advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অনিয়ম-দুর্নীতি : পর্ব-২
উপাচার্যের ক্ষমতাই যেখানে সব

জাকির হোসেন তমাল
৬ অক্টোবর ২০২০ ২০:৪৬ | আপডেট: ৭ অক্টোবর ২০২০ ১৫:৫৬
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এম আবদুস সোবহান। ছবি : সংগৃহীত
advertisement

অধ্যাপক এম আবদুস সোবহান ২০১৭ সালের ৭ মে দ্বিতীয় মেয়াদে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পান। নিয়োগের পর থেকে  উপাচার্যের নানা অনিয়মের ‘তথ্য-প্রমাণ’ সংবলিত ৩০০ পৃষ্ঠার একটি অভিযোগপত্র প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) কাছে জমা দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির আওয়ামীপন্থী অন্তত ৬৩ জন শিক্ষক। সেই অভিযোগপত্রটি দৈনিক আমাদের সময় অনলাইনর হাতে এসেছে। এসব অভিযোগের বিষয়ে অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে উপাচার্যের নানা অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতা, ক্ষমতার অপব্যবহার, অযোগ্যদের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়। এসব বিষয় নিয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদনে আজ মঙ্গলবার থাকছে দ্বিতীয় পর্ব। 

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা বলছেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ইতিহাসে যা দেখা যায়নি, উপাচার্য এম আবদুস সোবহান দায়িত্ব নেওয়ার পর ‘নিজ ক্ষমতাবলে’ তাই করে দেখিয়েছেন। তিনি শুধু নিয়োগেই অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতায় অংশ নেননি, পছন্দের প্রার্থীকে অ্যাডহকে (ছয় মাসের জন্য)  নিয়োগ দিয়ে তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার দায়িত্ব দিয়েছেন। ওই শিক্ষকের নিয়োগ চূড়ান্ত না হওয়ার পরও কীভাবে তাকে সহকারী প্রক্টরের দায়িত্ব দেওয়া হলো, সেটা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। 

ফলিত গণিত বিভাগে নিয়োগ

ফলিত গণিত বিভাগে ২০১৩ সালে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছিল। সেখানে আবেদন পড়েছিল ৫৯টি। বর্তমান উপাচার্য দায়িত্বে এসে শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালা শিথিল করে একমাত্র ফলিত গণিত বিভাগে আগের বিজ্ঞপ্তিতে নিয়োগ বোর্ড গঠন করেন। অন্য সব বিভাগে নিয়োগের ক্ষেত্রে নতুন করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করলেও ফলিত গণিত বিভাগে সাবেক প্রশাসনের দেওয়া নীতিমালায় প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির আলোকে নিয়োগ চূড়ান্ত করেছেন উপাচার্য এম আবদুস সোবহান।

অভিযোগ আছে, আগের বিজ্ঞপ্তিতে আবেদন করা পছন্দের প্রার্থী থাকায় এবং ওই নিয়োগের নীতিমালায় তাদের যোগ্যতা থাকার কারণে উপাচার্য এম আবদুস সোবহান নতুন করে আর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেননি। সেই পছন্দের প্রার্থী হলেন আসাদুজ্জামান। চলতি বছরের ১ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৯৬তম সিন্ডিকেটের ৫৮ নম্বর সিদ্ধান্তে মো. আসাদুজ্জামান ও মো. হামিদুল ইসলামকে ফলিত গণিত বিভাগের প্রভাষক পদে নিয়োগ দেন উপাচার্য।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, গত প্রশাসনের সময় ২০১৩ সালের বিজ্ঞপ্তিতে আবেদন করা ৫৯ জনের মধ্যে বিভাগীয় প্ল্যানিং কমিটি ৪৯ জন আবেদনকারীকে মোখিক পরীক্ষায় ডাকার জন্য সুপারিশ করে। ওই ৪৯ জনের মধ্যে অন্তত ২৫ জনের শিক্ষাজীবনের চারটি পর্যায়েই প্রথম শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএ ছিল। কিন্তু তাদের বাদ দিয়ে শিক্ষাজীবনের তিনটিতে প্রথম শ্রেণি থাকা মো. হামিদুল ইসলাম ও আসাদুজ্জামানকে নিয়োগ দেন বর্তমান উপাচার্য। এই আসাদুজ্জামান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রশাসনের বিরুদ্ধে ২০১৭ সালে ১২ মার্চ ‘ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের গেস্ট হাউজ নির্মাণ প্রকল্পে দুর্নীতি’ প্রসঙ্গে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেছিলেন।

হামিদুল ইসলামের নিয়োগে ‘সিন্ডিকেটে বিতর্কিত’ সিদ্ধান্ত ও অ্যাডহক নিয়োগ

বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৯৬তম সিন্ডিকেট সভার ৫৮ নম্বর সিদ্ধান্তে মো. হামিদুল ইসলামের নিয়োগের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর ‘বিতর্কিতভাবে’ একই সিদ্ধান্তে ১ নম্বর অংশে হামিদুল ইসলামের নিয়োগ ‘আপাতত স্থগিত’ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য। পরে চলতি বছরের ২৬ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৯৭তম সিন্ডিকেটের ১ নম্বর সিদ্ধান্তে  ৪৯৬তম সভার ৫৮ নম্বর সিদ্ধান্তের ১ নম্বর অংশে গৃহীত সিদ্ধান্ত বাতিল করা হয়। অর্থাৎ হামিদুল ইসলামের নিয়োগ কার্যকর করা হয়। কিন্তু ওই নিয়োগের পর বিভাগে যোগদানের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তর থেকে কোনো চিঠি ইস্যু করা হয়নি।

হামিদুল ইসলামের নিয়োগ ও যোগদান বন্ধ রেখে, বিভাগে শিক্ষক নিয়োগের মাত্র তিন মাসের মাথায় চলতি বছরের ৫ মার্চে ২০১৩ সালের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী ফলিত গণিত বিভাগে আবেদনকারী (৫৬ নম্বর) মো. আবদুল আওয়ালকে অ্যাডহক ভিত্তিতে নিয়োগ দেন উপাচার্য, যা চলতি বছরের ২৭ জুন অনুষ্ঠিত ৪৯৯তম সিন্ডিকেটে রিপোর্ট (৪৫ নম্বর) করা হয়। একই সিন্ডিকেটে (৪৬ নম্বর রিপোর্টে) মো. হামিদুল ইসলামকে আবার স্থায়ীভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়। 

অ্যাডহকে নিয়োগ পাওয়া আবদুল আওয়ালের একাডেমিক ফলাফলে দেখা যায়, তিনি ২০০১ সালে দাখিলে (এসএসসি সমমান) জিপিএ ৪.০০ ও ২০০৩ সালে আলিমে (এইচএসসি সমমান) জিপিএ ৩.৩০ পেয়েছেন। স্নাতক ও স্নাতকোত্তরে তার প্রথম শ্রেণি রয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনজন জ্যেষ্ঠ অধ্যাপক জানান, মো. আবদুল আওয়ালের বাড়ি উপাচার্যের জেলা নাটোরে। বিভাগ থেকে সাম্প্রতিক সময়ে পাস করা অধিকতর ভালো ফলাফলধারীদের না নিয়ে ২০০১ সালে দাখিল (এসএসসি সমমান) পাস করার ২০ বছর পর কেন আবদুল আওয়ালকে অ্যাডহক ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। 

জানতে চাইলে ফলিত গণিত বিভাগের প্রভাষক মো. হামিদুল ইসলাম দৈনিক আমাদের সময় অনলাইনকে বলেন, ‘কোন সিন্ডিকেটে আমার নিয়োগ চূড়ান্ত হয়েছিল, এটাও আমি পুরোপুরি নিশ্চিত না। আমি আসলে জানি না কী হয়েছিল। এ বিষয়টা তো ক্যাম্পাসের সবাই জানে। এটা বিশ্ববিদ্যালয়ের গোপন কোনো কথা না। কী কারণে আমারটা পিছিয়ে গিয়েছিল, সেটা আমি জানি না।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি যখন যোগদানের কাগজ পেয়েছি, তখনই যোগদান করেছি। আমরা (আবদুল আওয়ালের সঙ্গে) একই দিনে (৫ মার্চ ২০২০) যোগদান করি। যোগদানের যে আদেশ জারি হয়, আমরা (আবদুল আওয়ালসহ) একই দিনে পেয়েছিলাম।’

একই সিন্ডিকেটে নিয়োগ চূড়ান্ত করার পর আবার স্থগিত, পরের সিন্ডিকেটে আগের স্থগিতাদেশ তুলে নেওয়া এবং পরবর্তী সিন্ডিকেটে আবার নিয়োগ পাওয়ার বিষয়ে কিছু জানেন কি না, এ প্রসঙ্গে ফলিত গণিত বিভাগের প্রভাষক মো. হামিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমি এ বিষয়টি জানি না। বিষয়টি নিয়ে আমি অন্ধকারে আছি।’ 

অ্যাডহক নিয়োগ পেয়েই সহকারী প্রক্টরের দায়িত্ব

ছয় মাসের জন্য অ্যাডহক ভিত্তিকে ফলিত গণিত বিভাগে নিয়োগ পাওয়া মো. আবদুল আওয়ালকে মাত্র তিন মাসের মাথায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টরের দায়িত্ব দেন উপাচার্য এম আবদুস সোবহান। চলতি বছরের ২৯ জুন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক এম.এ. বারী স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে তাকে সহকারী প্রক্টরের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রক্টর অধ্যাপক মজিবুল হক আজাদ খান দৈনিক আমাদের সময় অনলাইনকে বলেন, ‘অ্যাডহক বলতে বোঝায় ছয় মাসের জন্য নিয়োগ। ছয় মাস পরে আবার পুনঃনিয়োগ দিতে হবে। সেটা যদি না দেয়, স্বয়ংক্রিভাবে এই সার্ভিস বন্ধ হবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা প্রক্টরিয়াল বডির কাজের গুরুত্ব সম্পর্কে বলতে গিয়ে সাবেক এই প্রক্টর বলেন, ‘প্রক্টরিয়াল কাজ, এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরি যার স্থায়ী না, তাকে কোন বিবেচনায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে..? আমি প্রক্টর থাকলে অন্তত উপাচার্য মহোদয়কে নিষেধ করতাম যে, আমার অফিসে এমন কাউকে দেবেন না, যার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি দায়বদ্ধতাই তৈরি হয়নি।’

অ্যাডহকে নিয়োগ পেয়ে সহকারী প্রক্টরের দায়িত্ব এর আগে কাউকে দেওয়া হয়েছিল কি না, এ প্রসঙ্গে মজিবুল হক আজাদ খান বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর এমনটি হয়েছে বলে আমার জানা নেই। নিরঙ্কুশ আনুগত্যকে বিবেচনায় নিয়েই হয়তো এমনটি করেছেন উনি (উপাচার্য আবদুস সোবহান)।’

তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রক্টর অধ্যাপক লূৎফর রহমান জানালেন, অ্যাডহকে নিয়োগ পাওয়া আবদুল আওয়ালকে নিয়মের মধ্যে থেকেই সহকারী প্রক্টরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

প্রক্টর দৈনিক আমাদের সময় অনলাইনকে বলেন, ‘ওটা আইনগতভাবে সিদ্ধ, দেওয়া যায়। তাকে কিন্তু তিন বছরের জন্য বা দুই বছরের জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়নি। নিয়োগে লেখা আছে, আনটিল ফারদার অর্ডার (পরবর্তী আদেশ জারি না হওয়া পর্যন্ত)। পরবর্তী নির্দেশ এক মাস পরও হতে পারে, আবার চার মাস পরও হতে পারে।’

অ্যাডহকে নিয়োগ পাওয়া কোনো শিক্ষক বিশ্ববিদ্যালয়ের কোয়ার্টার ভাড়া পেয়েছেন বলে জানেন না বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক জ্যেষ্ঠ শিক্ষক। কিন্তু সহকারী প্রক্টর হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর সবাইকে ভাড়ামুক্ত বাসার সুবিধা দেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। সহকারী প্রক্টর হিসেবে আবদুল আওয়ালের নিয়োগেও তেমনটি বলা ছিল।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রক্টর লূৎফর রহমান কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি। তিনি বলেন, ‘তাকে (আবদুল আওয়াল) বাসা দেওয়া বা সহকারী প্রক্টর হিসেবে যদি নিয়োগ দিয়ে থাকে প্রশাসন, তাহলে তো এমন না যে, তার চাকরি থাকবে না আর এই পদ থাকবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে অ্যাডহকে নিয়োগ পাওয়া কোনো প্রভাষককে সহকারী প্রক্টর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে কি না, এ বিষয়ে জানতে চাইলে বর্তমান প্রক্টর বলেন, ‘সেটা আমি বলতে পারব না।’

অ্যাডহকে নিয়োগ পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টরের দায়িত্ব পালন করার বিষয়ে জানতে চাইলে ফলিত গণিত বিভাগের প্রভাষক মো. আবদুল আওয়াল দৈনিক আমাদের সময় অনলাইনকে জানান, এ বিষয়ে তার কোনো বক্তব্য নেই। ফোনে তিনি কিছু বলবেন না। কোনো কিছু জানার থাকলে প্রক্টর দপ্তরে দেখা করতে বলেন তিনি।

মেধাবীদের বঞ্চিত করে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে নিয়োগ

নিয়োগ নীতিমালা পরিবর্তনের পর ২০১৮ সালে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে তিনটি শূন্য পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি (নম্বর ০৮/২০১৮) দেওয়া হয়। ওই বছরের ১৭ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৮৫তম সিন্ডিকেটে তিনজন শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পান। তারা হলেন মো. সাইফুর রহমান, মো. রিজু খন্দকার ও মো. আবদুর রশিদ।

অভিযোগ রয়েছে, আবেদনকারীদের মেধাক্রম বিবেচনায় না নিয়ে তুলনামূলক কম যোগ্যতাসম্পন্ন মো. আবদুর রশিদকে নিয়োগ দেন উপাচার্য আবদুস সোবহান। তার নিয়োগের বিষয়টি জানার পর ওই সময়ের বিভাগীয় প্রধানসহ কয়েকজন শিক্ষক উপাচার্যের দপ্তরে গিয়েছিলেন। মেধা তালিকায় প্রথম বা দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা প্রার্থীকে নিয়োগ না দেওয়ায় ওই শিক্ষকরা উপাচার্যের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ান।

জানতে চাইলে বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক এম খলিলুর রহমান খান দৈনিক আমাদের সময় অনলাইনকে বলেন, ‘নিয়োগ বোর্ড তো শুধুমাত্র রেজাল্ট দেখে না, অনেক কিছুই হয়তো দেখে। অনেক কিছুই থাকে। এখন কোন ক্রাইটেরিয়ায় পড়ে, সেটা তো বাইরে থেকে আমি জানব না।’

ডিন আরও বলেন, ‘বিভাগের ওই তিনজনের সবার নিয়োগ নিয়ে আমি সন্তুষ্ট না। আংশিক সন্তুষ্ট। আরও ভালো প্রার্থী ছিল, তাদেরকে নেওয়া যেতে পারত। ওর (আবদুর রশিদ) চেয়ে আরও ভালো প্রার্থী হয়তো পেতাম আমরা। ভালো প্রার্থী ছিল।’

এসব বিষয়ে বক্তব্য জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এম আবদুস সোবহানের মুঠোফোনে কল দেওয়া হলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।

আরও পড়ুন : 

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অনিয়ম-দুর্নীতি : পর্ব-১

advertisement
Evaly
advertisement