advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

নোয়াখালী অভিমুখী লংমার্চ সমাপ্ত, দুদিনের কর্মসূচি ঘোষণা

নোয়াখালী প্রতিনিধি
১৭ অক্টোবর ২০২০ ২১:১২ | আপডেট: ১৭ অক্টোবর ২০২০ ২১:৪২
advertisement

সমাপনী সমাবেশের মধ্য দিয়ে ধর্ষণের বিরুদ্ধে নয় দফা দাবিতে ঢাকা থেকে নোয়াখালী অভিমুখী দুই দিনের লংমার্চ সমাপ্ত হয়েছে। আজ শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টায় নোয়াখালী কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এ সমাপনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়ে চলে সন্ধ্যা পর্যন্ত।

ধর্ষণ ও বিচারহীনতার বিরুদ্ধে বাংলাদেশ নোয়াখালী শাখার সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট মোল্লা হাবিবুর রাছুল মামুনের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেন প্রগতিশীল বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

এ সময় বক্তারা ধার্ষণ ও বিচারহীনতার বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান। ফেনীতে হামলাকারীরা সরকার দলীয় নেতাকর্মী বলে তারা দাবি করেন। লংমার্চে হামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়। এ সময় তারা সরকারের পদত্যাগও দাবি করেন।

হামালার প্রতিবাদে আগামী ১৯ অক্টোবর দেশব্যাপী বিক্ষোভ সমাবেশ ও ২১ তারিখ রাজপথ অবরোধ কর্মসূচির ঘোষণা করেন সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফন্ট্রের সভাপতি মাসুদ রানা।

চারন সাংস্কৃতীক কেন্দ্রের সভাপতি আনোয়ারুল হক পলাশের সঞ্চালনা ও জেলা উদীচীর সভাপতি মোল্লাা হাবিবুর রাসুল মামুনের সভাপত্তিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেন-ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি মেহেদী হাসান, ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি গোলাম মোস্তফা, নারী মুক্তি কেন্দ্রের সভাপতি সীমা দত্ত, উদীচীর সাধারণ সম্পাদক জামসেদ আনোয়ার তপনসহ অনেকে।

এর আগে ধর্ষণের বিরুদ্ধে ৯ দফা দাবিতে ঢাকা থেকে নোয়াখালীর উদ্দেশে লংমার্চকারীরা ফেনীতে হামলার শিকার হন। এ সময় অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। দুপুর ১২টার দিকে ফেনী শহরের শান্তি কোম্পানি মোড় এলাকায় এই হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। বিষয়টি নিশ্চিত করে লংমার্চে থাকা সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের সভাপতি আল কাদরি জয়।

লাঠিসোঁটা ইট নিয়ে এই হামলায় তিনজন আহতের নাম জানা গেছে। তারা হলেন হৃদয়, আনিকা, ইমা। হামলাকারীরা স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মী বলে স্থানীয়দের বরাতে অভিযোগ করেন জয়। অভিযোগের বিষয়ে আওয়ামী লীগের কারও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

কর্মসূচিতে থাকা ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি মেহেদী হাসান নোবেল জানিয়েছেন, লংমার্চের প্রায় ছয়টি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। পুলিশ এ সময় নিশ্চুপ ছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলমগীর হোসেন বলেন, ‘হামলাকারীদের প্রতিহত করার চেষ্টা করা হয়েছে। ঘটনার পর লংমার্চে অংশকারীদের নোয়াখালী পাঠানো হয়েছে।’

ধর্ষণ ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে দেশব্যাপী গণজাগরণ তৈরির লক্ষ্যে শুক্রবার নোয়াখালীর পথে এই লংমার্চ শুরু করে ‘ধর্ষণ ও বিচারহীনতার বিরুদ্ধে বাংলাদেশ’। যে জেলায় এক নারীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতনের পর সারা দেশে নিন্দার ঝড় বইছে সেই নোয়াখালী শহরে শনিবার বিকেলে সমাবেশের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এই কর্মসূচি। বাম ছাত্র সংগঠনগুলো ছাড়াও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও নারী সংগঠন এতে যোগ দিয়েছে।

advertisement
Evaly
advertisement