advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

সব ক্রিকেটারদের নিয়ে বিসিবির আয়োজনে টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট

ক্রীড়া প্রতিবেদক
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ ১৯:১৭ | আপডেট: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ ২১:০৩
অনুশীলনে বাংলাদেশ দল। ছবি : রতন গোমেজ, বিসিবি
advertisement

আবার শ্রীলঙ্কা সফর পিছিয়ে গেছে। করোনাভাইরাস পরিস্থিতি ভালো হলে তখন ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশীপের ম্যাচ খেলতে দ্বীপরাষ্ট্রে যাবে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। বিসিবি এখন ঘরোয়া টুর্নামেন্ট শুরুর মধ্যে দিয়ে ক্রিকেটে ফিরতে চায়। এর মধ্যে ক্রিকেটারদের নিয়ে চার-পাঁচটি দল গঠন করে টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট আয়োজনের পরিকল্পনা করেছে ক্রিকেট বোর্ড।

আজ সোমবার বিকেলে নাজমুল হাসান পাপন বলেছেন, ‘এই অনুশীলনটা চলবে। এরপর খেলা হবে। তিনটি অনুশীলন ম্যাচ হবে ওদের মধ্যেই। এর মধ্যেই শুরু হবে যে টুর্নামেন্টটি আমরা করতে চাচ্ছি, সেটা। এটা যে নামেই হোক। জাতীয় দল, এইচপি, অনূর্ধ্ব-১৯ দলের বেশিরভাগ ক্রিকেটার নিয়ে যদি আমরা টুর্নামেন্ট করতে পারি তাহলে সেটি  দিয়েই ক্রিকেট শুরু হবে। এটা খুব সম্ভবত এখন পর্যন্ত যা বুঝতে পারছি টি-টোয়েন্টিই হবে।’

করোনাভাইরাস মহামারির কারণে এ বছর ক্রিকেট চর্চা হয়নি সেভাবে। মার্চে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ শুরু হলেও করোনা ভাইরাসের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় প্রথম রাউন্ড শেষেই তা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। জুলাইয়ে ১৯ তারিখ থেকে অনুশীলনের মধ্যে দিয়ে ক্রিকেটীয় কার্যক্রম শুরু হলেও সবার চোখ ছিল শ্রীলঙ্কা সফরে।

শেষ পর্যন্ত গতকাল বিসিবির তরফ থেকে জানিয়ে দেওয়া হলো, আপাতত শ্রীলঙ্কা সফরে যাচ্ছে না টাইগাররা। বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন বলেন, ‘আমরা খেলা শুরু করছি। আপাতত আমাদের এখন ক্যাম্প চলছে। আবার শুরু হচ্ছে জাতীয় দলের ক্যাম্প। এরপর আবার ওরা তিনটা প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে। এরপরই আমরা ঘরোয়া ক্রিকেট শুরু করতে যাচ্ছি।’

তিনি বলেন, ‘আমরা চিন্তাভাবনা করছি যে, পাঁচ-ছয়টি দল নিয়ে প্রথমে খেলার জন্য। ছয়টি দল হলে ৯০ জন খেলোয়াড়। যত বেশি খেলানো যায় তত ভালো। ওদেরকে নিয়ে যদি আমরা একটা টুর্নামেন্ট করতে পারি, এটা কপোরেট লিগ হতে পারে বা বিসিবির দল হতে পারে। আবার জাতীয় দল, এইচপি, অনূর্ধ্ব-১৯ ওদেরকে নিয়ে আমরা তিন-চারটি দল বানিয়ে ফেলতে পারি। এদের মধ্যে একটি প্রতিযোগিতা হতে পারে, কিংবা ওদের মধ্যে একটা টুর্নামেন্ট আয়োজন করলাম। যেখানে বিসিবি স্পন্সর থাকবে। এই দুটির একটি আমরা করে ফেলব। এর বাইরে আমরা ঘরোয়া ক্রিকেটে লিগের খেলাগুলো চালু করে দিব।’

নাজমুল হাসান পাপন জানান, এই সময়ের মধ্যে প্রথম শ্রেণি, দ্বিতীয় শ্রেণি, প্রিমিয়ার লিগ যা যা বাকি আছে, সেগুলো শেষ করে ফেলা হবে। তিনি বলেন, ‘আমি বলেছি ক্লাবগুলোকে ডাকতে, খেলোয়াড়দের সঙ্গে বসতে এবং আমাদেরকে একটা পরিকল্পনা দিতে। আমাদের কাছে যদি মনে হয় সেই পরিকল্পনা মোটামুটি সন্তোষজনক হয়, তাহলে আমরা দ্রুত খেলা চালু করে দিব।’

স্থগিত লিগগুলো আয়োজনের ভাবনা রয়েছে বিসিবির। নাজমুল হাসান বলেন, ‘পরিস্থিতি কি হবে, সেটার ওপর নির্ভর করছে সবকিছু। আমরা যদি অন্য দেশের দিকে তাকাই বিশেষ করে ইউরোপ, যতদিন যাচ্ছে সেখানকার পরিস্থিতি আরও খারাপ হচ্ছে। ওরা বলছে সামনে আরও খারাপ হবে। এই পরিস্থিতিতে আমাদের এখানে কি হবে আসলে আমরা তো বলতে পারছি না। কাজেই আমাদেরকে সম্পূর্ণ সতর্ক অবস্থায় থাকতে হবে।’

আফগানিস্তান বা অন্য কোনো দলকে আনা যায় কি না-এমন প্রশ্নের জবাবে নাজমুল হাসান বলেন, ‘যদি দেখি আমাদের এখানে ঘরোয়া খেলাগুলো চালাতে পারছি, সফলভাবে কোনো সমস্যা ছাড়া তাহলে তখন আমরা চিন্তা করতে পারি যেকোনো একটা দলকে আনা যায় কি না। কিন্তু এখনই আনতে চাচ্ছি না।’

advertisement
Evaly
advertisement