advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

মোবাইলের লোভ দেখিয়ে শিশু ধর্ষণ, কিশোর আটক

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ ১৯:৩৯ | আপডেট: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ ১৯:৫৩
প্রতীকী ছবি
advertisement

মোবাইল ফোন দেওয়ার কথা বলে এক শিশুকে (৬) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে জুয়েল মজমুদার (১৬) নামের এক কিশোরের বিরুদ্ধে।  ওই কিশোরের বাড়ি সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার নোয়াগাঁও গ্রামে। গত মঙ্গলবার নিজের ঘরে নিয়ে গিয়ে শিশুটিকে পাশবিক নির্যাতনের পাশাপাশি ধর্ষণ করে সে। এ ঘটনায় যেন আইনি ব্যবস্থা না নিতে পারে সেজন্য ভুক্তভোগী ও তার পরিবারকে অবরুদ্ধও করে রাখে জুয়েলের পরিবার।

গত মঙ্গলবার এ ঘটনা ঘটার পর গতকাল শুক্রবার জানাজানি হয়। পরে শিশুটির বাবা তাকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করান। এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা দায়ের হয়নি। আজ শনিবার এ খবর জেনে জুয়েলকে আটক করেছে পুলিশ। তার বাবার নাম রতীশ মজুমদার। জুয়েলকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

শিশুটির সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার নিজের বাড়ির উঠানে খেলা করছিলে সে। পাশের বাড়ি থেকে জুয়েল সেখানে এসে শিশুটিকে মোবাইল দেওয়ার লোভ দেখায়। শিশুটি রাজি হলে জুয়েল তাকে নিজের ঘরে নিয়ে যায়। সেখানে পাশবিক নির্যাতনের পাশাপাশি ধর্ষণ করে। শিশুটি এ সময় চিৎকার শুরু করলে জুয়েল পালিয়ে যায়।

ভুক্তভোগীর বাবা জানান, এ ঘটনায় তারা আইনের আশ্রয় নিতে চাইলে জুয়েলের পরিবার তাদের অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে গতকাল শুক্রবার সকালে তারা মেয়েকে নিয়ে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গেলে সেখান থেকে ভুক্তভোগীকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়। আজ শনিবার শিশুটির শারীরিক পরীক্ষা করা হয়েছে।

ভুক্তভোগীর মামা সাংবাদিকদের জানান, তার ভাগ্নীকে মারধর ও ধর্ষণ করার পর জুয়েল পালিয়ে যায়। পরে তারা আইনি ব্যবস্থার কথা জানালে জুয়েলের পরিবার তাদের বিভিন্ন হুমকি দিয়ে আটকে রাখে। তারা এখনও মামলা না করলেও প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

বিশ্বম্ভরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুরঞ্জিত সরকার, ‘গত মঙ্গলবার শিশু ধর্ষণের ঘটনাটি গতকাল শুক্রবার আমরা জানতে পেরেছি। ভুক্তভোগীর পরিবার মামলা না করলেও আমরা আজ জুয়েলকে আটক করেছি। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। শিশুটির পরিবার মামলা করবে, পরে আমরা বাকি ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’

advertisement
Evaly
advertisement