advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

মহিলা মেম্বারের কা-
বয়স্ক ভাতা নিতে স্বামী-শাশুড়িকে দেখান মৃত!

চট্টগ্রাম ব্যুরো
২ অক্টোবর ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ১ অক্টোবর ২০২০ ২৩:৫৪
advertisement

রিনা আক্তার ২০০৪ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার বারশত ইউনিয়নের নির্বাচিত মহিলা মেম্বার ছিলেন। তখন থেকেই দুই নারীর নামে বেকার ও নিজের নামে বয়স্ক ভাতা তোলার অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। আর এ কাজ করতে গিয়ে জীবিত স্বামী ও শাশুড়িকে কাগজে-কলমে দেখিয়েছেন মৃত। জালিয়াতি করেছেন জাতীয় পরিচয়পত্রও। সম্প্রতি বিয়ষটি ধরা পড়লে বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান দুজনের নামে নেওয়া বেকার ভাতা বন্ধ করে দিলেও রিনা আক্তার এখনো বয়স্ক ভাতা পাচ্ছেন। বারশত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. কাইয়ুম শাহ

বলেন, ‘অতীতে যারা ইউপি চেয়ারম্যান ছিলেন, তাদের সময় এ ধরনের কিছু অনিয়ম হয়েছে। এসব অনিয়ম ধরতে সরকার এখন এমইএস সফটওয়্যার চালু করেছে। ফলে রিনা আক্তারের অনিয়ম ধরা পড়েছে।’ তিনি বলেন, ‘বয়স্ক ভাতা নেওয়ার জন্য অনেকে স্বামীকে মৃত, কম বয়সী মানুষকে বেশি বয়স দেখিয়ে তালিকাভুক্ত করে। এখন তারাও বাদ পড়ছে।’

অভিযোগ সম্পর্কে রিনা আক্তার বলেন, ‘আমার আয় কম কিন্তু খরচ বেশি। তা দেখে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান হাসান চৌধুরী আমাকে একটি কার্ড করে দিয়েছিলেন। আমার শাশুড়ি বেবি আক্তারের কার্ডটিও আমি দেখাশোনা করতাম। তিনি ফেনী থাকেন, আনোয়ারা আসতে পারতেন না। ওই টাকা তুলে আমি তার কাছে বিকাশ করতাম। এখন বলা হচ্ছে- ফেনীর কারও টাকা এ ইউনিয়ন থেকে তোলা যাবে না। আর মরিয়ম আক্তার আমার স্বামীর আত্মীয় হন। তিনি বেঁচে আছেন।’

জানা যায়, বেবি আক্তারকে নিজের শাশুড়ি দেখালেও প্রকৃতপক্ষে রিনার শাশুড়ির নাম মাজমা খাতুন। দুজনের আইডি কার্ড ভিন্ন, ছবিরও মিল নেই। তা ছাড়া রিনার স্বামী মোহাম্মদ হারুন ডাকাতিসহ একাধিক মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি। এ প্রসঙ্গে রিনা আক্তার বলেন, ‘লোকজন শত্রুতা করে মামলা দিত। আমার বিয়ের পর দুবার জেলে যান স্বামী। পরে জামিনে মুক্ত করে এনেছি।’ পুরো বিষয়টি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ করেন রিনা আক্তার।

advertisement
Evaly
advertisement