advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

বাবার ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে ছেলেকে অপহরণ

গাজীপুর প্রতিনিধি
১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ ২১:৪১
advertisement

চুরির অভিযোগে চাকরি থেকে বরখাস্ত হয়েছিলেন এক যুবক। ক্ষিপ্ত হয়ে এর প্রতিশোধ নিতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার ছেলেকে অপহরণ করেন। গাজীপুরের আউচপাড়া এলাকা থেকে অপহৃত শিশুটিকে অবশেষে ছয় ঘণ্টা পর কালিয়াকৈরের চন্দ্রা থেকে উদ্ধার করে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। গ্রেপ্তার করা হয় অপহরণকারী মো. মোস্তাফিজুর রহমানকে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এমনটাই জানিয়েছেন তিনি। গতকাল শুক্রবার দুপুরে র‌্যাবের পোড়াবাড়ী ক্যাম্প কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র‌্যাব-১ কোম্পানি কমান্ডার আবদুল্লাহ আল মামুন।

গ্রেপ্তার মো. মোস্তাফিজুর রহমান শেরপুরের ডুবারচর গ্রামের আবুল কাশেম ওরফে তারার ছেলে। আর উদ্ধার শিশু নিশাত বাবু দিনাজপুরের যৌত গ্রামের বকুল মিয়ার ছেলে। র‌্যাব কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, গত ১৭ সেপ্টেম্বর আউচপাড়া এলাকার ভাড়াটিয়া মো. বকুল মিয়ার একমাত্র শিশুসন্তান নিশাত বাবু নিজ বাসা থেকে অপহৃত হয়। অপহরণের পর ভিকটিমের পরিবার সম্ভাব্য সকল স্থানে খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে একই দিন দুপুরে বাসন থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। এর পর ভিকটিমের বাবার মোবাইল ফোনে নিশাতকে অপহরণ করা হয়েছে এবং তার মুক্তিপণ হিসেবে তিন লাখ টাকা দাবি করে অপহরণকারী। অন্যথায় অপহরণকারী তার ছেলেকে হত্যা করে লাশ গুম করবে বলে জানায়। পরে অপহৃত ভিকটিমকে উদ্ধারের জন্য র‌্যাবের সহায়তা কামনা করেন শিশুটির বাবা।

পরে র‌্যাব ১-এর একটি দল কালিয়াকৈরের চন্দ্রা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে অপহরণকারী চক্রের মূলহোতা মোস্তাফিজুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় আসামির কাছ থেকে একটি ধারালো সুইচ গিয়ার, একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে মোস্তাফিজুর রহমান জানান, তিনি ভাওয়াল বদরে আলম সরকারি কলেজের পাশে অবস্থিত এলএফ সিকিউরিটি প্রতিষ্ঠানে পিয়ন পদে চাকরি করতেন। ওই প্রতিষ্ঠানে ভিকটিমের বাবা বকুল মিয়া রিক্রুটিং অফিসার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। মোস্তাফিজুরকে চার দিন আগে চুরির দায়ে ভিকটিমের বাবা চাকরি থেকে বরখাস্ত করে প্রতিষ্ঠান থেকে বের করে দেন। এ ঘটনার কারণে মোস্তাফিজ শিশুটির বাবার ওপর প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। প্রতিশোধ নিতে একটি ধারালো চাকু কিনে বকুলের ছেলেকে অপহরণের টার্গেট করেন। এক পর্যায়ে বাসার নিচে খেলারত অবস্থায় শিশু নিশাতকে অপহরণ করে প্রথমে গাজীপুর থেকে বাসে করে মহাখালীতে নিয়ে যান। এবং শিশুটির মুক্তিপণ হিসেবে ৩ লাখ টাকা দাবি করেন।

advertisement
Evaly
advertisement