advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

রক্ত সংগ্রহ করে দেওয়ার কথা বলে ধর্ষণ, রিমান্ডে দুজন

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ ১৭:৫৪ | আপডেট: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ ১৯:০২
গ্রেপ্তার মো. মনোয়ার হোসেন ওরফে সজীব ও সহায়তাকারী মাশনু আরা বেগম ওরফে শিল্পী
advertisement

হাসপাতালে ভর্তি মুমূর্ষু স্বামীর জন্য রক্ত সংগ্রহ করতে গিয়ে এক গৃহবধূ ধর্ষণের শিকার হওয়ার ঘটনায় গ্রেপ্তার মো. মনোয়ার হোসেন ওরফে সজীব (৪৩) ও সহায়তাকারী মাশনু আরা বেগম ওরফে শিল্পীর (৪০) দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ রোববার তাদের ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে পুলিশ। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাদের সাত দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মিরপুর মডেল থানার উপপরিদর্শক তপন কুমার বিশ্বাস। শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম দেবদাস দাস অধিকারী দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে গতকাল শুক্রবার রাত ৮টার দিকে রাজধানীর মিরপুরে মনিপুরীপাড়ায় শিফা ভিলা নামের একটি ফ্ল্যাট থেকে র‌্যাব-২ এর একটি বিশেষ দল তাদের গ্রেপ্তার করে।

র‌্যাব-২ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এএসপি মো. আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, গতকাল শুক্রবার বিকেল ৪টার দিকে ভুক্তভোগী নারী অসুস্থ স্বামীকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগে ভর্তি করান। রোগীর জন্য রক্ত প্রয়োজন এবং জরুরিভাবে রক্তের ব্যবস্থা করার পরার্মশ দেন দায়িত্বরত চিকিৎসক।

ভুক্তভোগী নারী হাসপাতালের দ্বিতীয় তলার ব্লাড ব্যাংকের সামনে গিয়ে তিন-চারজন পুরুষকে বসা দেখতে পেয়ে রক্তের বিষয়ে জানতে চাইলে মনোয়ার হোসেন ওরফে সজীব রক্তের ব্যবস্থা করে দেবেন বলে জানান। পরে দুপুর দেড়টার দিকে কৌশলে রক্তের ব্যবস্থা করে দেওয়ার নাম করে মিরপুরে শিল্পীর বাসায় নিয়ে যান। ওই বাসায় নিয়ে শিল্পীর সহযোগিতায় তাকে ধর্ষণ করেন মনোয়ার।

এএসপি মো. আবদুল্লাহ আল মামুন আরও জানান, ভুক্তভোগী নারী লোকলজ্জার ভয়ে ও স্বামীর অসুস্থতার কারণে ধর্ষণের বিষয়টি গোপন রাখেন। ওইদিন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তার স্বামীর মোবাইলে কল করে তারা বলেন, রক্তের ব্যবস্থা হয়েছে- আপনার স্ত্রীকে হাসপাতালের দ্বিতীয় তলায় পাঠিয়ে দেন। তখন ওই নারী পুনরায় ধর্ষিত হওয়ার ভয়ে তার স্বামীকে বিষয়টি খুলে বলেন।

এরপর তারা দুজন র‌্যাব-২ এর অধিনায়ক বরাবর অভিযোগ করলে ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া যায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে র‌্যাব-২ এর একটি দল মনোয়ার হোসেন ও তার সহযোগী শিল্পীকে গ্রেপ্তার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মনোয়ার শিল্পীর সহযোগিতায় ভিকটিমকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করে। শিল্পীর সঙ্গে তার অবৈধ সম্পর্ক রয়েছে বলে জানান মনোয়ার।

advertisement
Evaly
advertisement