advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

চার মিনিটের মধ্যেই অস্ত্রবিরতি ভ-ুল

আজারবাইজান আর্মেনিয়া যুদ্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১৯ অক্টোবর ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ১৮ অক্টোবর ২০২০ ২১:৩৬
advertisement

বিরোধপূর্ণ নাগোরনো-কারাবাখ অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যে অস্ত্রবিরতি নির্ধারিত সময়ের চার মিনিট যেতে না যেতেই তা ভেস্তে গেছে। এক পক্ষ আরেক পক্ষের বিরুদ্ধে অস্ত্রবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ আনছে। ঠিক একইভাবে গত শনিবারও অস্ত্রবিরতির সমঝোতা হলেও কয়েক মিনিটের মধ্যেই তা ভেস্তে যায়। খবর বিবিসি।

প্রতিবেশী দেশ দুটির মধ্যে যুদ্ধ ক্রমাগত তীব্র হয়ে উঠছে। সব যুদ্ধের মতো এ যুদ্ধের অভিঘাত এসে পড়েছে সাধারণ নাগরিকদের ওপর। ইতোমধ্যে অনেকেই বাস্তুচ্যুত হয়েছে। এর মধ্যে জরুরি ভিত্তিতে গত শনিবার মধ্যরাত থেকে অস্ত্রবিরতি কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। তবে আর্মেনিয়ার দাবি, এটি কার্যকর হওয়ার মাত্র চার মিনিটের মাথায় আর্টিলারি শেল ও রকেট ছুড়ে তা লঙ্ঘন করেছে আজারবাইজান। এর আগে শনিবার সকালে আর্মেনিয়ার ছোড়া গোলার আঘাতে আজারবাইজানের অন্তত ১২ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হন। পরে উভয় পক্ষ চুক্তিতে সম্মত হলেও সংঘর্ষ অব্যাহত থাকে।

এদিকে আর্মেনিয়ার আরও একটি এসইউ-২৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে আজারবাইজান। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গতকাল রবিবার আজেরি ভূখ-ে গুলি করে যুদ্ধবিমানটি ভূপাতিত করা হয়। আগের দিন শনিবারও আর্মেনিয়ার একটি এসইউ-২৫ যুদ্ধবিমান গুলি করে ভূপাতিত করার কথা জানায় আজারবাইজান। রবিবার আজেরি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, স্থানীয় সময় রবিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আর্মেনীয় বিমানটি জাবরাঈল এলাকায় আজেরি ভূখ-ে বিমান হামলা চালানোর চেষ্টা করছিল। এ সময় সেটি গুলি করে ভূপাতিত করা হয়। আজারবাইজানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্টদের দেওয়া বিবৃতির ওপর ভিত্তি করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আর্মেনিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আন্না নাঘদালিয়ানও এক টুইট বার্তায় একই রকম বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেন, তার দেশ ‘যুদ্ধবিরতি ও উত্তেজনা’ প্রশমনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে।

অস্ত্রবিরতি সংক্রান্ত খবরে বলা হয়, দুই দেশই মানবিক কারণে যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত বলা হয়নি। এর আগে গত সপ্তাহে রাশিয়ার মধ্যস্থতায় দুই দেশ অস্ত্রবিরতিতে রাজি হয়। ওই অস্ত্রবিরতির শর্ত ছিল মানবিক সহায়তার সুযোগ দেওয়া ও হতাহতের ফেরত দেওয়া। কিন্তু তা বাস্তবায়ন হয়নি। উল্লেখ্য, ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া এ যুদ্ধে এখন পর্যন্ত সাতশর বেশি লোক নিহত হয়েছে। যাদের মধ্যে সাধারণ নাগিরকও রয়েছে।

advertisement
Evaly
advertisement