advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে : ২৪ ঘণ্টায় গণধর্ষণের শিকার চার নারী

১৮ অক্টোবর ২০২০ ০০:০০
আপডেট: ১৮ অক্টোবর ২০২০ ০০:০৫
advertisement

দেশজুড়ে প্রতিবাদ-সমাবেশের মধ্যেও ঘটে চলেছে ধর্ষণের ঘটনা। ধর্ষণের ঘটনায় মৃত্যুদ-ের বিধান করা হলেও থামানো যাচ্ছে না গণধর্ষণ। গত শুক্রবার নোয়াখালী অভিমুখে লংমার্চের মধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে চারটি গণধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। নরসিংদীতে এক কিশোরী, নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলায় মাদ্রাসাছাত্রী, গাজীপুরে কলেজছাত্রী ও চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে এক গৃহবধূ গণধর্ষণের শিকার হন। এ ছাড়া গাজীপুরে ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে এক শিক্ষককে আটক করা হয়।

নারী ও শিশুদের অধিকার নিয়ে কাজ করা সংস্থাগুলো বলছে, পুলিশ থেকে শুরু করে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো ঠিকমতো কাজ করছে না বলে ধর্ষণের মামলার বিচারপ্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত হয় এবং অপরাধীদের শাস্তি হয় না। ধর্ষণের আলামত সংগ্রহ থেকে শুরু করে মামলার তদন্ত প্রক্রিয়ায় পুলিশের অদক্ষতা, আন্তরিকহীনতা, দুর্নীতিপ্রবণতা, ধর্ষকের রাজনৈতিক পরিচয়, প্রভাবশালীদের হস্তক্ষেপ, নারীর প্রতি নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি ইত্যাদি কারণে অধিকাংশ ধর্ষণ মামলায় আদালতে অপরাধ প্রমাণিত হয় না বলে ধর্ষক ছাড়া পেয়ে যায়। ধর্ষণ, যৌন নির্যাতনসহ নারীর প্রতি সব ধরনের সহিংসতা বন্ধ করার জন্য কঠোর আইন যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন সেই আইনের যথাযথ প্রয়োগ। ধর্ষণ ও যৌন নির্যাতনের খবর যত বেশি পাওয়া যায়, এসব অপরাধের দায়ে অপরাধীদের শাস্তির দৃষ্টান্ত তার চেয়ে অনেক কম। অপরাধ করে পার পাওয়া যায়Ñ এ ধরনের বিশ্বাস থেকে অপরাধীরা অপরাধকর্মে লিপ্ত হয়।

কিন্তু এ রকম তো চলতে পারে না। ধর্ষণ একটি জঘন্য অপরাধ। এ অপরাধ করে পার পাওয়ার কোনো সুযোগ থাকা উচিত নয়। বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে আমাদের বের হয়ে আসতে হবে। সরকারকে এখন এদিকে নজর দিতে হবে। ধর্ষণের বিচারপ্রক্রিয়ার দুর্বলতা ও বাধাগুলো দূর করার উদ্যোগ নিতে হবে। দ্রুত ধর্ষণ মামলা নিষ্পত্তি করতে বেশি বেশি ট্রাইব্যুনাল ও বিচারক নিয়োগ দিতে হবে। প্রতিটি ধর্ষণের ঘটনায় ধর্ষকরা সাজা পাচ্ছে এটা আমরা দেখতে চাই।

advertisement
Evaly
advertisement