advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

বিশ্ব জাকের মঞ্জিল থেকে ফেরার পথে প্রাণ গেল শাশুড়ি-পুত্রবধূর

ফরিদপুর প্রতিনিধি
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ ০০:০৬ | আপডেট: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ ০০:৫৬
advertisement

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় ঢাকা-ভাঙ্গা-খুলনা মহাসড়কের মুনসুরাবাদ নামক স্থানে সড়ক দুর্ঘটনায় শাশুড়ি ও পত্রবধূ নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন একই পরিবারের আটজন। আহতের তালিকায় মাহেন্দ্রচালকও রয়েছেন।

গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় আটরশি বিশ্ব জাকের মঞ্জিল থেকে বাড়ি ফেরার পথে তারা এ দুর্ঘটনার শিকার হন। যাত্রী বোঝাই মাহেন্দ্রকে একটি বাস পেছন থেকে ধাক্কা দিলে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে। এ সময় ঘটনাস্থলে শাশুড়ি রাজিয়া বেগম (৬০) নিহত হন। আর হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান পুত্রবধূ মিনা বেগম (৪৫)।

 আহত ও নিহতদের সবার বাড়ী গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানি উপজেলার রাজপাট ইউনিয়নের বরইতলা গ্রামে। আহতদের প্রথমে ভাঙ্গা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে সকলকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। আহতরা হলেন মিতু (২৫), শফিউল (৩০), ফাহিম (৮), হৃদয় (১৫), রোমা (২৫), রাকিব (১৮), মোহাম্মাদ আলী (৫) ও মাহেন্দ্রচালক কামরুল (৪৭)।

নিহত রাজিয়া বেগমের নাতি রাকিব বলেন, ‘বেড়ানোর জন্য দাদু, চাচি, চাচাতো বোন, তার জামাইসহ আমরা পরিবারের সবাই একটি মাহেন্দ্র নিয়ে সকালে আটরশির জাকের মঞ্জিলে এসেছিলাম। বিকেলে বাড়ি ফেরার পথে বিশ্বরোড দিয়ে চলার সময় পেছন থেকে একটি বাস এসে আমাদের ধাক্কা দিয়ে চলে যায়। এতে আমার দাদি ও চাচি নিহত হন। আমরা সকলে আহত অবস্থায় হাসপাতালে আছি।’

হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুয়েল রানা বলেন, ‘ড্রাইভারসহ একটি পরিবারের ১০ থেকে ১১ জন একটি মাহেন্দ্র যোগে কাশিয়ানিতে ফিরছিল। মুনসুরাবাদ সেতুর পার হয়ে ওই পাড়ে গেলে পেছন থেকে একটি বাস তাদের চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়। এ সময় ঘটনাস্থলে একজন ও হাসপাতালে আরেকজন মারা যায়। রাজিয়া বেগমের লাশ আমরা পরিবারের নিকট হস্তান্তর করেছি। এ বিষয়ে একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হচ্ছে।’

advertisement
Evaly
advertisement