advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

এমসি কলেজের ধর্ষণকাণ্ড তদন্তে যাচ্ছে মন্ত্রণালয়ের কমিটি

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ ১২:৪৪ | আপডেট: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ ১২:৫১
advertisement

সিলেটের মুরারিচাঁদ (এমসি) কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে গণধর্ষণের মামলায় সাত আসামি গ্রেপ্তার হয়েছে। পলাতক আছে একজন। পুলিশি তদন্ত চলছে। আলোচিত এ ঘটনায় তদন্তে গঠন করা হয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি কমিটিও। আজ মঙ্গলবার এ কমিটি তদন্তের কাজে সিলেট যাচ্ছেন।

এমসি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক সালেহ আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ‘গতকাল সোমবার মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (কলেজ ও প্রশাসন) মো. শাহেদুল খবীর চৌধুরী নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সদস্যরা আজ তদন্তের কাজে সিলেট আসছেন।’

এদিকে, লুঙ্গি পরে পালানোর সময় সোমবার রাত সাড়ে ১২টায় সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার হরিপুর এলাকায় এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার হন সিলেটের মুরারিচাঁদ (এমসি) কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে গণধর্ষণের মামলার ৬ নম্বর আসামি মাহফুজুর রহমান মাসুম। তাকে গ্রেপ্তার করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও কানাইঘাট থানা পুলিশ।

যে আত্মীয়ের বাড়িতে মাসুম আশ্রয় নিয়েছিলেন, সেখান থেকে রাতের বেলা লুঙ্গি পরে পালাতে গিয়ে গোয়েন্দা জালে আটকা পড়েন তিনি। মাসুমের গ্রেপ্তারের খবর নিশ্চিত করেন কানাইঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামসুদ্দোহা।

গ্রেপ্তার মাসুম এমসি কলেজের ছাত্রলীগ কর্মী এবং ছাত্রাবাসে ধর্ষণকাণ্ডে অভিযুক্ত ছয় আসামির মধ্যে একমাত্র নিয়মিত শিক্ষার্থী। এমসি কলেজে ধর্ষণকাণ্ডে এখন পর্যন্ত সাতজন গ্রেপ্তার হলেন। এর মধ্যে এজাহারভুক্ত পাঁচ আসামি এখন পুলিশের হাতে। পলাতক আছেন তারেকুল ইসলাম ওরফে তারেক।

advertisement
Evaly
advertisement