advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

কর্মক্ষমতা ধরে রেখেছে ৩.৯ শতাংশ গার্মেন্টস

আমাদের সময় ডেস্ক
২২ অক্টোবর ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ২১ অক্টোবর ২০২০ ২২:৩৯
advertisement

আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) নতুন গবেষণা অনুযায়ী, কোভিড-১৯ সংকট এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের তৈরি পোশাক খাতকে (আরএমজি) মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। বিশেষ করে করোনা মহামারী এ অঞ্চলের পোশাক উৎপাদকারী ১০ বড় দেশ বাংলাদেশ, কম্বোডিয়া, চীন, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, মিয়ানমার, পাকিস্তান, ফিলিপাইন, শ্রীলংকা ও ভিয়েতনামের সাপ্লাই চেইন, কারখানা ও শ্রমিকদের ওপর প্রভাব ফেলছে। সংস্থার ২০২০ সালের মে মাসের নমুনা তথ্য থেকে দেখা যায়, বাংলাদেশি সরবরাহকারীদের মধ্যে কেবল ৩.৯ শতাংশ তাদের পুরো কর্মক্ষমতা ধরে রেখেছে। অন্যদিকে কারখানাগুলোর ৪৩ শতাংশ কম লোকবল দিয়ে অস্থায়ীভাবে বা অনির্দিষ্টকালের জন্য পরিচালিত হচ্ছে। এ ছাড়া বেড়েছে শ্রমিক ছাঁটাইয়ের পরিমাণও।

আইএলও বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর টুওমো পটিয়াইনেন বলেন, সৌভাগ্যজনকভাবে অনেক পোশাক রপ্তানিকারক গত কয়েক মাস ধরে আবারও তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশি এ প্রতিষ্ঠানগুলো এবং এর শ্রমিকদের চলমান মহামারীর বিরুদ্ধে লড়াই করতে হচ্ছে এবং সবার জন্য নিরাপদ পরিস্থিতি

নিশ্চিত করছে। আইএলও কর্মস্থলে সংক্রমণ কমাতে কোভিড-১৯ সম্পর্কিত একটি জাতীয় পেশাগত সুরক্ষা ও স্বাস্থ্য (ওএসএইচ) নীতিমালা তৈরির পক্ষে সমর্থন দিয়েছে বলেও জানান তিনি। এ ছাড়া কর্মীদের আয়, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান রক্ষা এবং মহামারী চলাকালীন নিয়োগকর্তাদের সহায়তায় বিভিন্ন উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে বলে জানান আইএলও কান্ট্রি ডিরেক্টর।

বাণিজ্য ও উন্নয়ন সংক্রান্ত জাতিসংঘ সম্মেলন (ইউএনসিটিএডি) থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে, ২০১৯ সালে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির মোট মূল্য ছিল ৩৩.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের ৯০ শতাংশই আসে এ খাত থেকে এবং দেশে কর্মজীবী প্রতি নয়জন নারীর মধ্যে একজন পোশাক খাতে কর্মরত।

আইএলও আরও জানায়, বাংলাদেশের কারখানাগুলোর প্রায় ৪৩ শতাংশ তাদের করোনার আগের কর্মী বাহিনীর ৫০ শতাংশেরও কম দিয়ে কাজ পরিচালনা করছে। সংস্থার বেটার ওয়ার্ক বাংলাদেশের (বিডব্লিউবি) সদস্য কারখানাগুলোর ২ লাখ ৩০ হাজার ৭৪৯ শ্রমিক কর্মস্থল আবার খোলার পরও সেখানে কাজ করতে পারছেন না। যা বিডব্লিউবি কর্মসূচির আওতায় থাকা মোট শ্রমিকের ৪১ শতাংশ।

২০২০ সালের মে মাসে বিডব্লিউবির ২৫০টি কারখানার মধ্যে করা এক সমীক্ষা অনুযায়ী, ৩৮ শতাংশ কারখানার রপ্তানি কমেছে বা তাদের চালান স্থগিত রাখতে বলা হয়েছে। ৩৪ শতাংশ কারখানার রপ্তানি আদেশ পুরোপুরি বাতিল হয়েছে এবং ৪ শতাংশ কারখানা কাঁচামালের অভাবে পোশাক তৈরি করতে পারেনি। খবর ইউএনবির।

advertisement
Evaly
advertisement