advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

নিউজিল্যান্ডে বিশাল ব্যবধানে জেসিন্ডার জয়

আমাদের সময় ডেস্ক
১৮ অক্টোবর ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ১৮ অক্টোবর ২০২০ ০০:০৬
advertisement

নিউজিল্যান্ডের সাধারণ নির্বাচনে বিশাল জয় পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আরডার্ন। বেশিরভাগ ভোট গণনার পর দেখা গেছে, জেসিন্ডার দল লেবার পার্টি ৪৯ শতাংশ ভোট পেয়েছেন, আর তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মধ্য ডানপন্থি ন্যাশনাল পার্টি পেয়েছে ২৭ শতাংশ ভোট; এ ছাড়া গ্রিন পার্টি পেয়েছে মাত্র ৮ শতাংশ ভোট। এ পরিস্থিতিতে দলগুলো পরাজয় মেনে নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। অভাবনীয় এ জয়ের মধ্য দিয়ে জেসিন্ডা দ্বিতীয়বারের মতো নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন। খবর বিবিসি।

সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, বিশ্বব্যাপী করোনা মহামারীতে সারাবিশ্বে প্রশংসকা কুড়িয়েছে জেসিন্ডার নিউজিল্যান্ড। দুই-দুইবার মহামারী ঠেকিয়ে দিয়েছে দেশটি। এ জন্য বলা হচ্ছে, করোনাকে জয় করার পর এবার নির্বাচনেও বড় জয় পেলেন জেসিন্ডা। নির্বাচনটি হওয়ার কথা ছিল সেপ্টেম্বরেই। কিন্তু করোনা মহামারীর কারণে সেটি এক মাস পিছানো হয়েছিল। গত শুক্রবার স্থানীয় সময় ৯টায় ভোটকেন্দ্রগুলো খোলা হয় আর বন্ধ করা হয় সাতটায়। এ ছাড়া প্রায় দশ লাখের মতো ভোটার আগাম ভোটের মাধ্যমে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছে।

এদিকে নির্বাচনের আগেই বেশিরভাগ জনমত জরিপ ইঙ্গিত দিয়েছিল যে, দক্ষতার সঙ্গে করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে সক্ষম হওয়া প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আর্ডার্নই দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় বসতে যাচ্ছেন। ভোটের ফলেও সেটিই স্পষ্ট হলো। নির্বাচনে জয়ের সমর্থকদের উদ্দেশে জেসিন্ডা বলেন, প্রায় ৫০ বছর ধরে লেবার পার্টির প্রতি আপনারা সমর্থন জানিয়ে আসছেন। আপনাদের এ সমর্থন ব্যর্থ হবে না, আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি আমরা এমন একটি দলে পরিণত হব যা দেশের প্রতিটি জনগণের জন্য কাজ করবে।

এদিকে নিউজিল্যান্ডের নির্বাচনী ব্যবস্থার কারণে কোনো দলই এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারা কঠিন হয়ে পড়ে। ১৯৯৬ সালে দেশটিতে মিশ্র সদস্য আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (এমএমপি) ব্যবস্থা চালুর পর এখন পর্যন্ত কোনো দলই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। তবে জেসিন্ডার দল এ ব্যবস্থা চালুর পর এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি আসন পেয়েছে যা সবাইকে বিস্মিত করেছে। ফলে এবারই প্রথমবারের মতো জেসিন্ডার সামনে একক সরকার গঠনের পথ উন্মুক্ত হলো।

নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বিভিন্ন সময় জেসিন্ডার প্রশংসা করেছে বিভিন্ন মহল। ক্রাইস্টচার্চে সন্ত্রাসী হামলার প্রেক্ষাপটে জেসিন্ডা যেভাবে মুসলিম সম্প্রদায়ের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন, সেই কান্নামাখা মুখ বিশ্বে সবার সমবেদনা আদায় করেছিল। এ ছাড়া সুবিধাবঞ্চিত প্রতিষ্ঠানে অর্থ প্রদান, জলবায়ু ইস্যুতে পদক্ষেপ, ঋণ মওকুফসহ বেশ কিছু প্রশংসনী উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি- যার প্রতিদান হিসেবে আজকের এই বিপুল জনসমর্থন।

advertisement
Evaly
advertisement