advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

রাজধানীর আবাসিক হোটেল থেকে নারীর লাশ উদ্ধার

ঢামেক প্রতিবেদক
১৮ অক্টোবর ২০২০ ১৭:১১ | আপডেট: ১৮ অক্টোবর ২০২০ ২০:২১
প্রতীকী ছবি
advertisement

রাজধানীর মতিঝিলে একটি আবাসিক হোটেল থেকে ইয়াসমিন আক্তার সোমা (৩২) নামের এক নারীর মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় সংবাদ পেয়ে মতিঝিলের ইনসাফ আবাসিক হোটেলের ২২৭ নম্বর কক্ষ থেকে নারীর মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। নিহতের পরিবারের সদস্যরা  দাবি করেছেন, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মতিঝিল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল জলিল। তিনি বলেন, ‘নিহতের গলায় ওড়না পেঁচানো ছিল। মরদেহ উদ্ধারের সময় গলায় কালো দাগ ছিল। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।’

এদিকে নিহতের বোন নাসরিন বেগম ও ভাই আলাউদ্দিন ফরাজি আজ রোববার দুপুরের পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে এসে লাশ শনাক্ত করেন। তারা জানান, নিহত ইয়াছমিন আক্তার সোমার স্বামীর নাম আবুল কালাম। তাদের সাফায়েত নামে ১০ বছরের একটি সন্তান রয়েছে। তারা রাজধানীর নারিন্দায় একটি বাসায় থাকতেন।

ছয়-সাত মাস আগে বাসার গৃহকর্মীর সঙ্গে আবুল কালামের অনৈতিক সম্পর্ক দেখে ফেলে সোমা। এ নিয়ে তাদের মধ্যে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। পরে স্বামী তার সন্তানকে নিয়ে অন্যত্র চলে যায়।

পরে সোমা বেশ কয়েকদিন আগে বোন নাসরিনের বাসা সাভারে গিয়ে ওঠেন। তারা বলেন, গত শুক্রবার সকালে কাপড়-চোপড় আনার কথা বলে সাভার থেকে ঢাকায় যান সোমা। ওইদিন সন্ধ্যার পর থেকে তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। তাকে আর পাওয়া যায়নি।

হোটেল কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে এসআই আব্দুল জলিল জানান, আবুল কালাম তার ছেলেকে নিয়ে গত সোমবার ওই হোটেলের ২৩৪ নম্বর কক্ষে ওঠেন। হোটেল কর্তৃপক্ষকে তিনি বলেন, তার স্ত্রী রাগ করে কোথায় যেন চলে গেছে, তিনি তাকে খুঁজতে এসেছেন। পরবর্তীতে তার স্ত্রীকে পাওয়া গেছে এবং স্ত্রী আসবেন জানিয়ে রুম পরিবর্তন করে ছেলেসহ ২২৭ নম্বর রুমে ওঠেন আব্দুল জলিল। পরে ইয়াসমিন আক্তার সোমা ওই হোটেলে যান। সেখানে কোনো এক সময় আব্দুল জলিল তার সন্তানকে নিয়ে পালিয়ে যান। গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় হোটেল বয় তাদের রুম পরিস্কারের জন্য গিয়ে দেখতে পান ইয়াসমিন নিচে পড়ে আছেন। বিষয়টি হোটেল কর্তৃপক্ষকে জানালে তারা বিষয়টি পুলিশকে অভিহিত করেন।

পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘পরে আমরা গিয়ে মেয়েটির মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠাই। তখন ওই নারীর পরিচয় পাওয়া যায়নি। আজ রোববার দুপুরে তাদের স্বজনরা মর্গে এসে লাশ শনাক্ত করেন।’

advertisement
Evaly
advertisement