advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

অরিত্রীর আত্মহত্যা
বাড়ির প্রহরীর সাক্ষ্যগ্রহণ, মাকে ফের তলব

২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০ ০১:১৬
আপডেট: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০ ০১:১৬
advertisement

ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী অরিত্রী অধিকারীর আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলায় তাদের বাড়ির প্রহরী সুখ দেবের সাক্ষ্যগ্রহণ করেছেন আদালত। এদিকে গত ধার্য তারিখে সাক্ষ্য দেওয়া অরিত্রীর মা বিউটি অধিকারীকে ফের তলব করা হয়েছে। গতকাল বুধবার ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. রবিউল আলম সাক্ষী সুখ দেবের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন। পরে অরিত্রীর মাকে ফের তলবের আদেশ দেওয়া হয়। আদালত আগামী ৪ নভেম্বর এ মামলার পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ঠিক করেছেন।
অরিত্রীর মাকে ফের তলবের কারণ সম্পর্কে ওই আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর মোহাম্মাদ সালাহউদ্দিন হাওলাদার জানান, গত ধার্য তারিখে বিউটি অধিকারী সাক্ষ্য দেন। সেদিন আসামিরা না থাকায় তাদের পক্ষে জেরা হয়নি বরং আদালত তাদের বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করেন। এর মধ্যে আসামি ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নাজনীন ফেরদৌস ও বেইলি রোড শাখাপ্রধান জিন্নাত আক্তার আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন নিয়েছেন। গতকাল তাদের পক্ষে বিউটি অধিকারীকে জেরার আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করে মেয়েটির মাকে তলব করেন। গত বছর ২৫ নভেম্বর অরিত্রীর বাবা দিলীপ অধিকারী এ মামলায় সাক্ষ্য দেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০১৮ সালের ৩ ডিসেম্বর পরীক্ষা চলাকালে
অরিত্রীর কাছে মোবাইল ফোন পান শিক্ষক। ওই ফোনের সাহায্যে পরীক্ষায় নকল করা হয়েছে এমন অভিযোগে অরিত্রীর মা-বাবাকে স্কুলে ডাকা হয়। অরিত্রীর বাবা দিলীপ অধিকারী ও মা বিউটি অধিকারী মেয়েকে নিয়ে স্কুলে গেলে ভাইস প্রিন্সিপাল তাদের অপমান করে কক্ষ থেকে বের হয়ে যেতে বলেন। অধ্যক্ষের কক্ষে গেলে তিনিও একই রকম আচরণ করেন। এ সময় অরিত্রী লজ্জায় দ্রুত অধ্যক্ষের কক্ষ থেকে বের হয়ে যায়। পরে শান্তিনগরে বাসায় গিয়ে দিলীপ অধিকারী দেখেন, অরিত্রী তার কক্ষে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়নায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ঝুলছে। অরিত্রীর আত্মহত্যার ঘটনায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও স্কুল কর্তৃপক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটি তদন্তে অরিত্রীকে আত্মহত্যার প্ররোচনার প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়ায় স্কুলের অধ্যক্ষসহ তিন শিক্ষককে বরখাস্ত করা হয়।

advertisement
Evaly
advertisement