advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

আজ হাটাহাজারী মাদ্রাসা মাঠে আল্লামা শফীর জানাজা

হাটহাজারী প্রতিনিধি
১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ ২৩:১০ | আপডেট: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ ০৯:০২
আজগর আলী হাসপাতালে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মাওলানা আনাস মাদানী। ছবি : সংগৃহীত
advertisement

হাটাহাজারী মাদ্রাসা মাঠে আজ শনিবার জোহরের নামাজের পর হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফীর জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানাজার শেষে মাদ্রাসার উত্তর পাশে মাকবারায়ে জামিয়া মসজিদের পশ্চিম পাশে তার অছিয়ত অনুযায়ী দাফন করা হবে।

গতকাল শুক্রবার রাত সোয়া ৯টার দিকে রাজধানীর আজগর আলী হাসপাতালে সাংবাদিকদের এ কথা জানান আল্লামা শফীর ছোট ছেলে মাওলানা আনাস মাদানী। তিনি জানান, হেফাজত ইসলাম আমিরের জানাজা একটিই হবে। জানাজার পর হাটহাজারী মাদ্রাসার পাশে তাকে দাফন করা হবে।

এর আগে গতকাল সন্ধ্যা ৬টা ২০মিনিটে রাজধানীর আজগর আলী হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন আল্লামা শফী। কওমী অঙ্গনের এ বর্ষীয়ান আলেমের মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ১০৩ বছর। মৃত্যুকালে আল্লামা আহমদ শফী স্ত্রী, দুই ছেলে, তিন মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী, ভক্ত ও সহকর্মী রেখে গেছেন।

গতকাল বিকেলে আল্লামা শাহ আহমদ শফীকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স যোগে ঢাকায় নেওয়া হয়। এরপর তাকে গেন্ডারিয়ার আজগর আলী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এর আগে গত বৃহস্পতিবার মধ্য রাতে তার শারীরে অসুস্থতা অনুভব হলে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করানো হয়।

পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে চমেক হাসপাতালের আইসিইউতে নেওয়া হয়। সেখানে তিনি বিভাগীয় প্রধান ডা. কাজলের তত্ত্বাবধানে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন। আল্লামা আহমদ শফী দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত দুর্বলতার পাশাপাশি ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন।

প্রসঙ্গত, হাটহাজারী মাদ্রাসার মুহতামিম বা মহাপরিচালকের পদ থেকে সরে যাওয়ার একদিন পরই আল্লামা শাহ আহমদ শফীর মৃত্যু হয়। গত বৃহস্পতিবার রাতে হাটহাজারী মাদ্রাসার মহাপরিচালকের পদ থেকে স্বেচ্ছায় সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন হেফাজত আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফী। পরে মাদ্রাসার শুরা কমিটি তাকে আমৃত্যু সদরে মুহতামিত হিসেবে দায়িত্ব পালনের অনুরোধ করেন।  

advertisement
Evaly
advertisement