advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

তিনটি মাস্ক পরলে তাদের লজ্জা ঢাকবে

নিজস্ব প্রতিবেদক
৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০ ০০:২৩
advertisement

সরকার বিভিন্ন ভাইরাসে আক্রান্ত উল্লেখ করে তিনটি মাস্ক মুখে দিলে তাদের লজ্জা ঢাকতে পারবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনের সড়কে এক মানববন্ধন কর্মসূচিতে তিনি এ মন্তব্য করেন। সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের উদ্যোগে শহীদ জিয়াউর রহমানের

অবদানকে খাটো করা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক মোর্শেদ হাসান খান ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক কেএম ওহায়েদুজ্জামান অ্যাপেলোকে চাকরি থেকে অব্যাহতি এবং এমসি কলেজসহ বিভিন্ন স্থানে নারী নির্যাতনের প্রতিবাদে এই মানববন্ধন হয়। নজরুল ইসলাম খান বলেন, সরকার শুধু কোভিডে না, আরও কয়েকটি ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গেছে। প্রত্যেকটা ক্ষেত্রে যেভাবে দুর্নীতি-অনাচার ছড়িয়ে পড়েছে- সেই ভাইরাস থেকে বাঁচার জন্য সরকারের লোকজন যারা রাজনৈতিক দল করেন তাদের উচিত দুর্নীতিবিরোধী আরেকটা ভাইরাস প্রতিরোধকারী মাস্ক পরা। অতিসম্প্রতি নারী নির্যাতন যেভাবে মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়েছে, সেই নারী নির্যাতনের যে ভাইরাস তা থেকে বাঁচার জন্যও এ সরকারের লোকজনের আরেকটা মাস্ক পরা উচিত। এই তিনটা মাস্ক পরলে তারা এই ভাইরাস থেকে কিছু অনুধাবিত হবেন আর লজ্জা থেকে বাঁচার জন্য মুখটাও ঢেকে রাখতে পারবেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের গাড়ির চালক প্রসঙ্গে টেনে তিনি বলেন, স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা সোশ্যাল মিডিয়ায় বলে, আমরা ডিজি হতে চাই না, ডিজির ড্রাইভার হতে চাই। এই বিশ্বের সবচেয়ে ধনী তিনজন ড্রাইভারের মধ্যে বাংলাদেশে একজন আছে।

জিয়াউর রহমানের ভাবমূর্তি ক্ষুণœ করতে ক্ষমতাসীনরা ‘ইনডেমনিটি’ যে নাটক তৈরি করেছে তার সমালোচনা করেন নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, আপনারা তো জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে ভয় পান। সে জন্য এক ধরনের অসুস্থতায় ভোগেন। এটাকে জিয়া ফোবিয়া, খালেদা জিয়া ফোবিয়া কিংবা তারেক রহমান ফোবিয়া বলতে পারেন। এরও চিকিৎসা দরকার মনে হয় আপনাদের।

‘আওয়ামী লীগের সেবা চাই না’

নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, আমাদের সরকারপ্রধান অতিমাননীয় প্রধানমন্ত্রী গতকাল বক্তৃতা করেছেন- উনি জনগণের আরও সেবা করতে চান। ১২ বছর সেবা করেছেন। পথেঘাটে থেকে মেয়ে মানুষ তুলে নিয়ে যায় আপনার সোনার ছেলেরা। গতকালও চট্টগ্রামে দুইটা ধর্ষণ হয়েছে। নারায়ণগঞ্জে হয়েছে। আপনি আমাদের মাফ করে দেন। আর আওয়ামী লীগের সেবা চাই না। আর আপনার সেবা চাই না। আপনি জনগণের রায় নেন, ভোট দেন, গদি থেকে নেমে চলে যান। জনগণ নিজেদের মুক্তি পথ খুঁজে নেবে। আসুন এ আওয়াজ তুলে এই সরকার আর না। যত তাড়াতাড়ি বিদায় নেবে তার পক্ষে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হই, আন্দোলন গড়ে তুলি।

সংগঠনের আহ্বায়ক সাংবাদিক শওকত মাহমুদের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেনের সঞ্চালনায় বিভিন্ন পেশার মানুষদের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন ঢাবির সাবেক প্রো-ভিসি আ ফ ম ইউসুফ হায়দার, সাংবাদিক নেতা রুহুল আমিন গাজী, অধ্যাপক এবিএম ওবায়দুল ইসলাম, অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া, রিয়াজুল ইসলাম রিজু, সাংবাদিক নেতা কাদের গনি চৌধুরী, শহিদুল ইসলাম, ডা. রফিকুল ইসলাম, কৃষিবিদ শামীমুর রহমানর শামীম, সাবেক ছাত্রদল নেতা আকরামুল হাসান, ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামল, ঢাবি ছাত্রদলের রাকিবুল ইসলাম রাকিব প্রমুখ।

advertisement
Evaly
advertisement