advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

গণফোরাম একাংশের সংবাদ সম্মেলন
প্রয়োজনে ড. কামালকে বহিষ্কার

নিজস্ব প্রতিবেদক
২২ অক্টোবর ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ২১ অক্টোবর ২০২০ ২৩:০৩
advertisement

গঠনতন্ত্রবিরোধী কর্মকা-ের জন্য গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেনকে প্রথমে শোকজ এবং এর পর সন্তোষজনক জবাব না পেলে তাকে চূড়ান্ত বহিষ্কার করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন দলটির একাংশের নেতা সুব্রত চৌধুরী। গতকাল বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

সুব্রত চৌধুরী বলেন, আগামী সম্মেলনে যদি কামাল হোসেন আসেন তবে তাকে সঙ্গে নিয়ে আমরা গণফোরামকে এগিয়ে নেব- এ সিদ্ধান্ত ড. কামাল হোসেনের। তবে

উনি ড. রেজা কিবরিয়াকে নিয়ে এবং উনার আশীর্বাদে তুষ্ট হয়ে যদি দুষ্টচক্রের মাধ্যমে গণতন্ত্রহীন এবং স্বেচ্ছাচারিতামূলক কর্মকা- চালিয়ে যান, তাহ লে আমাদের সিদ্ধান্ত, সম্মেলন এর আগেও হতে পারে। তিনি আরও বলেন, গঠনতন্ত্রবিরোধী যত কর্মকা- হয়েছে তা উনার (ড. কামাল হোসেন) সম্মতিক্রমেই হয়েছে। সুতরাং উনি সভাপতি হোন আর সদস্যই হোন- উনি যদি গঠনতন্ত্রবিরোধী কর্মকা-ে লিপ্ত থাকেন, তবে তার ব্যাপারে যা ব্যবস্থা নিতে হয় তা আমাদের গঠনতন্ত্রে আছে। কেন্দ্রীয় কমিটির দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের সম্মতিক্রমে তাকে বহিষ্কার করা যায়। এর আগে শোকজ দিতে হয়। আমরা ২৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা করব না। প্রয়োজনে এর আগেও যারা দলের গঠনতন্ত্রবিরোধী কাজ করেছে তাদের শোকজ করব। কামাল হোসেনের ব্যাপারেও এর কোনো ব্যত্যয় হবে না।

সুব্রত চৌধুরী বলেন, আমাদের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যরা যদি শোকজের জবাবে সন্তুষ্ট না হন তা হলে বহিষ্কারটা কেন্দ্রীয় কমিটির সভায় করতে হবে। দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের অনুমতি নিয়ে। যদি সদস্যরা সন্তুষ্ট হন, তা হলে চূড়ান্ত বহিষ্কার হয় না, সেটিা প্রত্যাহার হয়। যদি দুই-তৃতীয়াংশ সদস্য মনে করে শোকজের জবাব সন্তুষ্ট নয়, তা হলে চূড়ান্ত বহিষ্কার করা যাবে।

ড. কামাল হোসেনের বিরুদ্ধে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা বলেছিলাম ২৬ ডিসেম্বর, কিন্তু যেহেতু উনি এখনো ড. রেজা কিবরিয়ার যোগসাজশে গঠনতন্ত্রবিরোধী কর্মকা- করে যাচ্ছেন, তাই সিদ্ধান্ত আগেও হতে পারে। আমরা দেখব আগামীকাল (আজ বৃহস্পতিবার) থেকে উনি কী ভূমিকা রাখেন।

এর আগে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সুব্রত চৌধুরী। এ সময় আরও ছিলেন গণফোরামের একাংশের ষষ্ঠ জাতীয় সম্মেলন প্রস্তুতি পরিষদের আহ্বায়ক ও দলটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টু, নির্বাহী সভাপতি অধ্যাপক আবু সাইয়িদ।

প্রতিষ্ঠার ২৭ বছর পর গত ২৬ সেপ্টেম্বর দুই ভাগ হয়ে যায় ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন গণফোরাম। বেরিয়ে যাওয়া অংশের নেতৃত্ব দিচ্ছেন দলটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টুসহ তিন নেতা। এই অংশটি ২৬ ডিসেম্বর দলের কেন্দ্রীয় কাউন্সিলেরও ঘোষণা করেছে।

এরপর গত ১৭ অক্টোবর এক সভায় গণফোরামের আরেক অংশের সাধারণ সম্পাদক ড. রেজা কিবরিয়া জানান, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে মোস্তফা মহসিন মন্টুসহ আটজনকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। ১২ ডিসেম্বর ঢাকায় এই অংশের কেন্দ্রীয় কাউন্সিল করার ঘোষণা দেওয়া হয়।

advertisement
Evaly
advertisement