advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

আমিরাতের মন্ত্রীর বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক
১৯ অক্টোবর ২০২০ ২০:০৬ | আপডেট: ১৯ অক্টোবর ২০২০ ২১:০৯
সংযুক্ত আরব আমিরাতের মন্ত্রী ও রাজপরিবারের সদস্য শেখ নাহিয়ান বিন মুবারক আল নাহিয়ান
advertisement

সংযুক্ত আরব আমিরাতের মন্ত্রী ও রাজপরিবারের সদস্য শেখ নাহিয়ান বিন মুবারক আল নাহিয়ানের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। আন্তর্জাতিকভাবে সুপরিচিত সাহিত্য ও শিল্প উৎসব ‘হে ফেস্টিভ্যাল’-এর এক কর্মী কেইটলিন ম্যাকনামারা (৩২) এই অভিযোগ তুলেছেন। তিনি দাবি করেন, শেখ নাহিয়ান এ বছরের শুরুর দিকে তার ওপর যৌন হামলা চালান এবং তিনি এর জন্য আইনি পদক্ষেপ নিচ্ছেন। তবে ৬৯ বছর বয়সী শেখ নাহিয়ান এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বলে আজ সোমবার বিবিসি'র প্রতিবেদনে বলা হয়।

লন্ডনের দ্য সানডে টাইমস পত্রিকাকে ম্যাকনামারা জানান, গত ১৪ ফেব্রুয়ারি আবুধাবির প্রত্যন্ত অঞ্চলে একটি ব্যক্তিগত মালিকানাধীন দ্বীপের আবাসিক অট্টালিকায় এ ঘটনা ঘটে। সেখানে ভুক্তভোগী ম্যাকনামারাকে ডেকে পাঠানো হয়েছিল। ম্যাকনামারা ভেবেছিলেন ২৫ ফেব্রুয়ারি থেকে অনুষ্ঠিতব্য ওই উৎসব নিয়ে কথা বলার জন্য তাকে ডেকে পাঠানো হয়।

ম্যাকনামারা বলেন, তার ওপর নির্যাতনের ওই ঘটনার পরপরই তিনি বিষয়টি তার চাকুরিদাতা প্রতিষ্ঠান এবং দেশটিতে দূতাবাসের কর্মকর্তাদের জানিয়েছিলেন। ব্রিটেনে করোনাভাইরাস লকডাউন প্রত্যাহারের পর তিনি কেন্ট এলাকার পুলিশ স্টেশনে গিয়েও ঘটনাটি জানান।

সানডে টাইমস পত্রিকার খবরে বলা হয়েছে, ব্রিটেনের সরকারি কৌঁসুলি বিভাগ (ক্রাউন প্রসিকিউশন সার্ভিস) এই মামলা নেবে কিনা, তা জানার জন্য ম্যাকনামারা অপেক্ষা করছেন। তিনি বলেন, ‘আমি এটা করতে চেয়েছি, কারণ তার মতো ক্ষমতাশালী ব্যক্তিরা কী করতে পারেন সেটা আমি জানাতে চাই। তারা মনে করেন এ ধরনের কাজ করতে পারেন এবং পার পেয়ে যেতে পারেন।’

ম্যাকনামারা আরও বলেন, ‘তার বাসভবন যেভাবে সাজানো তা থেকে এটা স্পষ্ট যে আমি প্রথম নারী নই এবং আমি শেষ নারীও নই। ওই ঘটনা আমার ওপর বিশালভাবে মানসিক ও শারীরিক প্রভাব ফেলেছে। কিন্তু তার জন্য হয়ত এটা নিছক একটা খামখেয়ালির মতো।’

সানডে টাইমস বলছে এই অভিযোগ সম্পর্কে শেখ নাহিয়ানের বক্তব্য জানতে চাওয়া হলে তিনি কোনো উত্তর দেননি।

হে ফেস্টিভ্যালের সভাপতি ক্যারোলাইন মিশেল টুইটারে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেন, ‘আমাদের সহকর্মী ও বন্ধু কেইটলিন ম্যাকনামারার সাথে গত ফেব্রুয়ারিতে আবুধাবিতে যে ঘটনা ঘটেছে সেটা তার ও তার পদমর্যাদার প্রতি আস্থার ন্যক্কারজনক লঙ্ঘন এবং একটা ঘৃণ্য নির্যাতনের ঘটনা।’

advertisement
Evaly
advertisement