advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

বৃষ্টি হলেই ভোগান্তি বরিশাল নগরে

আল মামুন বরিশাল
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০ ২৩:১৭
advertisement

টানা দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় বরিশালের জনজীবন থমকে দাঁড়িয়েছে। গত এক সপ্তাহে ২৭০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে স্থানীয় আবহাওয়া অফিস। ভারী বৃষ্টিতে নিম্নাঞ্চলসহ নগরীর বিভিন্ন সড়কে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন নগরবাসী। এদিকে আটকে পড়া বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের জন্য নগরীর বিভিন্ন খালের ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ শুরু করেছে সিটি করপোরেশন।

বরিশাল আবহাওয়া অফিস সূত্র জানিয়েছে, উত্তর বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালার প্রভাবে লঘুচাপের কারণে গত ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে বরিশালে বিরামহীন বৃষ্টিপাত হচ্ছে। গত ১ সপ্তাহে বরিশালে ২৭০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হযেছে। সর্বশেষ গত বুধবার সকাল ৯টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত বিগত ২৪ ঘণ্টায় ৯০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। সাগরে লঘুচাপের কারণে স্বাভাবিকের চেয়ে নদ-নদীর পানি কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে।

জোয়ারের পানি ঢুকে এবং ভারী বৃষ্টিতে নিম্নাঞ্চলসহ নগরীর বিভিন্ন সড়কে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। খাল ও ড্রেনগুলো দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় সহসাই নামছে না আটকেপড়া পানি। নগরবাসী জলাবদ্ধতা থেকে রেহাই পেতে দ্রুত খাল ও ড্রেন সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন। এদিকে নগরীর ২৪টি খাল সংস্কারের জন্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো প্রায় ২ হাজার কোটি টাকার একটি প্রকল্প দীর্ঘদিনেও অনুমোদন না হওয়ায় সহসাই জলাবদ্ধতা থেকে রেহাই পাচ্ছে না নগরবাসী। তবে সিটি করপোরেশন নিজস্ব জনবল এবং লজিস্টিক সাপোর্ট দিয়ে সাময়িকভাবে ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করে নগরীর খালগুলোর প্রবাহ স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করছে বলে জানিয়েছেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা ডা. মো. রবিউল ইসলাম।

বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র-১ গাজী নঈমুল হোসেন লিটু দৈনিক আমাদের সময়কে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বৃষ্টি হলেই বরিশাল মহানগরীর এক তৃতীয়াংশ এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়। বিগত দিনে অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং নগরীর ভেতর দিয়ে বয়ে যাওয়া খালগুলোর বেশিরভাগ ভরাট হয়ে যাওয়ায় এ জলাবদ্ধতা। জলাবদ্ধতা দূর করতে সিটি করপোরেশন কাজ করে যাচ্ছে বলে জানান লিটু।

advertisement
Evaly
advertisement