখনই এ ব্যাপারে কিছু বলতে চাইছেন না বাফুফের বর্তমান সভাপতি। এবার নির্বাচিত হলে কী চমক দেখাবেন? এমন প্রশ্নের জবাবে কাজী সালাউদ্দিন বলেন, ‘ফুটবলে যখন কাজ করতে থাকবেন তখন চমক আসবে। গত ১২ বছর যে ১১-১২টা লিগ হয়েছে তার মধ্যে চমক হলো ভারতে ১৭ হাজার লোকের সামনে জিততে জিততে শেষ গোলে ড্র। এর পর চমক হলো কাতারের মতো টিমকে হারিয়ে এশিয়ান গেমসের সেকেন্ড রাউন্ডে যাওয়া। চমক খেলোয়াড়রা দেখাবে। ফেডারেশনের কাজ হলো সঠিক কোচিংয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া। সঠিক ট্রেনিং ফ্যাসিলিটিস দেওয়া। আর যাতে নিয়মিত লিগ হয়।’ মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন নির্ধারিত সময়ের এক ঘণ্টা পর সভাপতি প্রার্থী বাদল রায়ের পক্ষে তার স্ত্রী মাধুরী রায় মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের আবেদন করেন। কিন্তু নির্বাচনী ব্যালটে নম্বর থাকছে বাদল রায়ের। এ প্রসঙ্গে কাজী সালাউদ্দিন জানান, এটা নির্বাচন কমিশনের ব্যাপার। আমাদের কিছু করার নেই।’

advertisement
Evaly
advertisement