advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

কেন্দ্র দখল গণসিলের অভিযোগে পুনর্নির্বাচনের দাবি বিএনপির

নিজস্ব প্রতিবেদক
২২ অক্টোবর ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ২১ অক্টোবর ২০২০ ২৩:২০
advertisement

গত মঙ্গলবার সারাদেশে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ঘোষিত ফল প্রত্যাখ্যান করে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে বিএনপি। দলীয় প্রার্থীদের পোলিং এজেন্টদের বের করে ভোটকেন্দ্র দখলে নিয়ে ব্যালট পেপারে গণহারে সিল মারাসহ ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলে এ দাবি জানায় দলটি। গতকাল বুধবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের পক্ষে সংবাদ সম্মেলন করে দলটির সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, ‘গতকাল মঙ্গলবার দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ও উপনির্বাচনে সরকার তাদের দলীয় সন্ত্রাসীদের দিয়ে বরাবরের মতোই ভোটকেন্দ্র থেকে বিএনপির এজেন্টদের বের করে দেওয়া, ভোটকেন্দ্র দখলসহ ব্যালট পেপারে গণহারে সিল মারা, জালভোট দেওয়া ও সাধারণ ভোটারদের ভোট দিতে প্রচ- বাধা দিয়েছে। একতরফাভাবে সরকারদলীয় প্রার্থীদের বিজয়ী করতেই সরকার এ ধরনের অপকৌশলের আশ্রয় নিয়েছে। বিএনপির সমর্থক ও ভোটারদের ওপর হামলা এবং ব্যাপক ভোট জালিয়াতির আশ্রয় নিলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সরকার অনুগত প্রশাসন সেসব দেখেও না দেখার

ভান করেছে। এসব অনিয়ম, ভোট জালিয়াতি ও পেশিশক্তির বিষয়ে অভিযোগ করা হলেও রিটার্নিং কর্মকর্তারা কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি।

উপজেলা পরিষদের নির্বাচনের চিত্র তুলে ধরে এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, দিনাজপুর সদর, নওগাঁর মান্দা, যশোর সদর, খুলনার পাইকগাছা, বাগেরহাটের শরণখোলা, মাদারীপুরের শিবচর, কুমিল্লার দাউদকান্দি ও চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণে অনুষ্ঠিত সব উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা প্রশাসনের সহায়তায় ধানের শীষের সব এজেন্টকে মারধর করে বের করে দিয়েছে। প্রকাশ্যে নৌকার প্রার্থীর পক্ষে সিল মেরেছে। সাধারণ ভোটারদের উপস্থিতি ছিল না বললেই চলে।

একইভাবে ইউনিয়ন পরিষদের উপনির্বাচনের চিত্র তুলে ধরে বিএনপির এ নেতা বলেন, লালমনিরহাটের গড্ডিমারী, দলগ্রাম, পাটিকাপাড়া ইউনিয়ন; রংপুরের চন্দনপাট; গাজীপুরের নাগরী, ফরিদপুরের কোরকদি, বরিশালের কলসকাঠী, ময়মনসিংহের শেরপুর, বালিয়ান, সিরাজগঞ্জের পোরজানা, পাবনার মন্ডতোষ, ভাঙ্গুড়া, চুয়াডাঙ্গার গড়াইটুপি, ডাউকী, সিলেটের লক্ষ্মীপাশা, সাদীপুর, হবিগঞ্জের শাহজাহানপুর, কুমিল্লার আদ্রা, চাঁদপুরের মেহের দক্ষিণ, সুলতানাবাদ, জহিরাবাদ, সাচার, গোহট উত্তর, লক্ষ্মীপুরের ইছাপুর, কেরুয়া, চন্দ্রগঞ্জ, চট্টগ্রামের সুয়াবিল, নানুপুর, আদুনগর এবং হারামিয়াসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র দখলে নিয়ে বিএনপির প্রার্থীদের এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়। অধিকাংশ ইউনিয়নে সরকারদলীয় সশস্ত্র ক্যাডারবাহিনী বিএনপির সমর্থক ও ভোটারদের ওপর হামলা চালিয়ে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে। ফলে সাধারণ ভোটাররা ভোট দেওয়া দূরের কথা, ভোটকেন্দ্রেই আসতে পারেননি। এসব ঘটনার ধিক্কার ও নিন্দা জানাচ্ছে বিএনপি। হামলায় আহত নেতাকর্মীদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে হামলার সঙ্গে জড়িত সন্ত্রাসীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানান প্রিন্স।

সংবাদ সম্মেলনে আরও ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা হাবিবুল ইসলাম হাবিব, শিরিন সুলতানা, তাইফুল ইসলাম টিপু প্রমুখ।

advertisement
Evaly
advertisement