advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ছুটিতে থাকা প্রবাসীদের মালয়েশিয়ায় ফেরানোর দাবি

শাহাদাত হোসেন,মালয়েশিয়া
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ ১১:৩৪ | আপডেট: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ ১১:৪৩
মালয়েশিয়ার ডেপুটি আইজিপি দাতো শ্রী আচ্রিল সানি বিন হাজী আবদুল্লাহ সানির সঙ্গে দেখা করেন বাংলাদেশের হাইকমিশনার মহ. শহীদুল ইসলাম
advertisement

কেরোনাভাইরাসের কারণে দেশে ছুটিতে এসে আটকে পড়া প্রবাসী কর্মীদের মালয়েশিয়ায় ফেরাতে দাবি তোলা হয়েছে। বাংলাদেশের হাইকমিশনার মহ. শহীদুল ইসলাম মালয়েশিয়ার পুলিশ প্রধান কার্যালয়ে সেখানকার ডেপুটি আইজিপি দাতো শ্রী আচ্রিল সানি বিন হাজী আবদুল্লাহ সানির সঙ্গে দেখা করে এ দাবি করেন। এ ছাড়া গত মঙ্গলবার তাদের বৈঠকে দুদেশের দ্বিপাক্ষিক স্বার্থ এবং অবৈধ প্রবাসীদের বৈধতার ব্যাপারে আলোচনা হয়।

বৈঠকে দুই দেশের সরকার প্রধান করোনাভাইরাসের সময় নেওয়া সময়োপযোগী সিদ্ধান্তের প্রসংশা করেন বাংলাদেশের হাইকমিশনার মহ. শহীদুল ইসলাম এবং মালয়েশিয়ার পুলিশের উপপ্রধান দাতো শ্রী আচ্রিল সানি বিন হাজী আবদুল্লাহ সানি। এ সময় মালয়েশিয়া থেকে ছুটিতে দেশে এসে অনেক কর্মী আটকে গেছেন। তারা যেন মালয়েশিয়ায় ফিরতে পারে, ফের কাজে যোগ দিতে পারে, এ ছাড়া ডিটেনশন সেন্টারসহ অন্যান্য যারা অবৈধ আছেন তাদের বৈধতা প্রদানে পুলিশের সহযোগিতা কামনা করেন।

আবদুল্লাহ সানি এ সময় বাংলাদেশি কর্মীদেরও প্রসংশা করেন। এ ব্যাপারে পুলিশের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি। তিনি বলেন, কর্মীরা ভালো, দক্ষ সৎ এবং আন্তরিক। তবে ক্ষুদ্র অংশ অপরাধে জড়িত। বিশেষ করে প্রতারণা, সন্ত্রাস, কিডন্যাপিং, চাঁদাবাজি, জাল কাগজ তৈরি, হিউম্যান ট্রাফিকিং এবং অনলাইনে ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় প্রোপাগান্ডা বা অপপ্রচার করে থাকে। এসব অপরাধ দুই দেশের ভাবমূর্তির জন্য ক্ষতিকর। অপরাধী যেই হোক তাদের যেন আইনের আওতায় আনা হয়।

বাংলাদেশের হাইকমিশনার পুলিশের উপপ্রধানের কথা রাখবেন বলে জানান। এ সময় মহ. শহীদুল ইসলাম তার কাছে বাংলাদেশি কর্মীরা তাদের কর্মস্থলে আসা যাওয়ার সময় কোনো প্রকার হয়রানি বা গ্রেপ্তার না করার বিষয়ে অনুরোধ করেন। পুলিশের পক্ষ থেকে সানি বলেন, নিরাপত্তার জন্য আইন অনুযায়ী নিয়মিত চেক করে তখন পাসপোর্ট এবং প্রাসঙ্গিক কাগজ-পত্রাদি কর্মীরা সঙ্গে রাখলে তাদের জন্য অনুসন্ধানে সহজ হয়। এ বিষয়টি কর্মীদের জানিয়ে দিতে অনুরোধ করেন তিনি।

বৈঠকে সব প্রক্রিয়া শেষ করে ডিটেনশন সেন্টারে থাকা কর্মীদের দ্রুত মুক্তি দিতে অনুরোধ করেন বাংলাদেশি হাইকমিশনার। এ সময় ডেপুটি আইজিপি বলেন, বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে।

বৈঠকে বাংলাদেশ হাইকমিশনের ডিফেন্স অ্যাডভাইজার কমোডর মুশতাক আহমেদ, কাউন্সেলর (শ্রম) মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, কাউন্সেলর ( শ্রম-২) মো. হেদায়েতুল ইসলাম মন্ডল এবং মালয়েশিয়ান রাজকীয় পুলিশের ইন্টারনাল সিকিউরিটি ও পাবলিক অর্ডার ডিপার্টমেন্ট’র ডেপুটি ডিরেক্টর দাতো আজরি বিন আহমাদ, সি আই ডির ডেপুটি ডিরেক্টর দাতো মহ আজমান বিন আহমদ সাপরি, রয়াল মালয়েশিয়া পুলিশের সেক্রেটারি ডিসিপি দাতো রামলি মোহাম্মদ ইউসুফ এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ইউনিট প্রধান রাজগোপাল রামদাস উপস্থিত ছিলেন।

advertisement
Evaly
advertisement