advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

চট্টগ্রামে ভুয়া ম্যাজিস্ট্রেট গ্রেপ্তার

চট্টগ্রাম ব্যুরো
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ ০০:১৫
advertisement

প্রতারণার অভিযোগে পারভীন আক্তার (৫০) নামে চট্টগ্রামে একটি অবৈধ আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। ওই নারী এনজিওর আদলে সঞ্চয় ও ক্ষুদ্র ঋণদান সংস্থা খুলে গরিব-অসহায় মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিলেন বলে অভিযোগ। এর বাইরে ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয় দিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা ও সাংবাদিক পরিচয় দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। গত শনিবার রাতে নগরীর পাহাড়তলী থানার ডিটি রোডে ইউনিয়ন ব্যাংক ভবনের দশম তলায় প্রতিষ্ঠানের অফিসে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। চট্টগ্রামের বিভিন্ন থানায় পারভীনের বিরুদ্ধে ১০টির বেশি মামলা আছে বলে দাবি করেছে র‌্যাব।

র‌্যাবের চট্টগ্রাম অঞ্চলের সহকারী পরিচালক সিনিয়র এএসপি কাজী মো. তারেক আজিজ বলেন, পারভীন আক্তার স্বীকৃতি নামে একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান হিসেবে নিজেকে পরিচয় দেন। শুরুতে প্রতিষ্ঠানটি সমবায় অধিদপ্তর থেকে নিবন্ধিত ছিল। প্রতারণার অভিযোগ উঠলে ২০১৪ সালে সমবায় অধিদপ্তর এর নিবন্ধন বাতিল করে।

এর পর পারভীন মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটিতে আবেদন করেও নিবন্ধন পাননি। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম তিনি বন্ধ করেননি।

পারভীনকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে র‌্যাব কর্মকর্তা জানান, নিম্নআয়ের কয়েক ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে পারভীনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের অভিযোগ, ‘স্বীকৃতি’র প্রতিনিধিরা বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে নিম্নআয়ের লোকজনের কাছ থেকে দৈনিক, সাপ্তাহিক ও মাসিক কিস্তিতে টাকা জমা নেন। সেই সঞ্চয়ের বিপরীতে স্বল্প টাকা ঋণ দেন।

কিন্তু মূল টাকা আর লাভ কখনো ফেরত দেন না। কেউ চাকরি নিতে চাইলে ৫০ হাজার টাকা থেকে এক লাখ টাকা নেন। কোনো কর্মী চাকরি ছেড়ে দিতে চাইলে তাদের চুরির মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দিয়ে সেই টাকা আর ফেরত দেন না।

র‌্যাব কর্মকর্তা তারেক আজিজ বলেন, পারভীন আক্তারের বিরুদ্ধে আরও বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ আমরা পেয়েছি। তিনি ম্যাজিস্ট্রেট সেজে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা ও বিদেশ পাঠানোর নামে টাকা আদায় করেন। নিজেকে সাংবাদিক, পরিবেশ-মানবাধিকার কর্মী, এনজিওপ্রধান, আইন ও সালিশ কেন্দ্রের আইনজীবী পরিচয় দিয়ে তিনি প্রতারণা করেন। এমনকি তিনি বিভিন্ন ভুয়া প্রকল্প দেখিয়ে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে অনুদানের জন্য আবেদন করেন। কয়েকদিন আগে একটি মন্ত্রণালয়ে ৬ কোটি ৩৫ লাখ ২৯ হাজার ৪০০ টাকার একটি প্রকল্প প্রস্তাব জমা দিয়েছিলেন। তার বিরুদ্ধে চট্টগ্রামের বিভিন্ন থানায় এবং আদালতে ১০টিরও বেশি মামলা আছে।

advertisement
Evaly
advertisement