advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

ইমোবিলের গোলে ল্যাজিওর জয়

ক্রীড়া ডেস্ক
২২ অক্টোবর ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ২১ অক্টোবর ২০২০ ২৩:৩৮
advertisement

সাবেক ক্লাবের বিপক্ষে চিরো ইমোবিলের সূচনা গোলে ভর করে ল্যাজিও ৩-১ গোলে হারিয়েছে জার্মান জায়ান্ট বরুশিয়া ডর্টমুন্ডকে। এর মাধ্যমে ১৩ বছর পর চ্যাম্পিয়নস লিগে প্রত্যাবর্তনটিকে স্মরণীয় করে রাখল ল্যাজিও। এফ গ্রুপের আরেক ম্যাচে এদিন বেলজিয়ামের ক্লাব বুর্গ ২-১ গোলে পরাজিত করেছে রুশ ক্লাব জেনিথ সেন্ট পিটার্সবার্গকে।

রোমে অনুষ্ঠিত ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটেই ডর্টমুন্ড শিবিরে আঘাত হানেন ইমোবিল। ২৩ মিনিটের সময় মারভিন হিটজের আত্মঘাতী গোল দ্বিগুণ ব্যবধানে পৌঁছে দেয় ইতালীয় জায়ান্টদের। ম্যাচের ৭১ মিনিটে নরওয়ে তারকা আর্লিং হালান্ড ডর্টমুন্ডের হয়ে একটি গোল পরিশোধ করে দিলেও ৫ মিনিটের মধ্যে জেন ড্যানিয়েল আকপা-আকপ্রো তৃতীয় গোল করেন ল্যাজিওর হয়ে। এই জয়ে তারা এখন পয়েন্ট তালিকায় গ্রুপের শীর্ষে অবস্থান করছে। গ্রুপের বাকি দল হচ্ছে জেনিথ ও বুর্গ। মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ‘ই’ গ্রুপের দুটি ম্যাচই ড্র হয়েছে। ইংল্যান্ডের চেলসি-সেভিয়ার গোলশূন্য ড্র করার পর ফ্রান্সের রেনে ১-১ গোলে ড্র করেছে রাশিয়ার ক্লাব ক্রাসনোদারের সঙ্গে।

অন্যদিকে করোনা ভাইরাসের জন্য ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো আগেই বাদ। গত মৌসুমে দারুণ খেলা পাউলো দিবালা চোট কাটিয়ে অনুশীলনে ফিরেছিলেন, কিন্তু আগের ম্যাচে তাকে না রাখায় কোচের সঙ্গে মন কষাকষিও হয়েছিল খানিকটা। এ ম্যাচেও দিবালা বেঞ্চে। পরে অবশ্য নেমেছিলেন বদলি হয়ে। তবে দিনের সব আলো টেনে নিয়েছেন আলভারো মোরাতা। জুভেন্টাসের জার্সি গায়ে আবার পেয়েছেন জোড়া গোল, ডায়নামো কিয়েভকে ২-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগ অভিযান শুরু করেছে জুভেন্টাস।

কিয়েভের সঙ্গে জুভেন্টাসের রেকর্ডটা বেশ ভালো, চার ম্যাচের মধ্যে ৩টাই জিতেছিল তারা। আর কিয়েভের মাঠেও সর্বশেষ দেখায় জয় ছিল। বিরতির পরেই গোলের দেখা পেয়ে যায় জুভেন্টাস। রামোসের ব্যাকহিল থেকে শট করেছিলেন কুলুসেভস্কি, কিন্তু কিয়েভ গোলরক্ষক সেটি ঠেকিয়ে দিলেও এসে পড়ে মোরাতার পায়ে। অত কাছ থেকে গোল করতে ভুল করেননি। এর পর কিয়েভ ফেরার চেষ্টা করলেও পরিষ্কার সুযোগ পাচ্ছিল না। উল্টো ৮৬ মিনিটে কুয়াদ্রাদোর ক্রস থেকে দারুণ এক হেডে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন মোরাতা। এই ম্যাচে পেলেন নিজের ক্যারিয়ারে চ্যাম্পিয়নস লিগের কোনো ম্যাচে প্রথম জোড়া গোল। তার আগে অবশ্য দিবালা নেমেছেন, অসন্তোষের বাষ্প উড়িয়ে মনে রাখার মতো কিছু ম্যুভও করেছেন। পিরলোর জন্যও এ জয়টা অন্যরকম। ডাগআউটে চ্যাম্পিয়নস লিগে প্রথম জয়ের জন্য শুধু নয়, এই ম্যাচটি যে নিজের গুরুর বিপক্ষেও দ্বৈরথ ছিল। কিয়েভ কোচ মিরকে লুচেস্কুই ব্রেসিয়ার কোচ থাকার সময় অভিষেকের সুযোগ করে দিয়েছিলেন ১৬ বছর বয়সী পিরলো। গুরুর বিপক্ষেই পেলেন অনেক কাক্সিক্ষত জয়।

advertisement
Evaly
advertisement