advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস আজ
চাপে নতুন সড়ক আইন

ফেরেনি শৃঙ্খলা # বেড়েছে মৃত্যু-দুর্ঘটনা # জরিমানার ভয়ে কমেছে ট্রাফিক নিয়ম ভঙ্গ

তাওহীদুল ইসলাম
২২ অক্টোবর ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ২২ অক্টোবর ২০২০ ০১:১৮
advertisement


দেশের সব সড়ক নিরাপদ করতে এবং যানবাহন চলাচলে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সড়ক পরিবহন আইন আধুনিক ও যুগোপযোগী করার দাবি ছিল দীর্ঘদিন। অনেক চড়াই-উতরাই পেরিয়ে শেষ পর্যন্ত গত বছর কার্যকর হয় নতুন সড়ক পরিবহন আইন। আসছে নভেম্বরে এ আইন কার্যকরের এক বছর পূর্ণ হবে; কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছেÑ গাড়ির বেপরোয়া চলাচল বন্ধ হয়নি। পরিবহন খাতের নৈরাজ্য দূর হয়নি। সর্বোপরি যাত্রী, চালক, পথচারীর জীবন নিরাপদ হয়নি। কেন? কারণ আইনটি বাস্তবে কার্যকর হয়নি। নতুন আইন অনুযায়ী অপরাধীদের শাস্তি দেওয়া হচ্ছে না বা যাচ্ছে না; ফিটনেসবিহীন গাড়ি অথবা লাইসেন্সবিহীন চালকেরও যথাযথ শাস্তি হচ্ছে না; সড়ক হচ্ছে না নিরাপদ, ফিরছে না শৃঙ্খলা।
অভিজ্ঞতা থেকে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পরিবহন নেতারা আন্দোলন ডেকে দেশব্যাপী যাত্রী ও পণ্যবাহী যান চলাচল বন্ধ করে দিয়ে নতুন এক সংকট সৃষ্টি করতে পারেনÑ এ ভয়ে পুরোপুরি কার্যকর হচ্ছে না নতুন সড়ক আইন।
এহেন পরিস্থিতিতে দেশব্যাপী আজ পালন হতে যাচ্ছে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস। দিবসটির প্রাক্কালে গতকাল দেওয়া বিবৃতিতে বাংলাদেশ যাত্রীকল্যাণ সমিতি বলেছে, বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানো এবং বিপজ্জনক ওভারটেক বেড়ে যাওয়ার কারণে সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহতের সংখ্যা বাড়ছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, সমিতি মনে করে, ‘সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮’ বাস্তবায়নের পরও সড়কে কাক্সিক্ষত উন্নয়ন লক্ষ করা যায়নি। বিশৃঙ্খলা, অরাজকতা, ভাড়া নিয়ে নৈরাজ্য ও যাত্রী হয়রানি আগের মতোই আছে। বিবৃতিতে নিরাপদ সড়ক শুধু দিবসের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করার নির্বাচনী অঙ্গীকার জরুরি ভিত্তিতে বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে যাত্রীকল্যাণ সমিতি।
পরিসংখ্যান বলছে, সড়কে নিয়ম ভঙ্গের মামলা কমলেও মৃত্যু, দুর্ঘটনা কমেনি। আছে আইন প্রয়োগে দুর্বলতা ও শিথিল করার চাপ। শ্রমিক, চালকরা এখনো নিয়োগপত্র পাননি। দুর্ঘটনায় হতাহতদের ক্ষতিপূরণ দিতে হয়নি তহবিল গঠন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দৃশ্যমান কিছু কিছু পরিবর্তন ও উন্নতি হলেও সড়কে নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা অর্জন এখনো বহুদূর।
এদিকে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসের বিষয়টি গত বছর মেনে নিলেও এবার তা মানতে নারাজ অনেক পরিবহন নেতা। তারা ইলিয়াস কাঞ্চনের স্ত্রী জাহানারা কাঞ্চনের মৃত্যুদিবসে ‘নিরাপদ সড়ক দিবস’ মানার পরিবর্তে অন্য একটি দিন নির্ধারণে আগ্রহী। এ কারণে বিআরটিএ কার্যালয়ে আজ অনুষ্ঠেয় বৈঠকে অংশ নিতে গতকাল পর্যন্ত অনীহা প্রকাশ করেছেন তারা। সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি শাজাহান খানের বিরুদ্ধে মামলা করায় ইলিয়াস কাঞ্চনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছেন শ্রমিক নেতারা। বিআরটিএ ভবনের অনুষ্ঠানের মঞ্চে ইলিয়াস কাঞ্চন থাকলে তাতে যোগ দিতে পর্যন্ত নারাজ পরিবহন নেতারা।
অন্যদিকে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনের চেয়ারম্যান চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন মনে করেন, পরিবহন নেতারা সড়ক আইন মানতে এখনো আন্তরিক নন। তিনি বলেন, নেতারা দফায়-দফায় বৈঠক করেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেও আলটিমেটাম দেন। দেশের সড়ক নিরাপদ করতে সবার আন্তরিকতার উপর গুরুত্বারোপ করেন এ চিত্রনায়ক।
সাত বছর ঝুলে থাকার পর শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে পাস হলেও নানা চাপে সড়ক আইন পুরোপুরি প্রয়োগ করা যাচ্ছে না। আইন প্রয়োগের জটিলতা সুরাহার দায়িত্বে থাকা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের সঙ্গে গত নভেম্বরে পরিবহন মালিক শ্রমিক নেতাদের বৈঠকে জরিমানা ছাড়া ফিটনেস সনদ নেওয়ার সময় ৩০ জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল। পরে তা বেড়ে ৩১ ডিসেম্বর হয়। শিথিল করা শর্তে পেশাদার চালকের লাইসেন্স দেওয়ার সুযোগ বাড়ানো হয়েছে আগামী বছরের জুন পর্যন্ত। তার আগে পর্যন্ত মিনিবাস চালানোর লাইসেন্সধারী চালক ভারী ট্রাক চালালেও মামলা হবে না। ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত স্থগিত রয়েছে কর পরিশোধের ধারাও।
শুরু থেকেই পরিবহন মালিক শ্রমিকরা বলছেন, আইনে তাদের স্বার্থ রক্ষা হয়নি। মালিক শ্রমিকের ওপর জেল-জরিমানার বোঝা চাপানো হয়েছে। সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ওসমান আলী বলেছেন, আইনে ১০ থেকে ৫০ গুণ জরিমানা বাড়ানো হয়েছে। একজন শ্রমিক এত টাকা কোথায় পাবে?
আইন শিথিলসহ ৯ দাবিতে ৪৮ ঘণ্টার ধর্মঘট ডেকে দাবি পূরণের আশ^াস পেয়ে কর্মসূচি স্থগিত করে ট্রাক-কাভার্ডভ্যান মালিক-শ্রমিক সমন্বয় পরিষদ। পরিষদের সদস্য সচিব তাজুল ইসলাম বলেছেন, সড়কে মৃত্যুর ঘটনায় চালকের বিরুদ্ধে ৩০২ ধারায় মামলার সুযোগ তারা বাতিল চান। এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছ থেকে আশ^াস পেয়েছেন।
আসাদুজ্জামান খান বলেছেন, আইন সংশোধন করতে হলে সংসদে যেতে হবে। আইনের কিছু ধারা শিথিল ও সংশোধনের দাবি জানিয়েছেন পরিবহন মালিক-শ্রমিকরা। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে কিছু ধারার প্রয়োগ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।
শিক্ষার্থীদের নজিরবিহীন আন্দোলনে পাস হওয়া বহুল আলোচিত ‘সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮’ কার্যকরের পর জরিমানার ভয়ে ট্রাফিক নিয়ম ভঙ্গ কমেছে। পরিবহন চালক, মালিকরা আগের চেয়ে নিয়মানুবর্তী। লাইসেন্সবিহীন চালক খুব একটা নেই। ভাঙাচোরা গাড়িরও ফিটনেস সনদ আছে। সড়কে শৃঙ্খলা রক্ষায় মাঠপর্যায়ে কাজ করা পুলিশ কর্মকর্তাদের এ অভিমত। পথে নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বেড়েছে বলে দাবি সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষেরও।
তেজগাঁও ট্রাফিক জোনের সার্জেন্ট রইস জানালেন, পুরনো আইনে দিনে পাঁচ থেকে সাতটি মামলা করতেন। নতুন আইন প্রয়োগ শুরুর পর দিনে গড়ে দুটি মামলা করেন। তার ভাষ্য, শুধু লাইসেন্স ও ফিটনেস সনদ নয়, জরিমানার ভয়ে লেন মানাতেও আগের চেয়ে সচেতন চালকরা। উল্টোপথে গাড়ি খুব একটা চলে না। তল্লাশিতে প্রায় সব গাড়ির রেজিস্ট্রেশন ও ট্যাক্স টোকেনের কাগজ হালনাগাদ পাওয়া যায়।
আগের আইনে লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি চালানোর জরিমানা ছিল ৫০০ টাকা। গত ১ নভেম্বর কার্যকর হওয়া আইনে তা বেড়ে হয়েছে সর্বোচ্চ ২৫ হাজার টাকা।
আগের আইনে রেজিস্ট্রেশনবিহীন গাড়ি চালানোর জরিমানা ছিল দুহাজার টাকা। এখন তা ৫০ হাজার টাকা। ফিটনেসবিহীন গাড়ি চালানোর জরিমানা দুহাজার থেকে বেড়ে ২৫ হাজার টাকা হয়েছে। সড়কে সরাসরি আইনের প্রয়োগ করা পুলিশ সার্জেন্টরা বলছেন, জরিমানা বাড়ায় হেলমেটিবিহীন চালক ও নিবন্ধনহীন গাড়ি আর নেই।
সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব ক্ষেত্রে পরিবর্তন এলে মূল জায়গা এখনো নড়বড়ে। ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৪৫ লাখ ৬৪ হাজার নিবন্ধিত গাড়ির বিপরীতে লাইসেন্সধারী চালক ২৭ লাখ ৬৭ হাজার ৬৪৯টি। দরপত্র জটিলতায় লাইসেন্স প্রিন্ট পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে ৯ লাখ ১৩ হাজার ২৫৮ জন। সবমিলিয়ে চালক সংকট প্রায় ৯ লাখ। কিন্তু আবেদন জমে আছে কয়েক লাখ। কিন্তু সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) দুবছর ধরে ড্রাইভিং লাইসেন্স দিতে পারছে না। পেশাদার চালকদের লাইসেন্সের শ্রেণি পরিবর্তন হচ্ছে না।
সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্যাহ বলেছেন, আইন কার্যকরের পর সড়ক আগের চেয়ে সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ হয়েছে। তা মালিক শ্রমিকদের সচেতনতা ও সহযোগিতায় হয়েছে। মালিক শ্রমিকরা আইন বা নিরাপদ সড়কের বিরোধী নয়। দুর্ঘটনায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয় মালিক শ্রমিক। তাদের স্বার্থ পরিপন্থী আইন হলে মূল লক্ষ্য অর্জিত হবে না।
বিআরটিএ চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ মজুমদার বলছেন, একদিনে শৃঙ্খলা আনা সম্ভব নয়। তবে শৃঙ্খলা ফেরানোর পথে যাত্রা শুরু হয়েছে। শুধু মালিক শ্রমিক নয়, যাত্রী পথচারী সবাইকে সচেতন হতে হবে।
পরিসংখ্যানও একই কথা বলছে। নিরাপদ সড়কের দাবিতে দুযুগ ধরে আন্দোলন করা ইলিয়াস কাঞ্চনের নেতৃত্বাধীন সংগঠন নিসচার হিসাবে ২০১৯ সালে চার হাজার ৭০২টি দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে পাঁচ হাজার ২২৭ জনের। এসসিআরএফ নামের আরেকটি সংগঠনের হিসাবে, আইন কার্যকরের পর চলতি বছরের প্রথম আট মাসে সড়কে প্রাণ গেছে তিন হাজার ৭৫ জনের। করোনার কারণে ২৫ মার্চ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত ৬৮ দিন যান চলাচল বন্ধ থাকার দিনগুলো বাদ দিলে, আইনের আগে পরে মৃত্যুর সংখ্যায় হেরফের হয়নি।
আইন কার্যকরের আগে ফিটনেসবিহীন গাড়ি ছিল ৪ লাখ ৩ হাজার ৫৩৩টি। ৩১ আগস্ট পর্যন্ত তা বেড়ে হয়েছে পাঁচ লাখ ৭ হাজার। তবে মামলা কমেছে। আগে গড়ে রাজধানীতে দিনে সাত হাজার মামলা হতো ট্রাফিক আইনে। ঢাকা মহানগর পুলিশ মামলার সংখ্যা প্রকাশ না করলেও সূত্র জানিয়েছে, পয়েন্ট অব সেল (পওস) মেশিনে জরিমানা চালুর পর এখন দিনে এখন হাজারখানেক মামলা হচ্ছে।
প্রায় তিন লাখ বাস ও পণ্যবাহী যানবাহনের অধিকাংশে আকার, উচ্চতা, আসন ‘ব্লু বুক’র চেয়ে বেশি। বছরের পর বছর এসব যানবাহন ফিটনেস পেয়েছে। দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত গাড়ির আকৃতি পরিবর্তনের সাজা সর্বোচ্চ তিন বছরের জেল ও তিন লাখ টাকা জরিমানা। প্রায় সব গাড়িই নিয়ম না মানায় এখন আইন প্রয়োগ করা যাচ্ছে না।
দিবসের কর্মসূচি : করোনার কারণে এবার নিরাপদ সড়ক আয়োজন অনেক সীমিত। বেলা ১১টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও লিঙ্কের মাধ্যমে পরিবহন মালিক, শ্রমিক ও অংশীজনদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দেবেন। তা রাজধানীর টার্মিনালগুলোয় বড় পর্দায় প্রচার করা হবে মালিক শ্রমিকদের উদ্যোগে। বনানীতে বিআরটিএ ভবন থেকে অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

পাঁচ বছরে দেশে দুর্ঘটনায় নিহত ৩৭১৭০
দেশে গত পাঁচ বছরে ২৬ হাজার ৯০২টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে ৩৭ হাজার ১৭০ জন নিহত হয়েছেন ও আহত হয়েছেন ৮২ হাজার ৭৫৮ জন। গতকাল বুধবার বাংলাদেশ যাত্রীকল্যাণ সমিতির এক বিবৃতিতে এসব তথ্য জানানো হয়। জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে তারা এ বিবৃতি দিয়েছে।
বিবৃতিতে তারা দুর্ঘটনার সংক্ষিপ্ত তথ্য তুলে ধরেছে। এতে বলা হয়, ২০১৫ সালে ৬ হাজার ৫৮১টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৮ হাজার ৬৪২ জন নিহত ও ২১ হাজার ৮৫৫ জন আহত হয়েছেন। ২০১৬ সালে ৪ হাজার ৩১২টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৬ হাজার ৫৫ জন নিহত ও ১৫ হাজার ৯১৪ জন আহত হয়েছেন, ২০১৭ সালে ৪ হাজার ৯৭৯টি দুর্ঘটনায় ৭ হাজার ৩৯৭ জন নিহত ও ১৬ হাজার ১৯৩ জন আহত হয়েছেন, ২০১৮ সালে ৫ হাজার ৫১৪টি দুর্ঘটনায় ৭ হাজার ২২১ জন নিহত ও ১৫ হাজার ৪৬৬ জন আহত হয়েছেন এবং ২০১৯ সালে ৫ হাজার ৫১৬টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৭ হাজার ৮৫৫ জন নিহত ও আহত হয়েছেন ১৩ হাজার ৩৩০ জন।
এসব সড়ক দুর্ঘটনার বিষয়ে নিজেদের পর্যবেক্ষণ তুলে ধরে বিবৃতিতে বাংলাদেশ যাত্রীকল্যাণ সমিতি বলেছে, বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানো এবং বিপজ্জনক ওভারটেক বেড়ে যাওয়ার কারণে সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহতের সংখ্যা বাড়ছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, সমিতি মনে করে, সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ বাস্তবায়নের পরও সড়কে কাক্সিক্ষত উন্নয়ন লক্ষ করা যায়নি। বিশৃঙ্খলা, অরাজকতা, ভাড়া নৈরাজ্য ও যাত্রী হয়রানি আগের মতোই আছে। ফলে যাত্রী ভোগান্তি, যানজট ও সড়ক দুর্ঘটনা দিন দিন বেড়েই চলেছে।

advertisement
Evaly
advertisement