advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

বগুড়ায় আ.লীগ কর্মীকে গলা কেটে হত্যা

নিজস্ব প্রতিবেদক, বগুড়া
২২ অক্টোবর ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ২১ অক্টোবর ২০২০ ২৩:০৩
advertisement

বগুড়ার শিবগঞ্জে মোস্তাফিজার রহমান মোস্তা (৫২) নামে আওয়ামী লীগের এক কর্মীকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় দুর্বৃত্তরা তার হাত ও পায়ের রগও কেটে মৃত্যু নিশ্চিত করেছে। গতকাল বুধবার সকালে নিহতের বাড়ি সংলগ্ন পুকুরপাড় থেকে রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ তিনজনকে আটক করেছে।

নিহত মোস্তাফিজার রহমান মোস্তা শিবগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম জাহাঙ্গীরাবাদ গ্রামের মৃত আকবর আলীর ছেলে। তিনি শিবগঞ্জ সদর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সদস্য এবং একই ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য ও এমএবি ইটভাটার মালিক ছিলেন।

শিবগঞ্জ থানার ওসি এসএম বদিউজ্জামান জানান, মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে হত্যাকা-ের কোনো কারণ জানা যায়নি। বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধান চলছে। অপরাধীদের চিহ্নিত করা গেলে কারণও জানা সম্ভব হবে। তিনি আরও জানান, যে পুকুরপাড় থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে সেই

পুকুরের পাহারাদার জহুরুল ইসলাম ও আবুল কালামসহ ৩ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে।

শিবগঞ্জ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকী জানান, তাৎক্ষণিকভাবে এ হত্যাকা-ের কারণ জানা যায়নি। স্থানীয়দের ধারণা, বালু ও ইট ব্যবসা নিয়ে বিরোধেই নৃশংস হত্যার শিকার হয়েছেন তিনি।

নিহতের স্ত্রী রিনা বেগম জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর তিনি বাড়ি থেকে এক কিলোমিটার দূরে আলাদীপুরে তার ইটভাটায় যাওয়ার কথা বলে বের হন। রাত ২টা পর্যন্ত তিনি (স্ত্রী) তার মোবাইলে ফোন করলেও সেটি কেউ রিসিভ করেনি। এর পর বুধবার সকালে বাড়িসংলগ্ন পুকুরপাড়ে মোস্তার গলা কাটা মরদেহ দেখতে পান প্রতিবেশীরা। পরে থানায় খবর দেওয়া হলে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।

স্থানীয়রা জানান, পুকুরপাড়ে মরদেহ পাওয়া গেলেও সেখানে তাকে হত্যা করার কোনো আলামত নেই। এ কারণে তারা ধারণা করছেন তাকে অন্য কোথাও হত্যা করে মরদেহ তার বাড়ির কাছে পুকুরপাড়ে ফেলে রাখা হয়। নিহতের হাত-পায়ের রগ কাটা ছাড়াও মাথায় আঘাতের চিহ্ন এবং পা ভাঙা ছিল।

স্থানীয় এলাকাবাসী জানায়, মোস্তা এক সময় অপরাধ জগতের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। সে সময় তার নামে ছিনতাই, ডাকাতি, চোরাকারবারি ছাড়াও বিভিন্ন অভিযোগে একাধিক মামলা ছিল। পরবর্তী সময়ে তিনি ওই জগৎ থেকে বেরিয়ে বালুর ব্যবসা শুরু করেন। গত ১০ বছরের মধ্যে তিনি এলাকায় বালুর ব্যবসা করে ইটভাটার মালিক হন। এ ছাড়া তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত হয়ে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সদস্য হন।

advertisement
Evaly
advertisement