advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

অধিক খরচে তৃতীয় দেশ হয়ে কুয়েতে ঢুকছেন বাংলাদেশিরা

কুয়েত প্রতিনিধি
১৫ অক্টোবর ২০২০ ১১:১৩ | আপডেট: ১৫ অক্টোবর ২০২০ ১১:২৬
advertisement

করোনাভাইরাসের কারণে চলতি বছর মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে আন্তর্জাতিক সব ফ্লাইট বন্ধ করে দেয় কুয়েত। এতে ছুটিতে গিয়ে আটকে পড়া প্রবাসীরা পড়েছেন বিপাকে। গত ১ আগস্ট থেকে সীমিত পরিসরে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালুর সিদ্ধান্ত নেয় দেশটি। কিন্তু বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, মিশর নেপালসহ ৩৪ দেশের সঙ্গে কুয়েতের আন্তর্জাতিক ফ্লাইট এখনো বন্ধ রয়েছে। এতে অন্যান্য দেশগুলোর প্রবাসীদের মতো বিশাল সমস্যায় পড়েছেন বাংলাদেশি প্রবাসীরাও।

দীর্ঘদিন ছুটিতে দেশে ফিরে আটকে পড়া প্রবাসীরা অপেক্ষা করছে ফ্লাইট চালু হওয়ার। অনেকে ইতোমধ্যে চাকরি হারিয়েছেন। অনেকের কুয়েতে প্রবেশে বৈধতা আকামার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। যারা ছুটিতে এসে কিছুটা সাবলম্বী ছিলেন, তারা খুঁজছেন ভিন্ন পথ। আকামার মেয়ার থাকায় ভিন্ন দেশের মাধ্যমে তারা কুয়েতে প্রবেশ করছেন। অতিরিক্ত খরচে কুয়েতে ঢুকে তাদের থাকতে হচ্ছে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিনে। কেউবা আবার দেশটিতে প্রবেশে করোনা নেগেটিভ সনদ নিয়ে অপেক্ষা করছেন।

বেশ কয়েকজন প্রবাসীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ১ লাখেরও কিছু কম খরচে যেখানে কুয়েতে আসা যায়, সেখানে তারা দুই-তিন লাখ টাকা খরচ করে কর্মস্থলে ফিরছেন। সংযুক্ত আরব আমিরাত হয়ে কুয়েতে প্রবেশ করছেন তারা। ঝুঁকি নিয়ে প্রবাসী বাংলাদেশিদের দেশটিতে প্রবেশে সাহায্য করছে কয়েকটি ট্রাভেল এজেন্সি।

দুবাই হয়ে কুয়েতে আসা মোহাম্মদ সেলিম হাওলাদার নামে এক প্রবাসী আমাদের সময়কে বলেন, দুবাই হয়ে কুয়েতে আসায় আমাদের বাংলাদেশিদের জন্য অন্য দেশের তুলনায় খরচ তুলনামূলক অনেক বেশি এবং যাত্রীদের ঝুঁকি নিতে হয়। দেশ থেকে আসতে পিসিআর সনদ নিতে হয়। ৩৪ দেশ ব্যতীত দুবাই বা অন্য যেকোনো দেশে ১৪ দিন থাকার পর সেখান থেকে পিসিআর সনদ নিয়ে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে কুয়েত প্রবেশ করতে হয়। এক্ষেত্রে কুয়েতে আসতে দুবাইতে ভিজিট ভিসার যাত্রীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় দুবাই থেকে কুয়েতের টিকিট মূল্য অনেক বেশি। দুবাই থেকে কুয়েতের ফ্লাইট মূল্য ছিল ৬০-১২০ দিনার। কিন্তু এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে, ৬০০ থেকে ৭০০ ডলার। এতে প্রবাসীদের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।

এদিকে দুবাই থেকে কুয়েতের টিকিট চাহিদা হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় দেখা দিয়েছে সংকট। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ট্রাভেল এজেন্সির কর্মকর্তা বলেন, দুবাইয়ে আসার পর যদি কেউ করোনা পজিটিভ হয়, এবং কুয়েত সরকারের কোনো সিদ্ধান্তের কারণে যদি কেউ দেশটিতে প্রবেশ করতে না পারে, সে দায় কোনো ট্রাভেল এজেন্সি বহণ করবে না।

advertisement
Evaly
advertisement