advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

রোহিঙ্গাদের সহায়তায় ২০০ মিলিয়ন ডলার দেবে যুক্তরাষ্ট্র

কৌশলী ইমা নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি
২৩ অক্টোবর ২০২০ ১৩:৪৫ | আপডেট: ২৩ অক্টোবর ২০২০ ১৫:৪১
পুরোনো ছবি
advertisement

বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য আরও ২০০ মিলিয়ন ডলার সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। বাংলাদেশ ও এই অঞ্চলে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী এবং বার্মায় ক্ষতিগ্রস্ত অন্যান্য সম্প্রদায়ের জন্য এ সহায়তা দেওয়া হবে। গতকাল ‍বৃহস্পতিবার রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সহায়তায় দাতাদের ভার্চ্যুয়াল সম্মেলন ‘সাসটেইনিং সাপোর্ট ফর দ্য রোহিঙ্গা রিফিউজি রেসপন্স’-এ ঘোষণা দেয় দেশটি।

সম্মেলনটি যৌথভাবে আয়োজন করে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর। সম্মেলনে এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পে জানিয়েছেন, এই তহবিল বাংলাদেশে অবস্থিত রোহিঙ্গা শরণার্থী, স্থানীয় জনগোষ্ঠী এবং রাখাইনে ২০১৭ সালের আগস্টে জাতিগত নির্মূল অভিযান থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের জন্য ব্যবহার করা হবে।

মাইক পম্পে বলেন, ‘বিশ্বব্যাপী মানবিক কূটনীতিতে নেতৃত্বের অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র বার্মার মানুষকে টেকসই মানবিক সহায়তা দিতে বার্মা সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে এসেছে। বাস্তুচ্যুত মানুষ যাতে তাদের জন্মস্থানে নিরাপদে, টেকসইভাবে ফিরে আসতে পারে সেজন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশ তৈরি করতে যুক্তরাষ্ট্র কাজ করতে যাচ্ছে।’

বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র রোহিঙ্গা সঙ্কট মোকাবিলায় এখনে পর্যন্ত অর্থনৈতিকভাবে সবচেয়ে বড় দাতা দেশ। সেই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র এই শরণার্থীদের আশ্রয় দেওয়ার জন্য বাংলাদেশের অবদানকে স্বীকার করে।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পে বলেন, ‘কোভিড-১৯ মহামারি মোকাবিলায় এ অর্থ বছর আমাদের মানবিক সহায়তার পরিমাণ ৪৩৭ মিলিয়ন ডলারের বেশি। বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বিভিন্ন কর্মসূচির জন্য ৩৪৯ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে কভিড-১৯ মোকাবেলায় ৩৪ মিলিয়ন ডলার রয়েছে।’

বার্মার অভ্যন্তরে বিভিন্ন কর্মসূচির জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৮৫ মিলিয়ন ডলার। কোভিড-১৯ মোকাবিলায় ১১ মিলিয়ন ডলার দেওয়া হয়েছে। রোহিঙ্গা সঙ্কট মোকাবিলায় আমরা বাংলাদেশ, বার্মা ও এই অঞ্চলে প্রায় ১.২ বিলিয়ন ডলার দিয়েছি।’

বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, ‘এ সহায়তার মাধ্যমে মানবিক সংস্থাগুলো জাতীয় এবং স্থানীয় পর্যায়ের সকল ক্ষেত্রে কাজ করছে। যেসব কর্মসূচির সফলতার ব্যাপারে আমরা নিশ্চিত যেমন- ইউএনএইচসিআর, আইওএম, ইউনিসেফ, বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি, জাতিসংঘের মানবিক সহায়তামূলক কার্যক্রমের সমন্বয়কারী সংস্থা ওসিএইচএ, ইন্টারন্যাশনাল রেড ক্রস অ্যান্ড রেড ক্রিসেট মুভমেন্ট সংস্থাগুলোর কর্মসূচিতে আমাদের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। যুক্তরাজ্য, ইইউ এবং ইউএনএইচসিআর সঙ্গে যেসব দাতারা সহায়তার ঘোষণা করেছেন তাদের সাধুবাদ জানাই।’

মাইক পম্পে বলেন, ‘জাতিসংঘ এ বছর বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মানবিক চাহিদা মেটাতে ১ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি সাহায্যের আবেদন করেছে। যুক্তরাষ্ট্র তার অংশীদারদের সাথে রাখাইন অঞ্চলে অব্যাহত সহিংসতা নিরসনে কাজ করছে এবং দীর্ঘদিন ধরে অস্থিরতায় ইন্ধন দেওয়া, মাদক ও অস্ত্র চোরাচালান বন্ধেরও উদ্যোগ নিচ্ছে।’

advertisement
Evaly
advertisement