advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

পাপিয়া দম্পতির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড চায় রাষ্ট্রপক্ষ

আদালত প্রতিবেদক
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০ ১৭:৩৩ | আপডেট: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০ ১৯:৩০
আদালত প্রাঙ্গণে শামীমা নূর পাপিয়া। পুরোনো ছবি
advertisement

অস্ত্র আইনের মামলায় নরসিংদী জেলা যুব মহিলা লীগের বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক শামীমা নূর পাপিয়া ও তার স্বামী মো. মফিজুর রহমান ওরফে সুমন চৌধুরীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দাবি করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা। আজ বহস্পতিবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কেএম ইমরুল কায়েশের কাছে ঢাকা মহানগর চিফ প্রসিকিউটর আব্দুল্লাহ আবু রাষ্ট্রপক্ষে যুক্তি উপস্থাপনের শেষে আদালতের রায়ে আসামিদের সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দাবি করেন।

প্রসিকিউটর আবু বলেন, ‘আদালতে আমরা এ মামলায় সাক্ষ্য-প্রমাণে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রদান করতে পেরেছি বলে মনে করি। তাই আমরা আসামিদের অস্ত্র আইনের সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদানের দাবি করেছি।’

এদিন রাষ্টপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষ হওয়ার পর আসামি পাপিয়ার স্বামী সুমনের পক্ষে আইনজীবী এবিএম গোলাম ফাত্তা যুক্তি উপস্থাপন শুরু করে শেষ করেন। তিনি যুক্তি উপস্থাপনে সুমনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করতে পারেননি বলে খালাস প্রার্থনা করেন। এরপর পাপিয়ার পক্ষে অ্যাডভোকেট শাখাওয়াত হোসেনের যুক্তি শুরু হওয়ার পর আগামী রোববার পর্যন্ত যুক্তি উপস্থাপন মুলতবি করেন।

এর আগে আদালত এ মামলায় চার্জশিটের ১৪ জন সাক্ষীর মধ্যে মঙ্গলবারসহ ছয় কার্যদিবসে ১২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। এর আগে গত ২৩ আগস্ট মামলাটিতে আসামিদের অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে চার্জগঠন করেন। এরও আগে গত ২৯ জুন এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা র‌্যাব-১ এর উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আরিফুজ্জামান এ মামলায় চার্জশিট দাখিল করেন।

চলতি বছরের ২২ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে দুজন সঙ্গীসহ পাপিয়া এবং তার স্বামীকে আটক করে র‌্যাব-১। ওই সময় তাদের কাছ থেকে সাতটি পাসপোর্ট, দুই লাখ ১২ হাজার ২৭০ টাকা, ২৫ হাজার ৬০০ টাকার জাল নোট, ১১ হাজার ৪৮১ ডলার, শ্রীলঙ্কা ও ভারতের কিছু মুদ্রা এবং দুটি ডেবিট কার্ড জব্দ হয়।

পরে পাপিয়ার ফার্মগেটের বাসার ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে সেখান থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন, ২০টি গুলি, পাঁচ বোতল বিদেশি মদ, ৫৮ লাখ ৪১ হাজার টাকা এবং বিভিন্ন ব্যাংকের ক্রেডিট ও ডেবিট কার্ড উদ্ধার করে র‌্যাব।

ওই ঘটনায় মাদক, অস্ত্র ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে শেরেবাংলা নগর ও বিমানবন্দর থানায় মামলা দায়ের করা হয়। পরবর্তীতে মামলাগুলোয় দুই দফায় তাদের ৩০ দিনের  রিমান্ড মঞ্জুর হয়। রিমান্ড শেষে তারা বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।

advertisement
Evaly
advertisement