advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

প্রয়োজন সুষ্ঠু বাজার ব্যবস্থাপনা : মাঠে ঠকছেন কৃষক বাজারে ভোক্তা

১৮ অক্টোবর ২০২০ ০০:০০
আপডেট: ১৮ অক্টোবর ২০২০ ০০:০৫
advertisement

করোনা ভাইরাসসৃষ্ট মহামারীর কারণে মানুষের আয় কমেছে। অন্যদিকে ভোক্তার নাগালের বাইরে চলে গেছে সব তরিতরকারির দাম। বাজারে ৫০ টাকার নিচে মিলছে না কোনো সবজি। ৭০ থেকে ৮০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে বেশিরভাগ সবজি। দুই মাস ধরে রাজধানীর বাজারে দামের উত্তাপ বইছে। তবে কিছুদিন ধরে তা অস্বাভাবিক পর্যায়ে পৌঁছেছে। আলুর দাম সর্বকালের সব রেকর্ড ভেঙেছে। সবজির অস্বাভাবিক দাম ভোগাচ্ছে নিম্ন ও মধ্যবিত্তসহ সব শ্রেণির ভোক্তাকে। সবজির এমন দামে ভোক্তা যেমন ঠকছেন, তেমনি ঠকছেন কৃষকও। তবে পোয়াবারো মধ্যস্বত্বভোগীদের।

সংক্ষেপে এর মুখ্য কারণ হলো, আইনের শাসনে দুর্বলতা ও বাজার ব্যবস্থাপনার ঘাটতি যথেষ্ট প্রসারিত হওয়া। গণপরিবহন ও গুদামজাতকরণ সংকটের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে হরেক রকমের চাঁদাবাজি। বেশি হাতবদল ও পথে পথে ‘তোলা’ আদায়ের কারণেই ভোক্তাকে মাসুল দিতে হচ্ছে। কৃষিনির্ভর অর্থনীতির দেশের মেরুদ- কৃষি। কিন্তু সেই কৃষককে সচ্ছল করতে রাষ্ট্র কখনই কার্যকর ও ধারাবাহিক তদারকির পদক্ষেপ নেয়নি।

গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগকে (সিপিডি) দিয়ে একটি সমীক্ষা করা হয়েছিল। তখন দেখা হয়েছিল, কৃষকদের গোলা থেকে কত হাত ঘুরে একটি পণ্য ভোক্তার কাছে পৌঁছায়। সমীক্ষায় এটি ফুটে ওঠেÑ যত হাতবদল কম হবে, ততই কৃষকদের লাভ ও ভোক্তার স্বার্থ রক্ষা করা সম্ভব। বেসরকারি খাতের ডিপার্টমেন্টাল স্টোরগুলো সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে কিনে বাজারমূল্যে বেচেও ভালো মুনাফা করছে।

আমরা মনে করি, সরকারকেই একটি স্থায়ী ব্যবস্থা উদ্ভাবন করতে হবে। ঢাকা ও ঢাকার বাইরে সবজি সংরক্ষণাগার তৈরি, পরিবহন সংকট লাঘব করা, কৃষকদের নিয়ে সমবায় সমিতি গঠনে উৎসাহিত করা, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, উৎপাদন খরচ কমানো ও চাঁদাবাজির কবল থেকে মুক্তি দিতে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যদের দুর্নীতিমুক্ত করার মতো দিকগুলোয় মনোযোগ দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

advertisement
Evaly
advertisement