advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

আমেরিকান নির্বাচনে আলোচিত যত রিপাবলিকান

আজহারুল ইসলাম অভি
১৯ অক্টোবর ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ১৮ অক্টোবর ২০২০ ২১:৩১
advertisement

সামনেই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আমেরিকার নির্বাচন। আমেরিকায় বর্তমানে ক্ষমতায় আছেন রিপাবলিকান দলের সদস্য ডোনাল্ড ট্রাম্প। এবারের নির্বাচনেও লড়ছেন তিনি। আমাদের এবারের আয়োজনে থাকছে বিশ্বব্যাপী রিপাবলিকান দলের আলোচিত কয়েক প্রার্থীর কথা যারা পরবর্তী সময় রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। বিস্তারিত

জানাচ্ছেন- আজহারুল ইসলাম অভি

কেলেঙ্কারিতে জর্জরিত

ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প শুরু থেকেই সমালোচিত। শুরু থেকেই বিতর্কিত এই মিলিয়নিয়ার। মনোনয়ন না পেলে দাঙ্গা হবে বলে হুশিয়ারি দেন ট্রাম্প। প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী হলেও চরম বিতর্কিত ট্রাম্প। তার বিরুদ্ধে কর ফাঁকির অভিযোগও রয়েছে। তা ছাড়া ক্রাইম সিন্ডিকেটেও তার হাত রয়েছে। ব্যক্তিগত জীবনেও ট্রাম্প চরমভাবে বিতর্কিত। তিনটি বিয়ে করা ট্রাম্প নানা নারী কেলেঙ্কারিতে জড়িত। অবশ্য তিনি উল্টো এসব সমালোচনার বিপক্ষে দাঁড়িয়ে বলেছেন, সেই নারীদের বিরুদ্ধে মামলা ঠুকবেন।

ডোনাল্ড ট্রাম্প

ডোনাল্ড ট্রাম্প সিনিয়র যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫তম রাষ্ট্রপতি। এ ছাড়া একজন ধনাঢ্য ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারী, বিশিষ্ট সামাজিক ব্যক্তিত্ব, লেখক হিসেবে আলোচিত। তিনি দ্য ট্রাম্প অর্গানাইজেশনের পরিচালক ও ট্রাম্প এন্টারটেইনমেন্ট রিসোর্টের প্রতিষ্ঠাতা। ১৯৭১ সালে ট্রাম্প তার পিতার প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণভার গ্রহণ করেন এবং প্রতিষ্ঠানটির নাম পরিবর্তন করে ‘দ্য ট্রাম্প অর্গানাইজেশন’ রাখেন। ট্রাম্প বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের রিয়েল এস্টেট ব্যবসা ও মিডিয়া তারকাদের মধ্যে অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব। ট্রাম্প ২০১৫ সালের ১৬ জুন রিপাবলিকান পার্টির অধীন ২০১৬ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তার মনোনয়ন প্রার্থিতা ঘোষণা করেন। ট্রাম্প তার আগের প্রচার কর্মকা- দিয়ে মিডিয়ার দৃষ্টি আকর্ষণ ও জনসমর্থন অর্জনে সক্ষম হন। জুলাই ২০১৫ থেকে রিপাবলিকান পার্টির জনমত নির্বাচনের মনোনয়নের ক্ষেত্রে পছন্দের দিক থেকে তিনি ধারাবাহিকভাবে প্রথম সারিতে অবস্থান করছেন। ২০১৬ সালের ৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে তিনি ৩০৬টি ইলেকটোরাল ভোট পেয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। ট্রাম্প স্ববিরোধী পন্থায় বিভিন্ন সময় তার রাজনৈতিক বিষয়ক পা-িত্য ও অবস্থান বর্ণনা করেছেন। পলিটিকো ট্রাম্পের রাজনৈতিক অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন ‘সারগ্রাহী, তাৎক্ষণিক উদ্ভাবনকারী ও প্রায়ই স্ববিরোধী’ হিসেবে।

রোনাল্ড রিগান

রোনাল্ড রিগান যুক্তরাষ্ট্রের ৪০তম রাষ্ট্রপতি। তার উপরাষ্ট্রপতি ছিলেন জর্জ এইচডব্লিউ বুশ। ১৯৮১-এর ২০ জানুয়ারি থেকে ১৯৮৯ সালের ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত তিনি ক্ষমতায় ছিলেন।

ক্যালভিন কুলিজ

জন ক্যালভিন কুলিজ জুনিয়র ছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩০তম প্রেসিডেন্ট। তিনি ১৯২৩ থেকে ১৯২৯ সাল পর্যন্ত প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯২০ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২৯তম ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের তিন বছর পর ১৯২৩ সালে ওয়ারেন জি. হার্ডিংয়ের আকস্মিক মৃত্যুর পর তিনি প্রেসিডেন্ট হন।

জর্জ এইচডব্লিউ বুশ # জর্জ ডব্লিউ বুশ

জর্জ এইচডব্লিউ বুশ : জর্জ হারবার্ট ওয়াকার বুশ ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ৪১তম রাষ্ট্রপতি। তিনি বৈদেশিক নীতির ক্ষেত্রে দক্ষ একজন কূটনীতিক ছিলেন। স্নুায়ুযুদ্ধের শেষ দিকে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ব্রেন্ট স্কুক্রফট ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেমস বেকারকে সঙ্গে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ রক্ষা করেছিলেন তিনি। যেখানে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে যায়। জর্জ এইচডব্লিউ বুশ ১৯৮৯ থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত মার্কিন প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করেন। দ্বিতীয় মেয়াদের জন্য নির্বাচনে তিনি ডেমক্র্যাটিক প্রার্থী বিল ক্লিনটনের কাছে হেরে যান। পরে তার ছেলে জর্জ ডব্লিউ বুশ ২০০১ সাল থেকে দুই দফায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন।

জর্জ ওয়াকার বুশ : জন্ম : জুলাই ৬, ১৯৪৬। যুক্তরাষ্ট্রের ৪৩তম রাষ্ট্রপতি। তিনি ২০০১ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ২০০০ ও ২০০৪ সালের যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে রিপাবলিকান দলের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজয়ী হন। এর আগে তিনি ১৯৯৫ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের ৪৬তম প্রশাসক বা গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর ১৩০ কোটি ডলার কর মওকুফ করেন এবং ‘কোনো শিশু আইনের বাইরে থাকবে না’ শীর্ষক আইন প্রণয়ন করে বিশেষ আলোচিত হন। ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার বিধ্বস্ত হওয়ার পর তিনি বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ ঘোষণা করেন। এরই ধারাবাহিকতায় আফগানিস্তানের তালেবান সরকারকে উৎখাত করার জন্য সে দেশে আগ্রাসন চালান। মূল উদ্দেশ্য ছিল আল কায়েদা ধ্বংস করে ওসামা বিন লাদেনকে আটক করা। ২০০৩ সালের মার্চে বুশ ইরাক দখলের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন। যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা অজুহাত দেখিয়ে ইরাক দখল করলেও সেখানে কোনো গণবিধ্বংসী অস্ত্র পাওয়া যায়নি। তার ঘোষণা মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে।

যুদ্ধবাজ বুশ পরিবার : ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে দায়িত্ব সামলে জনপ্রিয়তা লাভের পর প্রেসিডেন্ট পদে লড়াইয়ে নেমে বিপুল ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন ওয়াকার বুশ। তবে ১৯৮০-এর দশকে রাশিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের স্নায়ুযুদ্ধের ইতি ঘটান বুশ সিনিয়রই। নির্বাচনে জয়লাভের পর বুশ সিনিয়র যুদ্ধবাজ হিসেবে আবির্ভূত হন। মধ্য আমেরিকার দেশ পানামায় সামরিক বাহিনী পাঠিয়ে সেখানকার যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী সামরিক শাসক ম্যানুয়াল নরিয়েগাকে ক্ষমতাচ্যুত করেন। ১৯৯০ সালে ইরাকের সাদ্দাম হোসেন সরকার কুয়েত দখলের চেষ্টা চালালে এর বিরুদ্ধে অবস্থান নেন ওয়াকার বুশ। পরের বছর ইরাকে এককভাবেই সামরিক আগ্রাসন চালায় যুক্তরাষ্ট্র। ইরাকি বাহিনী কুয়েত ছেড়ে গেলেও ওয়াকার বুশের নির্দেশে মার্কিন সামরিক বাহিনী বাগদাদের দিকে অগ্রসর হয়। এই যুদ্ধের পর তার জনপ্রিয়তায় ধস নামে। সারাবিশ্বে তার বিরুদ্ধে বৈরী মনোভাব তৈরি হয়। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের জনগণও বুশের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে শুরু করে। কারণ দেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা এড়িয়ে আন্তর্জাতিক পরিম-লে নাক গলানোর ফল হিসেবে ১৯৯২ সালের নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট পার্টির বিল ক্লিনটনের কাছে ওয়াকার বুশ হেরে গিয়েছিলেন বলে ধারণা করা হয়।

রিচার্ড নিক্সন

রিচার্ড নিক্সন যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭তম রাষ্ট্রপতি। তিনি ১৯৬৯ থেকে ১৯৭৪ সাল পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে তিনি রিপাবলিকান ইউএসের সিনেটর হিসেবে এবং ১৯৫৩ থেকে ১৯৬১ সাল পর্যন্ত ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারির মুখে পদত্যাগ করেছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে এখন পর্যন্ত নিক্সনই হলেন প্রথম এবং একমাত্র প্রেসিডেন্ট, যিনি পদত্যাগ করেছিলেন। ১৯৭৪ সালের আগস্ট মাস। আমেরিকান সমাজ-রাজনীতিতে তৈরি হয়েছে গভীর বিভক্তি- যার কারণ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় মার্কিন পররাষ্ট্রনীতি, সংকট চলছে অর্থনীতিতেও। কংগ্রেসের একটা বড় অংশ চলে গেছে প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সনের বিরুদ্ধে। জনমতও তার বিপক্ষে।

সেই গ্রীষ্মকালে সবার চোখ প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সনের দিকে। সবাই জানতে চায় ওয়াশিংটনের ওয়াটারগেট কমপ্লেক্সে বিরোধী দল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির অফিসে গোপনে অনুপ্রবেশ এবং টেলিফোনে আড়িপাতার ঘটনার ব্যাপারে তিনি কতটুকু জানতেন বা জানতেন না। তখন আড়াই বছর ধরে প্রতিনিয়ত সংবাদমাধ্যমে নানা রকমের তথ্য ফাঁস হচ্ছে। আগস্ট মাসের প্রথম সপ্তাহে এসে ব্যাপারটা একেবারে চরমে উঠে গেল। টম ডে ফ্রাংক বলেছিলেন, আগস্টের পাঁচ তারিখ সোমবার হোয়াইট হাউস সেদিন তিনটি টেপ রেকর্ড করা কথোপকথনের হুবহু বিবরণী প্রকাশ করল। নিক্সন এগুলো গোপন রাখতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সুপ্রিমকোর্ট সর্বসম্মতভাবে রায় দিল যে, এগুলো প্রকাশ করতে হবে। আর ওই কথোপকথনের বিবরণী সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করল যে, এসব ঘটনায় প্রেসিডেন্ট নিক্সনের কোনো ভূমিকাই ছিল না বলে তিনি যা বলেছিলেন তা ছিল মিথ্যা। প্রেসিডেন্ট নিক্সন বলেছিলেন যে, ডেমোক্র্যাটিক পার্টি অফিসে আড়িপাতার ঘটনার তিনি কিছুই জানতেন না। কিন্তু সেই বিবরণী থেকে বোঝা গেল যে, প্রেসিডেন্ট নিক্সন মিথ্যা বলেছেন। এখন তিনি যদি পদত্যাগ না করেন তা হলে মার্কিন কংগ্রেসে তাকে ইমপিচমেন্ট বা অভিশংসন করা হবে।

তিন দিন পর আগস্টের আট তারিখ দুপুরবেলা হোয়াইট হাউসে নিক্সনের প্রেস সচিব এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে বললেন, সেদিনই রাত আটটায় প্রেসিডেন্ট নিক্সন ওভাল অফিস থেকে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন। তখনই এটা স্পষ্ট হয়ে গেল যে, এই ভাষণে মূলত তিনি পদত্যাগের কথাই ঘোষণা করবেন। তাই হলো। রিচার্ড নিক্সন ভাষণে বললেন, আমি কখনো দায়িত্ব ছেড়ে চলে যাওয়ার লোক নই, কিন্তু প্রেসিডেন্ট হিসেবে আমার আমেরিকার স্বার্থকেই সবার ওপর স্থান দিতে হবে। কাজেই আমি পদত্যাগ করতে যাচ্ছি- যা আগামীকাল দুপুর থেকে কার্যকর হবে।

জেরাল্ড ফোর্ড

জেরাল্ড ফোর্ড যুক্তরাষ্ট্রের ৩৮তম রাষ্ট্রপতি। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের ২৫তম সংশোধনীর অধীনে উপরাষ্ট্রপতির পদ লাভকারী প্রথম ব্যক্তি এবং এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে একমাত্র রাষ্ট্রপতি, যিনি রাষ্ট্রপতি বা উপরাষ্ট্রপতি- কোনো পদেই নির্বাচিত হননি। তিনি ৪০তম উপরাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ঠা-া যুদ্ধের সময় হেলসিঙ্কি চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য তিনি বিখ্যাত। ২০০৬ সালের ২৭ ডিসেম্বর জেরাল্ড ফোর্ড মৃত্যুবরণ করেন।

ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩৪তম প্রেসিডেন্ট। তিনি ১৯৫৩ থেকে ১৯৬১ সাল পর্যন্ত প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তিনি মার্কিন সেনাবাহিনীর একজন পাঁচ তারকাবিশিষ্ট জেনারেল ছিলেন। ইউরোপে মিত্র সেনাবাহিনীর ত্বরিত শক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়ক (ঝঁঢ়ৎবসব ঈড়সসধহফবৎ) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৫১ সালে তিনি নেটোর প্রথম সর্বাধিনায়ক নির্বাচিত হন। তিনি ১৯৫২ সালে রিপাবলিকান পার্টির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ‘সাম্যবাদ, কোরিয়া ও দুর্নীতি’র বিরুদ্ধে প্রচারণা চালান এবং বিপুল ভোটে নির্বাচিত হন। ঠা-া যুদ্ধে সোভিয়েত প্রজাতন্ত্রের ওপর চাপ বৃদ্ধি করা ও কেন্দ্রীয় সরকারের বাজেট ঘাটতি কমানো ছিল তার প্রশাসনের মূল দুই লক্ষ্য।

হার্বার্ট হুভার

হার্বার্ট হুভার ছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩১তম প্রেসিডেন্ট। তিনি ১৯২৯ থেকে ১৯৩৩ সালে মহামন্দাকালীন প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করেন। মহামন্দার কারণে প্রেসিডেন্ট হিসেবে তার পদক্ষেপগুলো ঢাকা পড়ে যায়। ১৯৩২ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তিনি ডেমোক্র্যাটিক পার্টির ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্টের কাছে পরাজিত হন।

advertisement
Evaly
advertisement