advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

বেগমগঞ্জে নারী নির্যাতন : কারাগারে আসামি ঘটনায় ব্যবহৃত টর্চলাইট উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৮ অক্টোবর ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ১৮ অক্টোবর ২০২০ ০০:০৬
advertisement

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে গৃহবধূকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন ও পর্নোগ্রাফি মামলায় রিমান্ড শেষে আসামি সুমনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনার দিন ব্যবহৃত টর্চলাইটটি উদ্ধার করা হয়।

নোয়াখালী পিবিআই ইন্সপেক্টর মামুনুর রশিদ পাটোয়ারী বলেন, রিমান্ড শেষে ৬ নম্বর আসামি সুমনকে গতকাল দুপুরে নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। শুক্রবার দিবাগত রাতে সুমনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পূর্ব একলাশপুর গ্রামের দরবেশ আলীর বাড়ি থেকে ঘটনার দিন ব্যবহৃত টর্চলাইটটি উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গত বুধবার রাতে ফেনী শহরের শান্তি নিকেতন এলাকা থেকে ব্যবহৃত মোবাইলটিও উদ্ধার করা হয়।

এদিকে বাংলাদেশ পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মো. আনোয়ার হোসেন বলেছেন, পুলিশকে সব শ্রেণি পেশার মানুষের সঙ্গে সম্পর্কের আরও উন্নয়ন ঘটাতে হবে। জনগণকেও আরও সচেতন হতে হবে। পুলিশ বাহিনীকে আরও অ্যাক্টিভ হয়ে তাদেরকে রিডিং রোলটা বের করতে হবে। এ ধরনের বীভৎস ঘটনা যেন আর না ঘটে, এজন্য আমাদের সবাইকে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে এবং সচেতন মহলও পুলিশকে সহযোগিতা করতে হবে। গতকাল নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ মডেল থানার আয়োজনে একলাশপুর ইউনিয়নে নারী ধর্ষণ ও নির্যাতনবিরোধী বিট পুলিশিং সমাবেশ শেষে গণমাধ্যম কর্মীদের এসব কথা বলেন তিনি।

ডিআইজি বলেন, গৃহবধূ নির্যাতনের ঘটনাটি ৩২ দিনেও আমরা জানতে পারিনি। আমি চেষ্টা করেছি, এ ঘটনাটি বের করতে। ভিকটিম তার বাড়ির সবচেয়ে নিকটবর্তী তার চাচার যে ঘর, সে চাচাও ঘটনাটি জানতে পারেনি। ভিকটিম এবং তার স্বামী যে ঘরে উপস্থিত ছিলেন, তাদের দুজনের একজনও যদি আমাদেরকে ঘটনাটি জানাতেন, তা হলে আমাদের পক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া সহজ হতো। নির্যাতিতা ঘটনাটি স্থানীয় মেম্বার মোজাম্মেল হোসেন সোহাগকে জানিয়ে বিচার চেয়েছিলেন। কিন্তু মেম্বারও পুলিশকে ঘটনাটি জানায়নি।

advertisement
Evaly
advertisement