advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ঢাবি ছাত্রী ধর্ষণ
আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিলেন ভিকটিমের বাবা

২১ সেপ্টেম্বর ২০২০ ০০:৩৪
আপডেট: ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০ ০০:৩৪
advertisement

ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থী ধর্ষণের মামলায় আসামি মো. মজনুর বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিয়েছেন ভিকটিমের বাবা। গতকাল রবিবার ঢাকার ৭ নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক বেগম কামরুনাহার তার সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। তিনি ওই মামলার বাদী। পরে রাষ্ট্র নিযুক্ত আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. রবিউল ইসলাম তাকে জেরা করেন। আসামি মজনুকে কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছিল। সাক্ষ্য গ্রহণকালে আসামির কাঠগড়ায় মজনু অনেক অসংলগ্ন আচরণ করেন বলে সূত্রে জানা যায়। এ বিষয়ে ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল
পাবলিক প্রসিকিউটর আফরোজা ফারহানা আহমেদ অরেঞ্জ জানান, মামলাটির বিচার ক্যামেরা ট্রায়ালে হচ্ছে। তাই সাক্ষ্যগ্রহণকালে কোনো তথ্যই প্রকাশ করা যাবে না। আজ সোমবারও সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য আছে। এদিকে আদালতের হাজতখানার পুলিশসূত্রে জানা গেছে, সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে ছয়তলা থেকে মজনুকে নিচে নামানোর সময় সে ছয়তলা থেকে লাফিয়ে পড়ার চেষ্টা করে।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক আবু বক্কর সিদ্দিক গত ১৬ মার্চ আদালতে এ মামলার চার্জশিট দাখিল করেন। গত ২৬ আগস্ট চার্জগঠন করেন ট্রাইব্যুনাল। কারাগার থেকে ভার্চুয়ালি উপস্থিত থেকে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে মজনু। তার আগে গত ৯ জানুয়ারি এই আসামির সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে গত ১৬ জানুয়ারি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় মজনু। এরপর থেকে সে কারাগারেই আছে।
চার্জশিটে বলা হয়, ক্যান্টনমেন্ট থানাধীন কুর্মিটোলা বাসস্ট্যান্ড থেকে গত ৫ জানুয়ারি ফুটপাত দিয়ে যাচ্ছিলেন ওই ঢাবি ছাত্রী। ৪০ থেকে ৫০ গজ সামনে আর্মি গলফ ক্লাব মাঠসংলগ্ন স্থানে পৌঁছলে আসামি মজনু পিছন থেকে তাকে ফুটপাতে ফেলে গলা চেপে ধরে। ভিকটিম চিৎকার করতে গেলে আসামি তাকে কিলঘুষি মেরে ভয়ভীতি দেখায়। এতে তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েন। তখন মজনু ভিকটিমকে অচেতন অবস্থায়ই ধর্ষণ করে। অভ্যাসগতভাবেই সে একজন ধর্ষণকারী। প্রতিবন্ধী, পাগল, ভ্রাম্যমাণ নারীর সঙ্গে সে এই অনৈতিক কাজ করে আসছে। স্থায়ী কোনো বসবাসের জায়গা না থাকায় নিজেও থাকে ভ্রাম?্যমাণ অবস্থায়।
র‌্যাব-১ ও উত্তরার সিপিসি ১-এর চৌকস দল গত ৮ জানুয়ারি মজনুকে ক্যান্টনমেন্ট থানাধীন শেওড়া বাসস্ট?্যান্ডের পূর্বপাশের পাকা রাস্তার ওপর থেকে গ্রেপ্তার করে। এর পর তার স্বীকারোক্তিমতে ভিকটিমের ব্যাগ, মোবাইল ও পাওয়ার ব্যাংক এবং ব্যবহৃত একটি জিন্সের প্যান্ট ও একটি জ্যাকেট উদ্ধার করা হয়। তার আগে গত ৬ জানুয়ারি ভিকটিমের অধ্যক্ষ বাবা বাদী হয়ে ক্যান্টনমেন্ট থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে ধর্ষণের ওই মামলাটি করেন।

advertisement
Evaly
advertisement