advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

মুশফিকের দেখা পেলেন সেই ভক্ত

ক্রীড়া প্রতিবেদক
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ ২১:৫৫
advertisement

রাজধানীর পল্টনের মাঠে মায়ের সঙ্গে ছেলের ক্রিকেট খেলার ছবি সম্প্রতি সামাাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। মা ঝরনা আক্তার ও ছেলে ইয়ামিন সিনানের ক্রিকেট খেলার দৃশ্য মুগ্ধ করেছে সবাইকে। মা-ছেলের এমন সুন্দর মুহূর্তের ছবি নজর কেড়েছে মুশফিকুর রহিমেরও। গতকাল আলোচিত সেই মা ও ছেলের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন জাতীয় দলের এই উইকেটরক্ষক ও ব্যাটসম্যান। এ সময় তাদের হাতে কিছু উপহার সামগ্রী তুলে দিয়েছেন তিনি। ইয়ামিনের সঙ্গে কিছুক্ষণের আড্ডায় মুশফিক দিয়েছেন নানা প্রশ্নের উত্তরও। ১১ বছর বয়সী ইয়ামিনের প্রিয় ক্রিকেটার মুশফিক। প্রিয় ক্রিকেটারকে কাছে পেয়ে ইয়ামিন আনন্দে উদ্বেল। মা ঝরনা আক্তার আমাদের সময়কে জানান, তার স্বপ্ন ছেলে বড় হয়ে সাকিব, মুশফিক, তামিমদের মতো দেশের প্রতিষ্ঠিত ক্রিকেটার হবে। প্রিয় ক্রিকেটার মুশফিকের সাক্ষাৎ পেয়ে ছেলে স্বপ্নপূরণের পথে বড় প্রেরণা পেয়েছে। মুশফিকের কাছ থেকে বিশ^কাপের একটি গ্লাভস ও জার্সি উপহার পেয়েছেন ইয়ামিন। এ ছাড়া মুশফিকের স্বাক্ষর করা একটি রেপ্লিকা ব্যাটও উপহার পেয়েছেন। মনে বড় স্বপ্ন এঁকে ছেলেকে কবি কাজী নজরুল ক্রিকেট একাডেমিতে ভর্তি করেছেন মা ঝরনা আক্তার। আরামবাগের একটি মাদ্রাসার ছাত্র ইয়ামিন। মাদ্রাসাতেই থাকতে হয় তাকে। আল করিম ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ইয়ামিনকে খেলার সরঞ্জাম উপহার দিয়েছেন। ক্রিকেটের প্রতি ছেলের প্রবল আগ্রহ দেখেই একাডেমিতে ভর্তি করেছেন ঝরনা আক্তার। মিরপুরে ঝরনা আক্তারের বাসা। প্রতিদিন আরামবাগে এসে ছেলেকে নিয়ে পল্টনের মাঠে যান তিনি। জাতীয় দলের সাবেক ফুটবলার রোকনুজ্জামান কাঞ্চনের বোন ঝরনা আক্তার। তিনি বলেন, ‘আমাদের পরিবারের সবাই ক্রীড়ার সঙ্গে জড়িত। আমার ভাই ফুটবলার কাঞ্চন। আমার বোনও স্কুল জীবনে খেলে নাম করেছে। আমি জেলা চ্যাম্পিয়ন ছিলাম টানা চার বছর। আমার ছোট ভাই মাসুদ জামানও ফুটবল খেলে। আমরা সাত বোন ও তিন ভাই। আমি বেশি দূর যেতে পারিনি। তবে ছেলেকে নিয়ে স্বপ্ন দেখছি। ব্যাটিং, বোলিং, ফিল্ডিং- সব কিছুই ভালো পারে ও। একাডেমিতে ভর্তি হওয়ার এক মাসের মধ্যেই সাড়া ফেলেছে। আশা করি, আমার ছেলে সাকিব-মুশফিক-তামিমদের মতো হবে।’ ঝরনা আক্তার অ্যাথলেট ছিলেন। কিন্তু ডান হাত ভেঙে যাওয়ায় বেশি দূর যেতে পারেননি। তিনি বলেন, ‘আমি অ্যাথলেট হিসেবে অনেক বড় হতে চেয়েছিলাম। কিন্তু ডান হাত ভেঙে যাওয়ায় পারিনি। এখন ছেলেকে নিয়ে স্বপ্ন দেখছি।’ বর্তমানে ইয়ামিনের বাবা বেকার। ঝরনা আক্তার নিজেই সংসার চালান। তিনি একটি হারবাল কোম্পানির ওষুধ বিক্রি করেন। পাশাপাশি ছেলেকে সফল ক্রিকেটার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন ঝরনা আক্তার।

advertisement
Evaly
advertisement