advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

নির্বাচনের নামে সরকার ও ইসি নাটক করছে : নজরুল ইসলাম

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৮ অক্টোবর ২০২০ ১৪:২৭ | আপডেট: ১৮ অক্টোবর ২০২০ ১৪:৩৪
জিয়াউর রহমানের মাজারে ফুল দিচ্ছেন নজরুল ইসলাম খানসহ অন্যরা। ছবি : আমাদের সময়
advertisement

বর্তমান সরকার ও নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের নামে নাটক করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য নজরুল ইসলাম খান। আজ রোববার সকালে শেরেবাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা, সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত শেষে এ মন্তব্য করেন তিনি।

নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘গতকাল শনিবার ঢাকা এবং নওগাঁয় দুটি উপনির্বাচন হয়েছে। ঢাকার আসনে ভোট পড়েছে ১০ শতাংশ। ঢাকা শহরে ১০ শতাংশ ভোট পড়বে এটা কী করে হয়? আমাদের কোনো এজেন্টকে কেন্দ্রে ঢুকতে দেয়নি।’

তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্রের বাহন হলো নির্বাচন। নির্বাচন ছাড়া গণতন্ত্র হয় না। কিন্তু নির্বাচনকে তারা এতই পরিত্যক্ত, অগ্রহণযোগ্য ও হেয় করে ফেলেছে। আমাদের নির্বাচন কমিশন বলে আওয়ামী লীগ জিতলেই নির্বাচন সুষ্ঠ! নির্বাচনের পরিবেশ কেমন ছিলো, ভোটার গেল কী গেল না সেটি বিবেচ্য নয়।’

নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘গণতন্ত্র এখন মুমূর্ষু অবস্থায় আছে। সারা দুনিয়ার মানুষ আজ কোভিড নামক মহামারিতে আক্রান্ত। আর বাংলাদেশ কোভিডের পাশাপাশি দুর্নীতি, অনাচার, নারী ও শিশু নির্যাতন এবং দলীয়করণ এ ধরনের আরও কয়েকটা মহামারিতে আক্রান্ত।’

তিনি বলেন, ‘আজকে সরকার গর্ব করে যে দেশের প্রবৃদ্ধি বেড়েছে। কার প্রবৃদ্ধি? দেশের প্রবৃদ্ধি তো হলো একটা গড়। হাতে গোনা কিছু মানুষ বিপুল বৈভবের মালিক হচ্ছে। আর মানুষের বিরাট অংশ গরিব হচ্ছে। নতুন করে আরও ১ কোটি ৬৪ লাখ মানুষ গরিব হয়েছে। বাংলাদেশে প্রবৃদ্ধি বেড়েছে কিন্তু মানুষ কেমন আছে? সুখে আছে নাকি দুঃখে আছে? গবেষণা বলছে- এশিয়ার ৩০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ২৬তম। এই প্রবৃদ্ধি হচ্ছে ব্যক্তি বিশেষের। এটা জনগণের না। কারণ জনগণ শান্তি সুখে নেই।’

জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের (জেডআরএফ) ২১ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ জিয়াউর রহমানের মাজার জিয়ারত করেন। মোনাজাত পরিচালনা করেন বাংলাদেশ শিক্ষক সমন্বয় কমিটির সদস্য সচিব দেলোয়ার হোসেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, জেডআরএফের কৃষিবিদ অধ্যাপক ড. আব্দুল করিম সরকার, রাশিদুল হাসান হারুন, অধ্যাপক আসাদুল হক, একরামুল হক, আনিসুজ্জামান, সানোয়ার আলম, শামীমুর রহমান শামীম, নূরুন্নবী শ্যামল, এ আর মাহমুদ, অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খান, অধ্যাপক ড. আল মোজাদ্দেদী আলফেছানী, অধ্যাপক মেসবাহ উদ্দিন, ডা. শাহ মুহাম্মদ আমান উল্লাহ, ডা. শেখ ফরহাদ, এরফানুল ইসলাম, ডা. দীপু, প্রকৌশলী রিয়াজুল ইসলাম রিজু, জহিরুল ইসলাম, আসাদুজ্জামান চুন্নু, গালিব আহসান, মাহবুব আলম, ছাত্রদলের সভাপতি ফজলুর রহমান খোকন, সেক্রেটারী ইকবাল হোসেন শ্যামল, ছাত্রদলের সাবেক কেন্দ্রীয় নেত্রী আরিফা সুলতানা রুমা প্রমুখ।

advertisement
Evaly
advertisement