advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

রোহিঙ্গাদের ওপর মানবতাবিরোধী অপরাধ হয়েছে স্বীকার করুন

দাতাদের ফোর্টিফাই রাইটস

আমাদের সময় ডেস্ক
২২ অক্টোবর ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ২১ অক্টোবর ২০২০ ২৩:০২
advertisement

মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যার বিষয়টি স্বীকার করতে দাতা দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে মানবাধিকার সংগঠন ফর্টিফাই রাইটস। রোহিঙ্গা শরণার্থী ও বাংলাদেশসহ তাদের আশ্রয়দাতা দেশগুলোর সহায়তার জন্য আজ বৃহস্পতিবার এক অনলাইন সম্মেলনের আয়োজন করেছে যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্য ও জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা (ইউএনএইচসিআর)। ঠিক তার আগে দিয়ে গতকাল বুধবার ফোর্টিফাই রাইটস এ আহ্বান জানাল। সংগঠনটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ম্যাথু স্মিথ বলেন, গণহত্যাই হলো মানবিক প্রয়োজনের মূল কারণ এবং দাতা সরকারগুলোর এ বিষয়টি স্বীকার করা উচিত। আমরা যদি কখনো গণহত্যামুক্ত পৃথিবীতে বেঁচে থাকার আশা করি, তবে এর কারণ উদঘাটন করতে হবে। অপরাধগুলোর কারণ অনুসন্ধানে ব্যর্থ হলে বছরের পর বছর ধরে এমন বার্ষিক অর্থ সরবরাহের সম্মেলন করে যেতে হবে।

চলতি সপ্তাহে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক

পম্পেওকে লেখা এক যৌথ চিঠিতে মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সংঘটিত অপরাধকে ‘গণহত্যা’ হিসেবে অভিহীত করতে যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে আহ্বান জানিয়েছে ফর্টিফাই রাইটস, রিফিউজি ইন্টারন্যাশনাল এবং অন্যান্য ৩৩টি সংস্থা। চিঠিতে বলা হয়, গণহত্যায় দৃঢ় সংকল্প মিয়ানমার যাতে আরও নৃশংসতা থেকে বিরত থাকে এবং শেষ পর্যন্ত রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনের পরিস্থিতি তৈরি করে তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের বহুপাক্ষিক কূটনৈতিক ব্যস্ততা ও চাপ জোরদারে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া দরকার।

এদিকে আজ থেকে অনুষ্ঠিতব্য দাতা সম্মেলনকে ঘিরে এক বিবৃতিতে ইউএনএইচসিআর জানিয়েছে, অনুষ্ঠানের সহআয়োজকরা রোহিঙ্গাসহ অন্য বাস্তুচ্যুতদের জন্মস্থানে বা তাদের পছন্দমতো স্থানে স্বেচ্ছায় নিরাপদে, মর্যাদাপূর্ণ এবং টেকসই প্রত্যবাসন নিয়ে আলোচনা করবে। এ ছাড়া আয়োজকরা রোহিঙ্গা শরণার্থী, আশ্রয়দাতা স্থানীয় সম্প্রদায় এবং মিয়ানমারে অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুত মানুষদের সহায়তার জন্য প্রয়োজনীয় তহবিল সরবরাহে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানাবে।

এর আগে ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডমিনিক রাব বলেন, রোহিঙ্গারা ভয়াবহ বর্বরতার মুখোমুখি হয়েছে এবং কল্পনাতীত কলুষিত এক পরিস্থিতির মুখে তাদের বাড়িঘর ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছিল। ২০১৭ সাল থেকে রোহিঙ্গাদের মানবিক দুর্দশা নিরসনে যুক্তরাজ্যও শীর্ষস্থানীয় দাতা হিসেবে ভূমিকা রাখছে। খবর ইউএনবির।

advertisement
Evaly
advertisement