advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

নিরাপদ ও স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনে কাজ চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার

কূটনৈতিক প্রতিবেদক
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০ ২৩:১৭
advertisement

বিদেশি কূটনীতিকদের একটি দল কক্সবাজারের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেছে। এ সময় তারা বাংলাদেশ সরকারের প্রতি সমর্থন এবং রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসন নিশ্চিতে কাজ চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকায় জাতিসংঘ অফিস থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে। কূটনীতিকদের এই দলে ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত, ব্রিটিশ হাইকমিশনার, ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত, জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী, কানাডিয়ান মিশনের প্রতিনিধি, বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর ছিলেন।

রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনকালে বাংলাদেশে নিযুক্ত জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী মিয়া সেপ্পো বলেন, ‘আমরা কর্তৃপক্ষের

গৃহীত যথাযথ ও সময়োপযোগী পদক্ষেপের কারণে কোভিড ১৯-এর সংক্রমণ প্রশমিত হতে দেখেছি। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতায় এক্ষেত্রে একটি কার্যকর এবং জীবন রক্ষাকারী প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।’

মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার বলেন, ‘২০১৭ সাল থেকে কক্সবাজার জেলায় নির্দিষ্ট খাতে মানবিক সহায়তার পাশাপাশি বাংলাদেশের স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সহায়তায় যুক্তরাষ্ট্র প্রায় ৮০০ মিলিয়ন ডলারের সহায়তা দিয়েছে। একই সঙ্গে আমরা এই সংকট সমাধানে এবং রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছায় এবং মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের কাজ চালিয়ে যাব।’

কানাডিয়ান হাইকমিশনের মানবিক সহায়তাবিষয়ক প্রধান ফেড্রামুন মরিস বলেন, ‘রোহিঙ্গারা কোভিড-১৯ থেকে নিজেদের সম্প্রদায়কে রক্ষা করতে নিজেরাই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। তারা সাড়াদানের মূল চালিকাশক্তির ভূমিকায় রয়েছে। আমাদের উচিত তাদের অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়া।’

ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট চ্যাটার্টন ডিকসন বলেন, ‘রোহিঙ্গা শিবির ও তাদের আশ্রয় প্রদানকারী স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সুরক্ষা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।’ ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত রেনজে তিরিঙ্ক বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে ভাসানচরে ‘গো অ্যান্ড সি’ একটি ভালো উদ্যোগ ছিল।

প্রতিনিধি দল ক্যাম্প পরিদর্শনকালে সেখানকার আইসোলেশন ও চিকিৎসাকেন্দ্রগুলো ঘুরে দেখে। ১৪ চিকিৎসাকেন্দ্রে প্রায় ১০০০ শয্যা রয়েছে, যা বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা উভয় জনগোষ্ঠীর করোনা রোগীদের চিকিৎসা প্রদানে প্রস্তুত। সেই সঙ্গে রয়েছে কোভিড-১৯ পরীক্ষাকেন্দ্র।

advertisement
Evaly
advertisement