advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

মূল্যবৃদ্ধিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ
শাস্তি নিশ্চিত করুন

২২ অক্টোবর ২০২০ ০০:০০
আপডেট: ২১ অক্টোবর ২০২০ ২৩:৪২
advertisement

চাল ব্যবসায়ীদের কারসাজি প্রায়ই সংবাদমাধ্যমে উঠে আসে। অবশেষে সরকারের টনক নড়েছে। এবার চালের মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। সিন্ডিকেট চিহ্নিত করে লাইসেন্স বাতিলসহ তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতেও বলা হয়। এ ছাড়া বাজার নিয়ন্ত্রণে ১০ দফা সুপারিশ করা হয়েছে।

দেশের ভেতরে পর্যাপ্ত উৎপাদন হলে, সরকারি গুদামে চালের মজুদ যথেষ্ট থাকলে এবং বিপুল পরিমাণ চাল আমদানি হলে অর্থনীতির স্বাভাবিক নিয়মে চালের দাম বৃদ্ধির কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকে না। কিন্তু আমাদের দেশে এই ঘটনা ঘটছে। পাইকারি বাজারে চালের দাম বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে খুচরা বাজারে প্রতিকেজি দুই থেকে তিন টাকা বেড়ে গেছে। এটি চাল ব্যবসায়ী ও চালকল মালিকদের সংঘবদ্ধ কারসাজি। বিশেষজ্ঞ ও বাজার পর্যবেক্ষকরা বলছেন, চালের বাজারে সরকারের কার্যকর নজরদারি থাকলে এমনটি ঘটতে পারে না।

কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য পাওয়ার অধিকার আছে। অন্যদিকে স্বল্প আয়ের মানুষের কাছে কম দামে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছানোর দায়িত্ব সরকারকে নিতে হবে। কেবল উৎপাদন কম হলেই দেশে খাদ্যসংকট হয় না। সেটি মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে থাকলেও ঝুঁকি বাড়ায়।

করোনার এই সংকটে সরকারের প্রথম করণীয় চালের মজুদ বাড়ানো। সরকারি গুদামের বাইরে দেশে কত ধান-চাল মজুদ আছে, এ সম্পর্কে নির্দিষ্ট তথ্য সরকারের কাছে না থাকায় চালকল মালিকদের কথাই সত্য বলে মেনে নিতে হচ্ছে। বন্যা ও আম্পানের কারণে আমন ও আউশ চাষ ব্যাহত হয়েছে। আগামী বোরো মৌসুমের বাকি পাঁচ-ছয় মাস। তাই কোনো রকম ঝুঁকি নেওয়া যাবে না। চালের মজুদ বৃদ্ধির পাশাপাশি বিতরণ কর্মসূচি জোরদার করতেই হবে। এতে স্বল্প আয়ের মানুষের কষ্ট কিছুটা হলেও লাঘব হবে। যারা সিন্ডিকেট করে চালের বাজারে কারসাজি করে, তাদের অবশ্যই কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

advertisement
Evaly
advertisement