advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

শরণংক ভিক্ষুর বনদখলের সমালোচনা বৌদ্ধ নেতাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৮ অক্টোবর ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ১৮ অক্টোবর ২০২০ ০০:০৬
advertisement

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় বৌদ্ধবিহার স্থাপনের নামে ভিক্ষু শরণংকরের অবৈধভাবে সংরক্ষিত বনভূমি দখল, পাহাড় ও গাছপালা কাটার সমালোচনা করেছেন দেশের বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের শীর্ষ সংগঠনগুলোর নেতা। গতকাল এক বিবৃতিতে তারা এ ধরনের কর্মকা-কে বৌদ্ধ ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে সমর্থনযোগ্য নয় বলে উল্লেখ করেন। আইনি ব্যবস্থার মাধ্যমে এর সমাধানের পক্ষে মত প্রকাশ করেন তারা। বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ভাইস চেয়ারম্যান সুপ্ত ভূষণ বড়ুয়া, বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘের সভাপতি ও ঢাকাস্থ কমলাপুর বৌদ্ধবিহারের অধ্যক্ষ বুদ্ধপ্রিয় মহাথেরো, বুদ্ধিস্ট ফেডারেশনের সভাপতি দিব্যেন্দু বিকাশ চৌধুরী বড়ুয়া, সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকার আন্তর্জাতিক বৌদ্ধবিহারের অধ্যক্ষ ভিক্ষু সুনন্দপ্রিয় এবং বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘের মহাসচিব অমর বড়ুয়া এ বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন।

বিবৃতিতে তারা বলেন, রাঙ্গুনিয়া উপজেলার ফলহারিয়া গ্রামের অনতিদূরে সংরক্ষিত বনাঞ্চলে বনবিভাগের অনুমতি ছাড়া ২০১২ সালে জ্ঞানশরণ মহারণ্য বৌদ্ধবিহার স্থাপন করেন ভিক্ষু শরণংকর থেরো। বনবিভাগের নিষেধ সত্ত্বেও আরও জায়গা বিহারের সঙ্গে যুক্ত করাসহ পাহাড় ও গাছপালা কেটে ফেলা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৮ সালে বনবিভাগ তার বিরুদ্ধে মামলা করে। মামলায় ‘ভিন্ন ধর্মের প্রতি বিষোদগারের’ও উল্লেখ ছিল।

সুরাহা না হওয়ায় ২০২০ সালের ৯ জুলাই বনবিভাগ ও পুলিশের যৌথ অভিযানে সেখানে অবৈধ স্থাপনার কাজ বন্ধ করা হয়। সেই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে অবৈধ দখলদারিত্ব এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ধর্ম অবমাননাকর পোস্ট দেওয়ার দায়ে আরও ডজনখানেক মামলা হয়। বিষয়টিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য একে রাজনৈতিক রূপদানের অপচেষ্টা করা হয়েছে উল্লেখ করা হয় বিবৃতিতে।

advertisement
Evaly
advertisement